হু’র করোনা মানচিত্রে ভারত থেকে বাদ কাশ্মীর
jugantor
হু’র করোনা মানচিত্রে ভারত থেকে বাদ কাশ্মীর

  যুগান্তর ডেস্ক  

১১ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) সদ্য প্রকাশিত এক মানচিত্রে ভারত থেকে বাদ দিয়ে দেখা হয়েছে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ। হিমালয় পর্বতের পাদদেশীয় অঞ্চলটিকে ভারতের মূল ভূখণ্ডের থেকে আলাদা করতে ব্যবহার করা হয়েছে অন্য রং। আকসাই চীনের

পুরো অংশও অন্য রঙে দেখানো হয়েছে। আর তাতেই দানা বেঁধেছে বিতর্ক। সরকারিভাবে ভারত

এখনো এ নিয়ে কোনো পদক্ষেপ না নিলেও এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। এর পেছনে প্রতিবেশী চীনের হাত থাকতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ভারতের নবগঠিত দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও লাদাখকে ভারতের মানচিত্রের বাইরে দেখিয়ে সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। কোন দেশে করোনা সংক্রমণের হার কেমন, সেই চিত্র

তুলে ধরতে হু-এর ড্যাশবোর্ডে ম্যাপটি দেখা হচ্ছে। তাতে ভারতের মূল ভূখণ্ডকে নীল রঙে দেখানো হয়েছে। কিন্তু জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখকে দেখানো হয়েছে ছাই রঙে। অন্যদিকে আকসাই চীনকে দেখানো হয়েছে ছাই রঙের ওপর নীল স্ট্রাইপে, যা চীনের প্রতীক। হু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাতিসংঘের মানচিত্রের নির্দেশিকা অনুসরণ করেই কাজটি করা হয়েছে।

কিন্তু এতে বেজায় ক্ষুব্ধ বিদেশে ভারতীয় নাগরিকদের একাধিক সংগঠন। বিষয়টি প্রথম লক্ষ করেন লন্ডনে কর্মরত এক তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ। তিনিই বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে শেয়ার করেন। তার বক্তব্য, ‘বিষয়টি দেখার পর আমি মর্মাহত যে হু-এর মতো একটি সংগঠন, যার ওপর এত বড় দায়িত্ব, সেই সংগঠন এমন কাজ করতে পারে।’ এর পেছনে চীনের মদদ থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। তার

কথায়, ‘জানি, চীন ও পাকিস্তান বিরাট অঙ্কের অনুদান দেয় হুকে। চীনও সীমান্ত ইস্যুকে সব সময় ভাসিয়ে রাখতে চায়। আমার মনে হয়, এতে মদদ রয়েছে চীনের। কারণ হু-এর ওপর চীনের বিরাট প্রভাব।’ ভারতীয় নাগরিকদের একটি সংগঠন ‘রিচ ইন্ডিয়া (ইউকে)-এর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রধান নন্দিনী সিংহ বলেন, করোনার মোকাবিলায় ভারত যা করেছে, যে ভাবে বিপুলসংখ্যক পিপিই কিট দিয়েছে, তার জন্য ধন্যবাদের পরিবর্তে ভারতের ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে। হু-এর উচিত এর জন্য ভারতের কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং ম্যাপ শুধরে নেয়া।

হু’র করোনা মানচিত্রে ভারত থেকে বাদ কাশ্মীর

 যুগান্তর ডেস্ক 
১১ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) সদ্য প্রকাশিত এক মানচিত্রে ভারত থেকে বাদ দিয়ে দেখা হয়েছে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখ। হিমালয় পর্বতের পাদদেশীয় অঞ্চলটিকে ভারতের মূল ভূখণ্ডের থেকে আলাদা করতে ব্যবহার করা হয়েছে অন্য রং। আকসাই চীনের

পুরো অংশও অন্য রঙে দেখানো হয়েছে। আর তাতেই দানা বেঁধেছে বিতর্ক। সরকারিভাবে ভারত

এখনো এ নিয়ে কোনো পদক্ষেপ না নিলেও এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। এর পেছনে প্রতিবেশী চীনের হাত থাকতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ভারতের নবগঠিত দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও লাদাখকে ভারতের মানচিত্রের বাইরে দেখিয়ে সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। কোন দেশে করোনা সংক্রমণের হার কেমন, সেই চিত্র

তুলে ধরতে হু-এর ড্যাশবোর্ডে ম্যাপটি দেখা হচ্ছে। তাতে ভারতের মূল ভূখণ্ডকে নীল রঙে দেখানো হয়েছে। কিন্তু জম্মু-কাশ্মীর এবং লাদাখকে দেখানো হয়েছে ছাই রঙে। অন্যদিকে আকসাই চীনকে দেখানো হয়েছে ছাই রঙের ওপর নীল স্ট্রাইপে, যা চীনের প্রতীক। হু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাতিসংঘের মানচিত্রের নির্দেশিকা অনুসরণ করেই কাজটি করা হয়েছে।

কিন্তু এতে বেজায় ক্ষুব্ধ বিদেশে ভারতীয় নাগরিকদের একাধিক সংগঠন। বিষয়টি প্রথম লক্ষ করেন লন্ডনে কর্মরত এক তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ। তিনিই বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে শেয়ার করেন। তার বক্তব্য, ‘বিষয়টি দেখার পর আমি মর্মাহত যে হু-এর মতো একটি সংগঠন, যার ওপর এত বড় দায়িত্ব, সেই সংগঠন এমন কাজ করতে পারে।’ এর পেছনে চীনের মদদ থাকতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। তার

কথায়, ‘জানি, চীন ও পাকিস্তান বিরাট অঙ্কের অনুদান দেয় হুকে। চীনও সীমান্ত ইস্যুকে সব সময় ভাসিয়ে রাখতে চায়। আমার মনে হয়, এতে মদদ রয়েছে চীনের। কারণ হু-এর ওপর চীনের বিরাট প্রভাব।’ ভারতীয় নাগরিকদের একটি সংগঠন ‘রিচ ইন্ডিয়া (ইউকে)-এর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রধান নন্দিনী সিংহ বলেন, করোনার মোকাবিলায় ভারত যা করেছে, যে ভাবে বিপুলসংখ্যক পিপিই কিট দিয়েছে, তার জন্য ধন্যবাদের পরিবর্তে ভারতের ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে। হু-এর উচিত এর জন্য ভারতের কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং ম্যাপ শুধরে নেয়া।

 

ঘটনাপ্রবাহ : কাশ্মীর সংকট