সৌদি বাদশা, ট্রাম্প ও যুবরাজের ফাঁসির আদেশ ইয়েমেনে
jugantor
সৌদি বাদশা, ট্রাম্প ও যুবরাজের ফাঁসির আদেশ ইয়েমেনে
২০১৮ সালের স্কুল বোমা হামলায় দশজনকে সাজা

  যুগান্তর ডেস্ক  

০২ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

স্কুলে বোমা হামলায় ৫১ শিশু নিহত হওয়ার ঘটনায় সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানসহ (এমবিএস) দশজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ইয়েমেনের এক আদালত। ২০১৮ সালে সাদা প্রদেশের দাহিয়ান এলাকায় ওই বোমা হামলায় আরও ৭৯ জন শিশু আহত হয়। এমএনএ।

সাদা প্রদেশের বিশেষায়িত ফার্স্ট ইন্সটেন্স ক্রিমিনাল কোর্ট ছাত্রদের টার্গেট করা ও খুনের দায়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ফাঁসি কার্যকরের আদেশ দেন। ট্রাম্প, সৌদি বাদশা ও যুবরাজ ছাড়া আরও যাদের বিরুদ্ধে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়েছে তারা হলেন- তুর্কি বিন বন্দর বিন আবদুল আজিজ আল-সৌদ, জেমস নরম্যান ম্যাটিস, গিসেলে নর্টন অ্যালেন সোয়ার্টজ, আবদেল রাব্বু মনসুর হাদি, আলী মোহসেন সালেহ আল-আহরাম, আহমেদ ওবায়েদ বিন দাগের ও মোহাম্মাদ আলী আহমেদ আল-মাকদেশি। আদালতের প্রধান বিচারক রিয়াদ আল-রুজামির সভাপতিত্বে দেয়া রায়ে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি অভিযুক্তদের এক হাজার কোটি ডলার জরিমানাও করা হয়। জরিমানার অর্থ ব্লাড মানি হিসেবে নিহতদের অভিভাবকদের দেয়ার বিষয়ও রায়ে স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়। ২০১৫ সালে মার্চ মাসে অনেকগুলো মিত্র দেশের সহায়তায় প্রতিবেশী ইয়েমেনে বিমান হামলা শুরু করে সৌদি জোট। এতে নির্দিষ্ট কিছু পশ্চিমা দেশ অস্ত্র ও সমর্থন দিয়ে সহায়তা করে। দারিদ্র্যপীড়িত ইয়েমেনে সৌদি বাহিনীর হামলায় অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়। প্রেসিডেন্ট আবদেল রাব্বু মনসুর হাদিকে সরিয়ে শিয়া বিদ্রোহী হুথি গ্রুপ ক্ষমতার দখল নেয়ার পর হাদিকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে ওই হামলা শুরু করে সৌদি জোট। হামলা শুরুর পর অনেক বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত ও হতাহতের অভিযোগ উঠে সৌদি জোটের বিরুদ্ধে। তার মধ্যে সাদা প্রদেশের দাহিয়ান এলাকায় স্কুলে বোমা হামলার ঘটনা অন্যতম। সৌদি জোটের হামলার জবাবে ইয়েমেনে ইরানের সমর্থনপুষ্ট শিয়া হুথি গ্রুপও পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। যুদ্ধ এখন বন্ধ হলেও সৌদির বিভিন্ন সামরিক-বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হুথিদের হামলা এখনও অব্যাহত রয়েছে। অলাভজনক যুদ্ধ গবেষণা সংস্থা আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন অ্যান্ড ইভেন্ট ডাটা প্রজেক্ট (এসিএলইডি) জানিয়েছে, ইয়েমেনে সৌদি জোটের যুদ্ধে প্রায় ৫৬ হাজার ইয়েমেনি প্রাণ হারিয়েছেন।

এ যুদ্ধে সবচেয়ে দরিদ্র আরব দেশ ইয়েমেনের অনেক অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়। হাসপাতাল, স্কুল ও কলকারখানা ধ্বংস হয়। ইয়েমেনে খাদ্য সংকট দেখা দেয় অযাচিত ওই যুদ্ধের কারণে।

