স্প্যানিশ বিজ্ঞাপনে ল্যাটিনোদের মন জয়ের চেষ্টা ট্রাম্প-বাইডেনের
jugantor
স্প্যানিশ বিজ্ঞাপনে ল্যাটিনোদের মন জয়ের চেষ্টা ট্রাম্প-বাইডেনের

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৭ অক্টোবর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

স্প্যানিশ ভাষায় বিজ্ঞাপন দিয়ে ল্যাটিনো ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা করে যাচ্ছেন দুই প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বাইডেন। মূলত ঝুলন্ত রাজ্যগুলোতে ল্যাটিনো ও স্প্যানিশ ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করছেন রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেট প্রার্থী।

টিভি, রেডিও এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে কোটি কোটি ডলারের বিজ্ঞাপন দিয়ে হিস্পানিক ও ল্যাটিনো ভোটারদের ভোট পক্ষে আনার অবিরত চেষ্টা করছে ট্রাম্প ও বাইডেন শিবির। লস অ্যাঞ্জেলস টাইমস।

হিস্পানিক বলতে স্পেন দেশ, স্প্যানিশ ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বোঝানো হয়ে থাকে। অন্য দিকে, ল্যাটিনো বলতে বোঝান হয় মেক্সিকো, পেরু ও আর্জেন্টিনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের। কিছু ক্ষেত্রে ব্রাজিলও এতে অন্তর্ভুক্ত।

এ কয়টি দেশের ভাষাই স্প্যানিশ। এর সঙ্গে স্পেন ও পর্তুগালের মতো স্প্যানিস ভাষার দেশেরও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। আমেরিকায় হিস্পানিক ও ল্যাটিনো বলতে ওইসব মানুষদের বোঝান হয়, যারা স্প্যানিশ ভাষী বা উল্লেখিত দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসী।

হিস্পানিক-ল্যাটিনোদের উত্তরসূরিদেরও একই নামে পরিচিত করা হয়। এসব হিস্পানিক ও ল্যাটিনো ভোটারদের উদ্দেশ্যে ট্রাম্প ও বাইডেন- উভয় শিবিরই স্প্যানিশ ভাষায় একাধিক বিজ্ঞাপন প্রচার করেছে ও করছে। এসব বিজ্ঞাপনে ট্রাম্প বাইডেনকে বিপজ্জনক হিসেবে চিত্রিত করেছেন।

অন্যদিকে ট্রাম্পের রেকর্ড স্মরণ করিয়ে দিয়ে নিজের দিকে ভোট টানার চেষ্টা করছেন বাইডেন। বিজ্ঞাপনের কোয়ালিটি ও নান্দনিকতা এবং বিজ্ঞাপনে অর্থ খরচ- উভয় ক্ষেত্রেই ট্রাম্পকে ছাড়িয়ে গেছেন বাইডেন।

স্প্যানিশ টিভি বিজ্ঞাপনের পেছনে এরই মধ্যে বাইডেন খরচ করেছেন ছয় কোটি ৭০ লাখ ডলার। অন্যদিকে ট্রাম্পের খরচ চার কোটি ৯০ লাখ ডলার। রেডিওতে বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রেও ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে বাইডেন।

রেডিওতে বাইডেন শিবির ব্যয় করেছে আট লাখ ৮৫ হাজার ডলার, ট্রাম্প শিবিরের ব্যয় ৩২ হাজার ৫০০ ডলার।

যুক্তরাষ্ট্রে হিস্পানিক/ল্যাটিনো ভোটারের সংখ্যা তিন কোটি ২০ লাকের মতো। এটি কালো ভোটারের চেয়েও বেশি। কালো ভোটারের সংখ্যা তিন কোটির মতো। যে কোনো প্রার্থীর জন্য সব হিস্পানিক ভোটারের ভোটের প্রয়োজন নেই। বেশির ভাগ ভোট পেলেই চলে।

এর মধ্যে দেশজুড়ে ৬১ শতাংশ হিস্পানিক ভোটার বাইডেনকে ভোট দেয়ার পক্ষে। পিউ রিসার্চের জরিপে বলা হয়, বাইডেনের মূল ইস্যুগুলোতে হিস্পানিকরা একমত পোষণ করে। অন্যদিকে ট্রাম্পের ক্ষেত্রে হিস্পানিকদের আগ্রহ কম।

তারপরও ২০১৬ সালের তুলনায় ট্রাম্পের হিস্পানিক সমর্থন ২ শতাংশ বেড়েছে। ফ্লোরিডা ও টেক্সাসে ল্যাটিনো-হিস্পানিক ভোটার সবচেয়ে বেশি। এই দুটি ঝুলন্ত অঙ্গরাজ্যে ল্যাটিনো-হিস্পানিক ভোটাররাই জয়-পরাজয়ে নিয়ন্তা হিসেবে কাজ করবে।

ফ্লোরিডায় মোট নিবন্ধনকৃত ভোটারের মধ্যে অভিবাসী ভোটারের ৫৪ শতাংশই হিস্পানিক। অন্যদিকে টেক্সাসে মোট ভোটারের ৫২ শতাংশ হিস্পানিক/ল্যাটিনো ভোটার। ফ্লোরিডায় মোট ইলেক্টরাল ভোট ২৯টি, টেক্সাসে ৩৮টি।

এ কারণে এই দুই রাজ্যে হিস্পানিক/ল্যাটিনো ভোট টানার ওপর জোর দিয়ে যাচ্ছেন ট্রাম্প ও বাইডেন।

জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত দেখা গেছে ট্রাম্পের প্রতি হিস্পানিক ভোটারদের নেতিবাচক মনোভাব অপরিবর্তনীয় রয়েছে। বেকারত্ব ও করোনার মতো প্রাণঘাতী ভাইরাস মোকাবেলায় ট্রাম্পের ব্যর্থতাকে ভালোভাবে নেননি হিস্পানিক ভোটাররা।

অন্যদিকে তারা মনে করেন, করোনাসহ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো মোকাবেলায় ট্রাম্পের চেয়ে বাইডেন বেশি যোগ্য।

নীল নদ বাঁধ উড়িয়ে দেয়ার হুমকি ট্রাম্পের : নীল নদের ওপর ইথিওপিয়ার নির্মাণাধীন বাঁধ বোমা মেরে উড়িয়ে দেয়ার পরোক্ষ হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, মিসর হয়তো একদিন এই বাঁধ উড়িয়ে দেবে।

ট্রাম্পের এ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইথিওপিয়া সরকার। দেশটির প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ বলেছেন, ইথিওপিয়া কোনো আগ্রাসনের কাছেই মাথা নত করবে না। নীল নদের ওপর নির্মাণাধীন ইথিওপিয়ার এই বাঁধটির নাম গ্রান্ড ইথিওপিয়ান রেনেসাঁ বাঁধ।

প্রতিবেশী সুদান এবং মিসরের সঙ্গে এটি নিয়ে বহু দিন ধরেই ঝামেলা চলছে ইথিওপিয়ার। ট্রাম্পের মন্তব্যে ভীষণ ক্ষুব্ধ ইথিওপিয়া মনে করছে, যুক্তরাষ্ট্র মিসরের পক্ষ নিচ্ছে। গত শনিবার ইথিওপিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে তলব করেন এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই মন্তব্যের ব্যাখ্যা চান। খবর এএফপির।

নীল নদ হচ্ছে আফ্রিকার দীর্ঘতম নদী। মিসর বেশিরভাগ পানির চাহিদা মেটায় নীল নদ থেকে। ইথিওপিয়া বাঁধ নির্মাণ করলে মিসরের পানির সরবরাহ শুকিয়ে যাবে এবং দেশটি প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কারণ নীল নদের পানি প্রবাহের পুরো নিয়ন্ত্রণ তখন চলে যাবে ইথিওপিয়ার হাতে। প্রায় চারশ’ কোটি মার্কিন ডলার খরচ করে এই বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। বাঁধটির নির্মাণকাজ যখন শেষ হবে, তখন পশ্চিম ইথিওপিয়ার এই বাঁধ হবে আফ্রিকার বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ প্রকল্প।

