আসামের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈর মৃত্যু
jugantor
ছোট খবর
আসামের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈর মৃত্যু

   

২৫ নভেম্বর ২০২০, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আসামের টানা তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী, প্রভাবশালী কংগ্রেস নেতা তরুণ গগৈ মারা গেছেন। সোমবার বিকালে গুয়াহাটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮৬ বছর বয়সী এ রাজনীতিকের মৃত্যু হয় বলে আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আসামের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দিন মুখ্যমন্ত্রী থাকা গগৈ আগস্টে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। চিকিৎসা শেষে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও কয়েকদিন পরই শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে ফের হাসপাতালে ভর্তি হন জোরহাট ও কালিয়াবর থেকে ছয়বার লোকসভায় যাওয়া এ সাংসদ। তিতাবর থেকে চারবার বিধায়ক নির্বাচিত হওয়া গগৈ ২০০১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত টানা তিন দফা আসামের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ওই রাজ্যে কংগ্রেস হেরে গেলেও তাই-অহম জনগোষ্ঠী থেকে উঠে আসা গগৈ নিজের আসনে বিপুল ভোটে জিতেছিলেন।

আসামের জোরহাট জেলায় ১৯৩৪ সালে জন্ম নেয়া গগৈর বাবা ছিলেন স্থানীয় চা-বাগানের চিকিৎসক। ছাত্র থাকার সময়ই তিনি কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েন। স্নাতক পাস করার পর গগৈ ১৯৬৮ সালে জোরহাট পৌরসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন।

ছোট খবর

আসামের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈর মৃত্যু

  
২৫ নভেম্বর ২০২০, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আসামের টানা তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী, প্রভাবশালী কংগ্রেস নেতা তরুণ গগৈ মারা গেছেন। সোমবার বিকালে গুয়াহাটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮৬ বছর বয়সী এ রাজনীতিকের মৃত্যু হয় বলে আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। আসামের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দিন মুখ্যমন্ত্রী থাকা গগৈ আগস্টে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। চিকিৎসা শেষে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেও কয়েকদিন পরই শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে ফের হাসপাতালে ভর্তি হন জোরহাট ও কালিয়াবর থেকে ছয়বার লোকসভায় যাওয়া এ সাংসদ। তিতাবর থেকে চারবার বিধায়ক নির্বাচিত হওয়া গগৈ ২০০১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত টানা তিন দফা আসামের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ওই রাজ্যে কংগ্রেস হেরে গেলেও তাই-অহম জনগোষ্ঠী থেকে উঠে আসা গগৈ নিজের আসনে বিপুল ভোটে জিতেছিলেন।

আসামের জোরহাট জেলায় ১৯৩৪ সালে জন্ম নেয়া গগৈর বাবা ছিলেন স্থানীয় চা-বাগানের চিকিৎসক। ছাত্র থাকার সময়ই তিনি কংগ্রেসের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েন। স্নাতক পাস করার পর গগৈ ১৯৬৮ সালে জোরহাট পৌরসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন।