জাতিসংঘে মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সম্মেলন চায় ফিলিস্তিন
jugantor
আরব-ইসরাইল চুক্তির প্রতিক্রিয়া
জাতিসংঘে মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সম্মেলন চায় ফিলিস্তিন
দুই রাষ্ট্র সমাধান ও ফিলিস্তিনের স্বীকৃতির দাবি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে * ফিলিস্তিনকে দেয়া আরব দেশগুলোর সহায়তা ২৬৭ থেকে ৩৮ মিলিয়ন ডলারে * ব্রিটেনের পার্লামেন্টে স্বাধীন ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়ার দাবি

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ইসরাইলের সঙ্গে আরব আমিরাত ও বাহরাইনের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ ও চুক্তি স্বাক্ষরের পর জাতিসংঘে মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক একটি সম্মেলন চান ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস।

ইসরাইলের সঙ্গে আরব আমিরাত ও বাহরাইনের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ ও চুক্তি স্বাক্ষরের পর জাতিসংঘে মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক একটি সম্মেলন চান ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস।

শুক্রবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেয়া বক্তব্যে এ দাবি তোলেন তিনি। একই দিনে ইসরাইলের বসতি স্থাপন ভূমি অধিভুক্তকরণ সংক্রান্ত এক বিতর্কে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ব্রিটিশ এমপিরা। এএফপি।

জাতিসংঘের ভিডিও বক্তব্যে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে আগামী বছরের শুরুতে সম্মেলন আয়োজনের আহ্বান জানান ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট। যুক্তরাষ্ট্রের আগামী নির্বাচনের পর নতুন শুরুর প্রত্যাশায় এ সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে আসার কথাও বলেন আব্বাস।

তিনি বলেন, ‘সম্মেলনটি হতে হবে এমন ক্ষমতাশীল যাতে করে আন্তর্জাতিক আইনের ওপর ভিত্তি করে প্রকৃত শান্তি প্রক্রিয়া শুরু করা যায়। এটি হতে হবে ইসরাইল দখলদারিত্ব অবসান এবং ফিলিস্তিনিদের মুক্তি ও তাদের নিজেদের ভূমিতে স্বাধীনতা প্রাপ্তির লক্ষ্যে। এতে পূর্বজেরুজালেমকে রাজধানী করে ১৯৬৭ সালের সীমানা মোতাবেক স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পাশাপাশি এর চূড়ান্ত মর্যাদা ঠিক করতে হবে ও শরণার্থী সমস্যার সমাধান বের করতে হবে।’

মাত্র ১০ দিন আগে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের চুক্তি করে মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন। এছাড়া আরও কিছু আরব ও মুসলিম দেশ ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেবে বলে ঘোষণা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এর মধ্যে ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়া ও দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন ইস্যুতে দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছে সৌদি আরব।

বিভিন্ন খবরে বলা হচ্ছে প্রভাবশালী সুন্নি মুসলিম দেশটির যুবরাজ সালমান ইসরাইলকে স্বীকৃতি দান ও তেলআবিবের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের পক্ষে, অন্যদিকে বাদশাহ সালমান বিপক্ষে। এ অবস্থায় দুই দেশভিত্তিক সমাধানের পক্ষের দেশ ও শক্তিগুলো এবং ফিলিস্তিনের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে।

মাহমুদ আব্বাসও নিজের বক্তব্যে সেটি তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণকে একপাশে ঠেলে দিয়ে সব কিছু করা হচ্ছে- এটি ভাবাও প্রবঞ্চনামূলক।

কাকতালীয়ভাবে এদিনই ব্রিটেনের পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্সে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন ও একে ব্রিটেন কর্তৃক স্বীকৃতি দেয়ার দাবি তোলেন দেশটির মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকাবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জেমস ক্লেভারলি। ১৯৬৭ সালের সীমান্ত মেনে জেরুজালেমকে উভয় দেশের রাজধানী করে এ স্বীকৃতি দেয়ার দাবি জানান তিনি।

জেমস ক্লেভারলি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বলেন, বর্তমানে এটি একটি সুযোগ। আমরা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে উৎসাহ দিচ্ছি ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র ও নিজের আরব প্রতিবেশীদের এবং যুক্তরাজ্যের সঙ্গে কথা বলার জন্য। একটি প্রস্তাব তোলার জন্য।

এদিকে ফিলিস্তিনকে দেয়া আরব দেশগুলোর সহায়তা ২৬৭ থেকে কমে ৩৮ মিলিয়ন ডলারে নেমেছে। কোভিড মন্দার কারণে হঠাৎই আরব দেশগুলোর ফিলিস্তিন সহায়তা হ্রাস পেয়েছে। কিন্তু একই সময়ে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে আবার এই দেশগুলোই নতুন অর্থনৈতিক দিগন্তের উন্মোচন করছে বলে দাবি করছে। জেরুজালেম পোস্ট