স্প্যানিশ বিজ্ঞাপনে ল্যাটিনোদের মন জয়ের চেষ্টা ট্রাম্প-বাইডেনের

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৭ অক্টোবর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

স্প্যানিশ ভাষায় বিজ্ঞাপন দিয়ে ল্যাটিনো ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা করে যাচ্ছেন দুই প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প ও জো বাইডেন। মূলত ঝুলন্ত রাজ্যগুলোতে ল্যাটিনো ও স্প্যানিশ ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করছেন রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেট প্রার্থী।

টিভি, রেডিও এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে কোটি কোটি ডলারের বিজ্ঞাপন দিয়ে হিস্পানিক ও ল্যাটিনো ভোটারদের ভোট পক্ষে আনার অবিরত চেষ্টা করছে ট্রাম্প ও বাইডেন শিবির। লস অ্যাঞ্জেলস টাইমস।

হিস্পানিক বলতে স্পেন দেশ, স্প্যানিশ ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বোঝানো হয়ে থাকে। অন্য দিকে, ল্যাটিনো বলতে বোঝান হয় মেক্সিকো, পেরু ও আর্জেন্টিনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের। কিছু ক্ষেত্রে ব্রাজিলও এতে অন্তর্ভুক্ত।

এ কয়টি দেশের ভাষাই স্প্যানিশ। এর সঙ্গে স্পেন ও পর্তুগালের মতো স্প্যানিস ভাষার দেশেরও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। আমেরিকায় হিস্পানিক ও ল্যাটিনো বলতে ওইসব মানুষদের বোঝান হয়, যারা স্প্যানিশ ভাষী বা উল্লেখিত দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসী।

হিস্পানিক-ল্যাটিনোদের উত্তরসূরিদেরও একই নামে পরিচিত করা হয়। এসব হিস্পানিক ও ল্যাটিনো ভোটারদের উদ্দেশ্যে ট্রাম্প ও বাইডেন- উভয় শিবিরই স্প্যানিশ ভাষায় একাধিক বিজ্ঞাপন প্রচার করেছে ও করছে। এসব বিজ্ঞাপনে ট্রাম্প বাইডেনকে বিপজ্জনক হিসেবে চিত্রিত করেছেন।

অন্যদিকে ট্রাম্পের রেকর্ড স্মরণ করিয়ে দিয়ে নিজের দিকে ভোট টানার চেষ্টা করছেন বাইডেন। বিজ্ঞাপনের কোয়ালিটি ও নান্দনিকতা এবং বিজ্ঞাপনে অর্থ খরচ- উভয় ক্ষেত্রেই ট্রাম্পকে ছাড়িয়ে গেছেন বাইডেন।

স্প্যানিশ টিভি বিজ্ঞাপনের পেছনে এরই মধ্যে বাইডেন খরচ করেছেন ছয় কোটি ৭০ লাখ ডলার। অন্যদিকে ট্রাম্পের খরচ চার কোটি ৯০ লাখ ডলার। রেডিওতে বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রেও ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে বাইডেন।

রেডিওতে বাইডেন শিবির ব্যয় করেছে আট লাখ ৮৫ হাজার ডলার, ট্রাম্প শিবিরের ব্যয় ৩২ হাজার ৫০০ ডলার।

যুক্তরাষ্ট্রে হিস্পানিক/ল্যাটিনো ভোটারের সংখ্যা তিন কোটি ২০ লাকের মতো। এটি কালো ভোটারের চেয়েও বেশি। কালো ভোটারের সংখ্যা তিন কোটির মতো। যে কোনো প্রার্থীর জন্য সব হিস্পানিক ভোটারের ভোটের প্রয়োজন নেই। বেশির ভাগ ভোট পেলেই চলে।

এর মধ্যে দেশজুড়ে ৬১ শতাংশ হিস্পানিক ভোটার বাইডেনকে ভোট দেয়ার পক্ষে। পিউ রিসার্চের জরিপে বলা হয়, বাইডেনের মূল ইস্যুগুলোতে হিস্পানিকরা একমত পোষণ করে। অন্যদিকে ট্রাম্পের ক্ষেত্রে হিস্পানিকদের আগ্রহ কম।

