বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মীদের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ
jugantor
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মীদের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

  যুগান্তর ডেস্ক  

০১ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও শীর্ষ স্থানীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এনেছেন ৫১ জন নারী।  তাদের দাবি, ইবোলা সংকট চলাকালীন ২০১৮ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে ওইসব আন্তর্জাতিক কর্মীর নিপীড়নের শিকার হয়েছেন তারা। সংকটের সময়ে চাকরি দেয়ার কথা বলে তাদেরকে যৌন সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করা হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও শীর্ষ স্থানীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এনেছেন ৫১ জন নারী।

তাদের দাবি, ইবোলা সংকট চলাকালীন ২০১৮ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে ওইসব আন্তর্জাতিক কর্মীর নিপীড়নের শিকার হয়েছেন তারা। সংকটের সময়ে চাকরি দেয়ার কথা বলে তাদেরকে যৌন সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করা হয়েছে।

সংবাদ সংস্থা দ্য নিউ হিউম্যানিটারিয়ান ও থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনের করা প্রায় এক বছরের অনুসন্ধানে বের হয়ে এসেছে এমন তথ্য। নিপীড়নের শিকার ওই নারীদের সবাই আফ্রিকার দেশ ডিআর কঙ্গোর অধিবাসী।

এ ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, অভিযোগের তদন্ত করছে তারা।

নিপীড়নের শিকার নারীদের কেউ বাবুর্চি, কেউ পরিচ্ছন্নতাকর্মী আবার কেউ কমিউনিটিপর্যায়ের কর্মী ছিলেন। তাদেরকে স্বল্প মেয়াদি চুক্তিতে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।

মাসে তাদের আয় ছিল ৫০ ডলার থেকে ১০০ ডলার পর্যন্ত, যা তাদের স্বাভাবিক সময়ের মজুরির তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি।

জবানবন্দি দেয়া ৫১ নারীর বেশির ভাগই জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক কর্মীদের কেউ কেউ চাকরি দেয়ার বিনিময়ে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দিত। কেউ কেউ আবার তা করতে বাধ্য করত।

প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে চুক্তি বাতিল করে দেয়া হতো। ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ জানিয়েছেন, তাদেরকে পানিতে নেশার দ্রব্য গুলিয়ে দেয়া হয়েছিল, কেউ কেউ আবার বলেছেন অফিস ও হাসপাতালে আক্রমণের শিকার হয়েছেন তারা।

কারও কারও দাবি, চাকরি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদেরকে রুমে আটকে রাখা হয়েছিল। যৌন সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাবটি চাকরি পাওয়ার একমাত্র শর্ত হয়ে উঠেছিল।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মীদের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

 যুগান্তর ডেস্ক 
০১ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও শীর্ষ স্থানীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এনেছেন ৫১ জন নারী।  তাদের দাবি, ইবোলা সংকট চলাকালীন ২০১৮ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে ওইসব আন্তর্জাতিক কর্মীর নিপীড়নের শিকার হয়েছেন তারা। সংকটের সময়ে চাকরি দেয়ার কথা বলে তাদেরকে যৌন সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করা হয়েছে।
ফাইল ছবি

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও শীর্ষ স্থানীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ এনেছেন ৫১ জন নারী।

তাদের দাবি, ইবোলা সংকট চলাকালীন ২০১৮ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে ওইসব আন্তর্জাতিক কর্মীর নিপীড়নের শিকার হয়েছেন তারা। সংকটের সময়ে চাকরি দেয়ার কথা বলে তাদেরকে যৌন সম্পর্ক স্থাপনে বাধ্য করা হয়েছে।

সংবাদ সংস্থা দ্য নিউ হিউম্যানিটারিয়ান ও থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশনের করা প্রায় এক বছরের অনুসন্ধানে বের হয়ে এসেছে এমন তথ্য। নিপীড়নের শিকার ওই নারীদের সবাই আফ্রিকার দেশ ডিআর কঙ্গোর অধিবাসী।

এ ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, অভিযোগের তদন্ত করছে তারা।

নিপীড়নের শিকার নারীদের কেউ বাবুর্চি, কেউ পরিচ্ছন্নতাকর্মী আবার কেউ কমিউনিটিপর্যায়ের কর্মী ছিলেন। তাদেরকে স্বল্প মেয়াদি চুক্তিতে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।

মাসে তাদের আয় ছিল ৫০ ডলার থেকে ১০০ ডলার পর্যন্ত, যা তাদের স্বাভাবিক সময়ের মজুরির তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি।

জবানবন্দি দেয়া ৫১ নারীর বেশির ভাগই জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক কর্মীদের কেউ কেউ চাকরি দেয়ার বিনিময়ে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব দিত। কেউ কেউ আবার তা করতে বাধ্য করত।

প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলে চুক্তি বাতিল করে দেয়া হতো। ভুক্তভোগীদের কেউ কেউ জানিয়েছেন, তাদেরকে পানিতে নেশার দ্রব্য গুলিয়ে দেয়া হয়েছিল, কেউ কেউ আবার বলেছেন অফিস ও হাসপাতালে আক্রমণের শিকার হয়েছেন তারা।

কারও কারও দাবি, চাকরি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাদেরকে রুমে আটকে রাখা হয়েছিল। যৌন সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাবটি চাকরি পাওয়ার একমাত্র শর্ত হয়ে উঠেছিল।