মিসর, ইসরাইল, গ্রিস, সাইপ্রাস, ইতালি, জর্ডান ও ফিলিস্তিন কায়রোতে বৃহস্পতিবার জালানি সহযোগিতা চুক্তিতে প্রথমবারের মতো স্বাক্ষর করার পর ইসরাইলের জালানিমন্ত্রী ইউভাল স্টেইনিৎজ বলেছেন, ইসরাইলের গ্যাস জর্ডান ও মিসরে রফতানি করেই আয় হবে বছরে ৩০ বিলিয়ন ডলার।

ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা এটা পরিষ্কার অনুধাবন করছেন ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করায় তাদের প্রতি আরবদেশগুলোর সহায়তা আরও কমবে। গত মার্চ থেকে তারা আরব দেশগুলোতে থেকে কোনো সহায়তা পাননি। অন্যান্য দেশ থেকেও সহায়তা একই সময়ে কমেছে ৫০ শতাংশ। আর মোট সহায়তা কমেছে ৭০ শতাংশ।

গত বছর প্রথম সাত মাসে ফিলিস্তিন সহায়তা পেয়েছে ৫০০ মিলিয়ন ডলার। এ বছর একই সময়ে তা নেমেছে ২৫৫ মিলিয়নে। আরব দেশগুলোর গত বছর ২৬৭ মিলিয়ন ডলার দিলেও এ বছর এ পর্যন্ত দিয়েছে মাত্র ৩৮ মিলিয়ন ডলার।

ফিলিস্তিনি অর্থমন্ত্রী রিয়াদ আল-মালিকি বলেন, অধিকাংশ আরব দেশ ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে ফিলিস্তিনের ওপর অবরোধ আরোপের পর আরব সম্মেলনে যে ১০০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দেয়ার সিদ্ধান্ত হয় তা মানছেন না।

কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু আরব ধনীদেশগুলোকে এ ধরনের সহায়তা থেকে দূরে থাকতে বলেছেন। এ পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষকে আর্থিক সহায়তা পেতে নতুন উৎস খুঁজতে হচ্ছে। ইউরোপীয় সংসদ তদন্তের নির্দেশ দিয়ে বলেছে কি পরিমাণ অর্থ ফিলিস্তিনিদের হাতে যাচ্ছে।

আইন করে এ ধরনের সহায়তা বন্ধ করার উদ্যোগ নিচ্ছে ইউরোপীয় কমিশন। ইউরোপ থেকে বছরে অন্তত ৫০ মিলিয়ন ইউরো ফিলিস্তিনিদের সহায়তা হিসেবে আসে।

আরব-ইসরাইল চুক্তির প্রতিক্রিয়া

জাতিসংঘে মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক সম্মেলন চায় ফিলিস্তিন

দুই রাষ্ট্র সমাধান ও ফিলিস্তিনের স্বীকৃতির দাবি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে * ফিলিস্তিনকে দেয়া আরব দেশগুলোর সহায়তা ২৬৭ থেকে ৩৮ মিলিয়ন ডলারে * ব্রিটেনের পার্লামেন্টে স্বাধীন ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়ার দাবি
 যুগান্তর ডেস্ক 
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
ইসরাইলের সঙ্গে আরব আমিরাত ও বাহরাইনের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ ও চুক্তি স্বাক্ষরের পর জাতিসংঘে মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক একটি সম্মেলন চান ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস।
ছবি: সংগৃহীত

ইসরাইলের সঙ্গে আরব আমিরাত ও বাহরাইনের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণ ও চুক্তি স্বাক্ষরের পর জাতিসংঘে মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক একটি সম্মেলন চান ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস।

শুক্রবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেয়া বক্তব্যে এ দাবি তোলেন তিনি। একই দিনে ইসরাইলের বসতি স্থাপন ভূমি অধিভুক্তকরণ সংক্রান্ত এক বিতর্কে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ব্রিটিশ এমপিরা। এএফপি।

জাতিসংঘের ভিডিও বক্তব্যে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের কাছে আগামী বছরের শুরুতে সম্মেলন আয়োজনের আহ্বান জানান ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট। যুক্তরাষ্ট্রের আগামী নির্বাচনের পর নতুন শুরুর প্রত্যাশায় এ সম্মেলনে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে আসার কথাও বলেন আব্বাস।

তিনি বলেন, ‘সম্মেলনটি হতে হবে এমন ক্ষমতাশীল যাতে করে আন্তর্জাতিক আইনের ওপর ভিত্তি করে প্রকৃত শান্তি প্রক্রিয়া শুরু করা যায়। এটি হতে হবে ইসরাইল দখলদারিত্ব অবসান এবং ফিলিস্তিনিদের মুক্তি ও তাদের নিজেদের ভূমিতে স্বাধীনতা প্রাপ্তির লক্ষ্যে। এতে পূর্বজেরুজালেমকে রাজধানী করে ১৯৬৭ সালের সীমানা মোতাবেক স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের পাশাপাশি এর চূড়ান্ত মর্যাদা ঠিক করতে হবে ও শরণার্থী সমস্যার সমাধান বের করতে হবে।’

