অবশেষে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠল ইরানের
jugantor
অবশেষে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠল ইরানের

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৯ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

অবশেষে দীর্ঘ ১৩ বছর পর ইরানের ওপর থেকে উঠে গেল জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা। এ জন্য ১৮ অক্টোবরকে স্মরণীয় দিন বলে উল্লেখ করেছেন ইরানের কর্মকর্তারা।

এ নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার মাধ্যমে ইরান চাইলে যে কোনো দেশের কাছ থেকে অস্ত্র কিনতে পারবে ও বিক্রি করতে পারবে। রোববার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবাদ সত্ত্বেও নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় জাতিসংঘ। ২০১৫ সালে ইরানের সঙ্গে ছয়জাতি পরমাণু সমঝোতার অংশ হিসেবে ইরানের ওপর থেকে উঠল অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা। গার্ডিয়ান।

ইরান ও ছয়জাতির পরমাণু সমঝোতায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২২৩১ নম্বর প্রস্তাবে বলা ছিল পাঁচ বছর পর ইরানের ওপর থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উঠে যাবে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের প্রস্তাবনার প্রয়োজন নেই। ফলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবাদ-বিরোধিতাও কোনো কাজে আসেনি।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আজকে থেকে ইরানের জন্য যে কোনো ধরনের অস্ত্র হস্তান্তর (কেনা ও বেচা) সংক্রান্ত বিধিনিষেধ, এ সংক্রান্ত কার্যক্রম ও অর্থনৈতিক সেবা আদান-প্রদানের নিষেধাজ্ঞা স্বয়ংক্রিয়ভাবে উঠে গেল।’

দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ টুই করে বলেন, বাকি বিশ্বের সঙ্গে ইরানের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের মধ্য দিয়ে বহুপাক্ষিকতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিজয় অর্জিত হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে এর মধ্য দিয়ে চীন ওরাশিয়া ইরানের কাছে বিভিন্ন অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব দেবে দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নের কথা বলে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ইরানের অস্ত্র শিল্প স্বয়ংসম্পূর্ণ। নিজেদের প্রতিরক্ষার জন্য বাইরে থেকে অস্ত্র কেনার প্রয়োজন হবে না।

ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অচলিত, প্রচলিত বা গণবিধ্বংসী অস্ত্র কেনার স্থান ইরানের প্রতিরক্ষা নীতিতে নেই। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে সৌদি আরবসহ সুন্নি কয়েকটি আরব দেশের প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে। ইরানের ওপর থেকে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে কৌশলগতভাবে ইরান এগিয়ে যাবে।

অবশেষে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠল ইরানের

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৯ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

অবশেষে দীর্ঘ ১৩ বছর পর ইরানের ওপর থেকে উঠে গেল জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা। এ জন্য ১৮ অক্টোবরকে স্মরণীয় দিন বলে উল্লেখ করেছেন ইরানের কর্মকর্তারা।

এ নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার মাধ্যমে ইরান চাইলে যে কোনো দেশের কাছ থেকে অস্ত্র কিনতে পারবে ও বিক্রি করতে পারবে। রোববার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবাদ সত্ত্বেও নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় জাতিসংঘ। ২০১৫ সালে ইরানের সঙ্গে ছয়জাতি পরমাণু সমঝোতার অংশ হিসেবে ইরানের ওপর থেকে উঠল অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা। গার্ডিয়ান।

ইরান ও ছয়জাতির পরমাণু সমঝোতায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২২৩১ নম্বর প্রস্তাবে বলা ছিল পাঁচ বছর পর ইরানের ওপর থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উঠে যাবে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা। এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের প্রস্তাবনার প্রয়োজন নেই। ফলে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবাদ-বিরোধিতাও কোনো কাজে আসেনি।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আজকে থেকে ইরানের জন্য যে কোনো ধরনের অস্ত্র হস্তান্তর (কেনা ও বেচা) সংক্রান্ত বিধিনিষেধ, এ সংক্রান্ত কার্যক্রম ও অর্থনৈতিক সেবা আদান-প্রদানের নিষেধাজ্ঞা স্বয়ংক্রিয়ভাবে উঠে গেল।’

দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ টুই করে বলেন, বাকি বিশ্বের সঙ্গে ইরানের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের মধ্য দিয়ে বহুপাক্ষিকতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার বিজয় অর্জিত হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে এর মধ্য দিয়ে চীন ওরাশিয়া ইরানের কাছে বিভিন্ন অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব দেবে দেশটির নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নের কথা বলে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ইরানের অস্ত্র শিল্প স্বয়ংসম্পূর্ণ। নিজেদের প্রতিরক্ষার জন্য বাইরে থেকে অস্ত্র কেনার প্রয়োজন হবে না।

ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অচলিত, প্রচলিত বা গণবিধ্বংসী অস্ত্র কেনার স্থান ইরানের প্রতিরক্ষা নীতিতে নেই। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সঙ্গে সৌদি আরবসহ সুন্নি কয়েকটি আরব দেশের প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে আঞ্চলিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে। ইরানের ওপর থেকে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে কৌশলগতভাবে ইরান এগিয়ে যাবে।