রাখাইনে শিশুদের ‘মানব ঢাল’ বানাচ্ছে সেনারা
jugantor
রাখাইনে শিশুদের ‘মানব ঢাল’ বানাচ্ছে সেনারা

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৬ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মিয়ানমারের রাখাইনে সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহীদের মধ্যকার লড়াইয়ের বলি হচ্ছে রোহিঙ্গা শিশুরা। এখানে প্রায়ই ঘটছে শিশুহত্যা ও নির্যাতনের ঘটনা।

কখনও কখনও শিশুদের ‘মানব ঢাল’ হিসেবেও ব্যবহার করছে মিয়ানমার সেনারা। গত কয়েক মাসে এই সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে।

চলতি মাসের শুরুর দিকেই উত্তরাঞ্চলীয় বুথিয়াডং শহরে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে দুই শিশু নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

এতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। বুধবার এক বিবৃতিতে শিশুহত্যার ঘটনার ‘পূর্ণ, স্বচ্ছ এবং দ্রুত তদন্তে’র আহ্বান জানিয়েছে সংস্থার কর্মকর্তারা। ২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গা গণহত্যার পর থেকে রাখাইনের পশ্চিমাঞ্চলে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহী আরাকান আর্মির মধ্যে ব্যাপক সংঘাত চলছে।

প্রায়ই এই অঞ্চলের জনবসতিপূর্ণ এলাকায় উভয়পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এর প্রধান শিকার হয় স্থানীয় শান্তিপ্রিয় অধিবাসী তথা শিশু ও নারীরা।

অধিকার সংস্থাগুলোর হিসাবে, গত দুই বছরে অন্তত ৪৪ জন শিশু নিহত হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছে আরও অন্তত ১৩৫ শিশু।

এছাড়া সংঘাতের মধ্যে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে প্রায় দুই লাখ বাসিন্দা। গত সপ্তাহেই (৫ অক্টোবর) বুথিয়াডং জনপদে সেনা ও বিদ্রোহীদের লড়াইয়ের সময় দুই শিশু নিহত হয়েছে। শিশু দুটি প্রায় ১৫ জন স্থানীয় কৃষকের একটি দলের অংশ ছিল।

বিদ্রোহীদের সম্ভাব্য আক্রমণ থেকে নিজেদের রক্ষার জন্য সেনাবাহিনীর একটি ইউনিট তাদেরকে ‘মানব ঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করেছিল। পথে আরাকান আর্মির গুলি শুরু করলে তারা নিহত হয়। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদের লাশ পাওয়া যায়।

জাতিসংঘের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এ ঘটনায় আমরা দুঃখিত ও শোকাহত এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। শিশুদের ব্যবহার ও হত্যায় যে-ই জড়িত থাকুক না কেন, তাকে জবাবদিহি করতে হবে।’

রাখাইনে শিশুদের ‘মানব ঢাল’ বানাচ্ছে সেনারা

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৬ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মিয়ানমারের রাখাইনে সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহীদের মধ্যকার লড়াইয়ের বলি হচ্ছে রোহিঙ্গা শিশুরা। এখানে প্রায়ই ঘটছে শিশুহত্যা ও নির্যাতনের ঘটনা।

কখনও কখনও শিশুদের ‘মানব ঢাল’ হিসেবেও ব্যবহার করছে মিয়ানমার সেনারা। গত কয়েক মাসে এই সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে।

চলতি মাসের শুরুর দিকেই উত্তরাঞ্চলীয় বুথিয়াডং শহরে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে দুই শিশু নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

এতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। বুধবার এক বিবৃতিতে শিশুহত্যার ঘটনার ‘পূর্ণ, স্বচ্ছ এবং দ্রুত তদন্তে’র আহ্বান জানিয়েছে সংস্থার কর্মকর্তারা। ২০১৭ সালের আগস্টে রোহিঙ্গা গণহত্যার পর থেকে রাখাইনের পশ্চিমাঞ্চলে মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও বিদ্রোহী আরাকান আর্মির মধ্যে ব্যাপক সংঘাত চলছে।

প্রায়ই এই অঞ্চলের জনবসতিপূর্ণ এলাকায় উভয়পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এর প্রধান শিকার হয় স্থানীয় শান্তিপ্রিয় অধিবাসী তথা শিশু ও নারীরা।

অধিকার সংস্থাগুলোর হিসাবে, গত দুই বছরে অন্তত ৪৪ জন শিশু নিহত হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছে আরও অন্তত ১৩৫ শিশু।

এছাড়া সংঘাতের মধ্যে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে প্রায় দুই লাখ বাসিন্দা। গত সপ্তাহেই (৫ অক্টোবর) বুথিয়াডং জনপদে সেনা ও বিদ্রোহীদের লড়াইয়ের সময় দুই শিশু নিহত হয়েছে। শিশু দুটি প্রায় ১৫ জন স্থানীয় কৃষকের একটি দলের অংশ ছিল।

বিদ্রোহীদের সম্ভাব্য আক্রমণ থেকে নিজেদের রক্ষার জন্য সেনাবাহিনীর একটি ইউনিট তাদেরকে ‘মানব ঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করেছিল। পথে আরাকান আর্মির গুলি শুরু করলে তারা নিহত হয়। পরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাদের লাশ পাওয়া যায়।

জাতিসংঘের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এ ঘটনায় আমরা দুঃখিত ও শোকাহত এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। শিশুদের ব্যবহার ও হত্যায় যে-ই জড়িত থাকুক না কেন, তাকে জবাবদিহি করতে হবে।’