মাত্র ১০ দিন আগে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের চুক্তি করে মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইন। এছাড়া আরও কিছু আরব ও মুসলিম দেশ ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেবে বলে ঘোষণা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এর মধ্যে ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়া ও দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন ইস্যুতে দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছে সৌদি আরব।

বিভিন্ন খবরে বলা হচ্ছে প্রভাবশালী সুন্নি মুসলিম দেশটির যুবরাজ সালমান ইসরাইলকে স্বীকৃতি দান ও তেলআবিবের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের পক্ষে, অন্যদিকে বাদশাহ সালমান বিপক্ষে। এ অবস্থায় দুই দেশভিত্তিক সমাধানের পক্ষের দেশ ও শক্তিগুলো এবং ফিলিস্তিনের দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে।

মাহমুদ আব্বাসও নিজের বক্তব্যে সেটি তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, ফিলিস্তিনি জনগণকে একপাশে ঠেলে দিয়ে সব কিছু করা হচ্ছে- এটি ভাবাও প্রবঞ্চনামূলক।

কাকতালীয়ভাবে এদিনই ব্রিটেনের পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্সে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠন ও একে ব্রিটেন কর্তৃক স্বীকৃতি দেয়ার দাবি তোলেন দেশটির মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকাবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জেমস ক্লেভারলি। ১৯৬৭ সালের সীমান্ত মেনে জেরুজালেমকে উভয় দেশের রাজধানী করে এ স্বীকৃতি দেয়ার দাবি জানান তিনি।

জেমস ক্লেভারলি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বলেন, বর্তমানে এটি একটি সুযোগ। আমরা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে উৎসাহ দিচ্ছি ইসরাইল, যুক্তরাষ্ট্র ও নিজের আরব প্রতিবেশীদের এবং যুক্তরাজ্যের সঙ্গে কথা বলার জন্য। একটি প্রস্তাব তোলার জন্য।

এদিকে ফিলিস্তিনকে দেয়া আরব দেশগুলোর সহায়তা ২৬৭ থেকে কমে ৩৮ মিলিয়ন ডলারে নেমেছে। কোভিড মন্দার কারণে হঠাৎই আরব দেশগুলোর ফিলিস্তিন সহায়তা হ্রাস পেয়েছে। কিন্তু একই সময়ে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে আবার এই দেশগুলোই নতুন অর্থনৈতিক দিগন্তের উন্মোচন করছে বলে দাবি করছে। জেরুজালেম পোস্ট

মিসর, ইসরাইল, গ্রিস, সাইপ্রাস, ইতালি, জর্ডান ও ফিলিস্তিন কায়রোতে বৃহস্পতিবার জালানি সহযোগিতা চুক্তিতে প্রথমবারের মতো স্বাক্ষর করার পর ইসরাইলের জালানিমন্ত্রী ইউভাল স্টেইনিৎজ বলেছেন, ইসরাইলের গ্যাস জর্ডান ও মিসরে রফতানি করেই আয় হবে বছরে ৩০ বিলিয়ন ডলার।

ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা এটা পরিষ্কার অনুধাবন করছেন ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করায় তাদের প্রতি আরবদেশগুলোর সহায়তা আরও কমবে। গত মার্চ থেকে তারা আরব দেশগুলোতে থেকে কোনো সহায়তা পাননি। অন্যান্য দেশ থেকেও সহায়তা একই সময়ে কমেছে ৫০ শতাংশ। আর মোট সহায়তা কমেছে ৭০ শতাংশ।

গত বছর প্রথম সাত মাসে ফিলিস্তিন সহায়তা পেয়েছে ৫০০ মিলিয়ন ডলার। এ বছর একই সময়ে তা নেমেছে ২৫৫ মিলিয়নে। আরব দেশগুলোর গত বছর ২৬৭ মিলিয়ন ডলার দিলেও এ বছর এ পর্যন্ত দিয়েছে মাত্র ৩৮ মিলিয়ন ডলার।

ফিলিস্তিনি অর্থমন্ত্রী রিয়াদ আল-মালিকি বলেন, অধিকাংশ আরব দেশ ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে ফিলিস্তিনের ওপর অবরোধ আরোপের পর আরব সম্মেলনে যে ১০০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দেয়ার সিদ্ধান্ত হয় তা মানছেন না।

কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু আরব ধনীদেশগুলোকে এ ধরনের সহায়তা থেকে দূরে থাকতে বলেছেন। এ পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষকে আর্থিক সহায়তা পেতে নতুন উৎস খুঁজতে হচ্ছে। ইউরোপীয় সংসদ তদন্তের নির্দেশ দিয়ে বলেছে কি পরিমাণ অর্থ ফিলিস্তিনিদের হাতে যাচ্ছে।

আইন করে এ ধরনের সহায়তা বন্ধ করার উদ্যোগ নিচ্ছে ইউরোপীয় কমিশন। ইউরোপ থেকে বছরে অন্তত ৫০ মিলিয়ন ইউরো ফিলিস্তিনিদের সহায়তা হিসেবে আসে।