সৌদি বাদশা, ট্রাম্প ও যুবরাজের ফাঁসির আদেশ ইয়েমেনে

২০১৮ সালের স্কুল বোমা হামলায় দশজনকে সাজা
 যুগান্তর ডেস্ক 
০২ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

স্কুলে বোমা হামলায় ৫১ শিশু নিহত হওয়ার ঘটনায় সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানসহ (এমবিএস) দশজনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ইয়েমেনের এক আদালত। ২০১৮ সালে সাদা প্রদেশের দাহিয়ান এলাকায় ওই বোমা হামলায় আরও ৭৯ জন শিশু আহত হয়। এমএনএ।

সাদা প্রদেশের বিশেষায়িত ফার্স্ট ইন্সটেন্স ক্রিমিনাল কোর্ট ছাত্রদের টার্গেট করা ও খুনের দায়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ফাঁসি কার্যকরের আদেশ দেন। ট্রাম্প, সৌদি বাদশা ও যুবরাজ ছাড়া আরও যাদের বিরুদ্ধে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়েছে তারা হলেন- তুর্কি বিন বন্দর বিন আবদুল আজিজ আল-সৌদ, জেমস নরম্যান ম্যাটিস, গিসেলে নর্টন অ্যালেন সোয়ার্টজ, আবদেল রাব্বু মনসুর হাদি, আলী মোহসেন সালেহ আল-আহরাম, আহমেদ ওবায়েদ বিন দাগের ও মোহাম্মাদ আলী আহমেদ আল-মাকদেশি। আদালতের প্রধান বিচারক রিয়াদ আল-রুজামির সভাপতিত্বে দেয়া রায়ে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি অভিযুক্তদের এক হাজার কোটি ডলার জরিমানাও করা হয়। জরিমানার অর্থ ব্লাড মানি হিসেবে নিহতদের অভিভাবকদের দেয়ার বিষয়ও রায়ে স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়। ২০১৫ সালে মার্চ মাসে অনেকগুলো মিত্র দেশের সহায়তায় প্রতিবেশী ইয়েমেনে বিমান হামলা শুরু করে সৌদি জোট। এতে নির্দিষ্ট কিছু পশ্চিমা দেশ অস্ত্র ও সমর্থন দিয়ে সহায়তা করে। দারিদ্র্যপীড়িত ইয়েমেনে সৌদি বাহিনীর হামলায় অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়। প্রেসিডেন্ট আবদেল রাব্বু মনসুর হাদিকে সরিয়ে শিয়া বিদ্রোহী হুথি গ্রুপ ক্ষমতার দখল নেয়ার পর হাদিকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে ওই হামলা শুরু করে সৌদি জোট। হামলা শুরুর পর অনেক বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত ও হতাহতের অভিযোগ উঠে সৌদি জোটের বিরুদ্ধে। তার মধ্যে সাদা প্রদেশের দাহিয়ান এলাকায় স্কুলে বোমা হামলার ঘটনা অন্যতম। সৌদি জোটের হামলার জবাবে ইয়েমেনে ইরানের সমর্থনপুষ্ট শিয়া হুথি গ্রুপও পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তোলে। যুদ্ধ এখন বন্ধ হলেও সৌদির বিভিন্ন সামরিক-বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হুথিদের হামলা এখনও অব্যাহত রয়েছে। অলাভজনক যুদ্ধ গবেষণা সংস্থা আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন অ্যান্ড ইভেন্ট ডাটা প্রজেক্ট (এসিএলইডি) জানিয়েছে, ইয়েমেনে সৌদি জোটের যুদ্ধে প্রায় ৫৬ হাজার ইয়েমেনি প্রাণ হারিয়েছেন।

এ যুদ্ধে সবচেয়ে দরিদ্র আরব দেশ ইয়েমেনের অনেক অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়। হাসপাতাল, স্কুল ও কলকারখানা ধ্বংস হয়। ইয়েমেনে খাদ্য সংকট দেখা দেয় অযাচিত ওই যুদ্ধের কারণে।