ট্রুডোকে ‘শান্ত করতে’ কানাডা যাচ্ছেন বাইডেন
jugantor
ট্রুডোকে ‘শান্ত করতে’ কানাডা যাচ্ছেন বাইডেন

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৪ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রেসিডেন্ট হিসাবে জো বাইডেনের দায়িত্বগ্রহণের দিনই তার একটি সিদ্ধান্তে প্রকাশ্যে অসন্তোষ জানিয়েছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। এরপরই বিষয়টি নিয়ে টেলিফোনে কথা হয়েছে দুই নেতার। এবার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করতে আগামী মাসেই কানাডা যাচ্ছেন নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব নেয়ার পর তার প্রথম বিদেশ সফর। খবর আলজাজিরার।

শুক্রবার ট্রুডোর কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার গভীর ও স্থায়ী বন্ধুত্ব নবায়নে আগামী মাসে বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছেন এই দুই নেতা। পৃথক এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউজ বলেছে, দুই নেতা মার্কিন-কানাডীয় সম্পর্কের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরে এবং করোনা মহামারি, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলাসহ বেশ কিছু এজেন্ডা নিয়ে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেছেন। ফোনালাপে বাইডেন-ট্রুডো আগামী মাসে আবারও কথা বলতে রাজি হয়েছেন বললেও যুক্তরাষ্ট্রের বিবৃতিতে স্বশরীরে বৈঠকের কথা উল্লেখ নেই।

সদ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জাস্টিন ট্রুডোর সম্পর্ক ছিল অনেকটাই অম্ল-মধুর। সরাসরি মার্কিন প্রশাসনের বিরোধিতা না করলেও ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে ট্রাম্পের বিরাগভাজন হয়েছিলেন তিনি। বুধবার বাইডেন শাসনভার গ্রহণের পর বিদেশি নেতাদের সঙ্গে কথা বলা প্রথম ব্যক্তি হচ্ছেন ট্রুডো। হোয়াইট হাউজে বাইডেনের আগমনকে তিনি ‘নতুন যুগের সূচনা’ মন্তব্য করে শুভেচ্ছাও জানিয়েছিলেন।

তবে ওভাল অফিসে বসেই জো বাইডেন যেসব সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, তার মধ্যে রয়েছে বহুল আলোচিত-সমালোচিত কিস্টোন এক্সএল পাইপলাইনের নির্মাণ কাজ বন্ধ করা। আর এতেই মনোক্ষুণ্ন হয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। বাইডেনের এই সিদ্ধান্ত হতাশাজনক বলে প্রকাশ্যে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন তিনি। এক বিবৃতিতে ট্রুডো বলেছিলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আমরা প্রেসিডেন্টের প্রতিশ্রুতিকে যেমন স্বাগত জানাই, তেমনি এ সিদ্ধান্তে (কিস্টোন) আমরা হতাশ। যদিও নির্বাচনি প্রচারণায় তিনি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেগুলো পূরণের অংশ হিসাবে এ সিদ্ধান্তের বিষয়টিও আমাদের মাথায় রয়েছে।

ট্রুডোকে ‘শান্ত করতে’ কানাডা যাচ্ছেন বাইডেন

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৪ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রেসিডেন্ট হিসাবে জো বাইডেনের দায়িত্বগ্রহণের দিনই তার একটি সিদ্ধান্তে প্রকাশ্যে অসন্তোষ জানিয়েছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। এরপরই বিষয়টি নিয়ে টেলিফোনে কথা হয়েছে দুই নেতার। এবার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করতে আগামী মাসেই কানাডা যাচ্ছেন নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব নেয়ার পর তার প্রথম বিদেশ সফর। খবর আলজাজিরার।

শুক্রবার ট্রুডোর কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার গভীর ও স্থায়ী বন্ধুত্ব নবায়নে আগামী মাসে বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছেন এই দুই নেতা। পৃথক এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউজ বলেছে, দুই নেতা মার্কিন-কানাডীয় সম্পর্কের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরে এবং করোনা মহামারি, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলাসহ বেশ কিছু এজেন্ডা নিয়ে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেছেন। ফোনালাপে বাইডেন-ট্রুডো আগামী মাসে আবারও কথা বলতে রাজি হয়েছেন বললেও যুক্তরাষ্ট্রের বিবৃতিতে স্বশরীরে বৈঠকের কথা উল্লেখ নেই।

সদ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শাসনামলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জাস্টিন ট্রুডোর সম্পর্ক ছিল অনেকটাই অম্ল-মধুর। সরাসরি মার্কিন প্রশাসনের বিরোধিতা না করলেও ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ আন্দোলনে সমর্থন জানিয়ে ট্রাম্পের বিরাগভাজন হয়েছিলেন তিনি। বুধবার বাইডেন শাসনভার গ্রহণের পর বিদেশি নেতাদের সঙ্গে কথা বলা প্রথম ব্যক্তি হচ্ছেন ট্রুডো। হোয়াইট হাউজে বাইডেনের আগমনকে তিনি ‘নতুন যুগের সূচনা’ মন্তব্য করে শুভেচ্ছাও জানিয়েছিলেন।

তবে ওভাল অফিসে বসেই জো বাইডেন যেসব সিদ্ধান্ত দিয়েছেন, তার মধ্যে রয়েছে বহুল আলোচিত-সমালোচিত কিস্টোন এক্সএল পাইপলাইনের নির্মাণ কাজ বন্ধ করা। আর এতেই মনোক্ষুণ্ন হয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। বাইডেনের এই সিদ্ধান্ত হতাশাজনক বলে প্রকাশ্যে ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন তিনি। এক বিবৃতিতে ট্রুডো বলেছিলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আমরা প্রেসিডেন্টের প্রতিশ্রুতিকে যেমন স্বাগত জানাই, তেমনি এ সিদ্ধান্তে (কিস্টোন) আমরা হতাশ। যদিও নির্বাচনি প্রচারণায় তিনি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেগুলো পূরণের অংশ হিসাবে এ সিদ্ধান্তের বিষয়টিও আমাদের মাথায় রয়েছে।