তারপরও ২০১৬ সালের তুলনায় ট্রাম্পের হিস্পানিক সমর্থন ২ শতাংশ বেড়েছে। ফ্লোরিডা ও টেক্সাসে ল্যাটিনো-হিস্পানিক ভোটার সবচেয়ে বেশি। এই দুটি ঝুলন্ত অঙ্গরাজ্যে ল্যাটিনো-হিস্পানিক ভোটাররাই জয়-পরাজয়ে নিয়ন্তা হিসেবে কাজ করবে।

ফ্লোরিডায় মোট নিবন্ধনকৃত ভোটারের মধ্যে অভিবাসী ভোটারের ৫৪ শতাংশই হিস্পানিক। অন্যদিকে টেক্সাসে মোট ভোটারের ৫২ শতাংশ হিস্পানিক/ল্যাটিনো ভোটার। ফ্লোরিডায় মোট ইলেক্টরাল ভোট ২৯টি, টেক্সাসে ৩৮টি।

এ কারণে এই দুই রাজ্যে হিস্পানিক/ল্যাটিনো ভোট টানার ওপর জোর দিয়ে যাচ্ছেন ট্রাম্প ও বাইডেন।

জুন থেকে অক্টোবর পর্যন্ত দেখা গেছে ট্রাম্পের প্রতি হিস্পানিক ভোটারদের নেতিবাচক মনোভাব অপরিবর্তনীয় রয়েছে। বেকারত্ব ও করোনার মতো প্রাণঘাতী ভাইরাস মোকাবেলায় ট্রাম্পের ব্যর্থতাকে ভালোভাবে নেননি হিস্পানিক ভোটাররা।

অন্যদিকে তারা মনে করেন, করোনাসহ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো মোকাবেলায় ট্রাম্পের চেয়ে বাইডেন বেশি যোগ্য।

নীল নদ বাঁধ উড়িয়ে দেয়ার হুমকি ট্রাম্পের : নীল নদের ওপর ইথিওপিয়ার নির্মাণাধীন বাঁধ বোমা মেরে উড়িয়ে দেয়ার পরোক্ষ হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, মিসর হয়তো একদিন এই বাঁধ উড়িয়ে দেবে।

ট্রাম্পের এ মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইথিওপিয়া সরকার। দেশটির প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ বলেছেন, ইথিওপিয়া কোনো আগ্রাসনের কাছেই মাথা নত করবে না। নীল নদের ওপর নির্মাণাধীন ইথিওপিয়ার এই বাঁধটির নাম গ্রান্ড ইথিওপিয়ান রেনেসাঁ বাঁধ।

প্রতিবেশী সুদান এবং মিসরের সঙ্গে এটি নিয়ে বহু দিন ধরেই ঝামেলা চলছে ইথিওপিয়ার। ট্রাম্পের মন্তব্যে ভীষণ ক্ষুব্ধ ইথিওপিয়া মনে করছে, যুক্তরাষ্ট্র মিসরের পক্ষ নিচ্ছে। গত শনিবার ইথিওপিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে তলব করেন এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই মন্তব্যের ব্যাখ্যা চান। খবর এএফপির।

নীল নদ হচ্ছে আফ্রিকার দীর্ঘতম নদী। মিসর বেশিরভাগ পানির চাহিদা মেটায় নীল নদ থেকে। ইথিওপিয়া বাঁধ নির্মাণ করলে মিসরের পানির সরবরাহ শুকিয়ে যাবে এবং দেশটি প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

কারণ নীল নদের পানি প্রবাহের পুরো নিয়ন্ত্রণ তখন চলে যাবে ইথিওপিয়ার হাতে। প্রায় চারশ’ কোটি মার্কিন ডলার খরচ করে এই বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। বাঁধটির নির্মাণকাজ যখন শেষ হবে, তখন পশ্চিম ইথিওপিয়ার এই বাঁধ হবে আফ্রিকার বৃহত্তম জলবিদ্যুৎ প্রকল্প।

 

ঘটনাপ্রবাহ : মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন-২০২০