ট্রাম্পের নাম মুছে ফেলা হচ্ছে
jugantor
ট্রাম্পের নাম মুছে ফেলা হচ্ছে

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৭ জানুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এরই মধ্যে সদ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নানা সিদ্ধান্তে পরিবর্তন এনেছে নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন। এবার যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ভবন ও সড়ক থেকে সদ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম মুছে ফেলা হচ্ছে। নিউইয়র্কের ম্যানহাটনজুড়ে বেশকিছু বড় ভবনের নামকরণ করা হয়েছে সদ্য সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্টের নামে। তবে তিনি ক্ষমতা থেকে যাওয়ার সপ্তাহ পার হতে না হতেই সেই নাম মুছে ফেলেছে ভবনের বাসিন্দা। ‘ট্রাম্প সোহো’ ভবনের নাম পরিবর্তন করে ডমিনিক করা হয়। আপার ওয়েস্ট সাইডের কয়েকটি ভবনের প্রবেশদ্বারগুলোতে ঝুলে থাকা বৃহৎ ট্রাম্প প্যালেসের নামফলকগুলো নামিয়ে ফেলা হয়। এছাড়া নিউ জার্সিতে একটি স্টেডিয়ামের নাম থেকে ট্রাম্পের নাম ও জর্জিয়ায় একটি সড়ক থেকেও তার নাম মুছে ফেলা হয়েছে। খবর ব্লুমবার্গের।

সোমবার ট্রাম্প প্যালেসের অ্যাপার্টমেন্ট মালিকরা বৈঠকে বসেছিলেন। এছাড়া ট্রাম্প প্যালেসের দক্ষিণে কো-অপ আট ব্লকের ট্রাম্প প্লাজা দীর্ঘদিন ধরে নাম পরিবর্তনের বিষয় বিবেচনা করছে। নিউইয়র্কের রিয়েল এস্টেট অ্যাটর্নি অ্যাডাম লেইটম্যান বেইলি বলেন, ট্রাম্পের নাম থাকা প্রতিটি ভবনের বাসিন্দাদের থেকে আমি ফোন পেয়েছি। তারা তাদের ভবন থেকে ট্রাম্পের নাম অপসারণ করতে চান। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিউইয়র্কে ডোনাল্ড ট্রাম্প খুব বেশি জনপ্রিয়তা পাননি। এজন্য ট্রাম্পের নাম থাকা ভবনগুলোর দাম অনেক কমে গেছে।

চলতি বছরের শুরুতে (৬ জানুয়ারি) মার্কিন পার্লামেন্ট ভবন ক্যাপিটল হিলে ট্রাম্প সশস্ত্র সমর্থকদের তাণ্ডবের পর ট্রাম্পের অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করছে অসংখ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। দুই সপ্তাহ ধরে ডয়েচে ব্যাংক ও সিগনেচার ব্যাংকসহ কয়েকটি ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠান ট্রাম্পকে বর্জন করেছে। এছাড়া নিউ জার্সিতে ট্রাম্পের মালিকানাধীন মাঠে আসন্ন একটি টুর্নামেন্ট বাতিল করেছে পিজিএ অব আমেরিকা। সামাজিক মাধ্যমগুলোতেও বহিষ্কৃত ট্রাম্প। এমন পরিস্থিতিতে ভবন মালিকরা আশঙ্কা করছেন, ট্রাম্পের নাম থাকলে তাদের বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখতে নতুন অফিস খুললেন ট্রাম্প : হোয়াইট হাউস থেকে বিদায়ের পর এবার নতুন অফিস খুলেছেন ট্রাম্প। তার এই নতুন অফিসের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অফিস অব দ্য ফর্মার প্রেসিডেন্ট’ (সাবেক প্রেসিডেন্টের কার্যালয়)। সোমবার ট্রাম্পের আবাস ফ্লোরিডার পাম বিচ কাউন্টি থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অফিস অব দ্য ফর্মার প্রেসিডেন্ট’ চালু করেছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সব সময়ই মার্কিন জনগণের সঙ্গী হয়ে থাকবেন।’ বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, এই অফিস ট্রাম্পের প্রকাশ্য বিবৃতি, জনসংযোগ এবং আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম দেখাশোনা করবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থকে এগিয়ে নেওয়াসহ ট্রাম্প প্রশাসনের এজেন্ডাগুলোর পক্ষে কাজ করবে। হাউস ট্রাম্পের অভিশংসনের ফাইট সিনেটে পাঠানোর দিনেই এই ঘোষণা এলো। ডেমোক্রেট আইনপ্রণেতারা ক্যাপিটলে সহিংসতা উসকে দেওয়ায় ট্রাম্পকে অভিযুক্ত করতে চাইছেন। যদিও সিনেটের কিছু রিপাবলিকান সদস্য বলছেন, ক্ষমতা ছাড়ার পর ট্রাম্পের অভিশংসনের বিষয়টি অযৌক্তিক এবং সংবিধানসম্মত নয়। সিনেট রিপাবলিকানরা ট্রাম্পের অনুগত অনুসারী ও ট্রাম্পের বিরোধী সদস্যদের নিয়ে অন্তর্™^ন্দ্বের মুখে পড়েছে। ফক্সনিউজ।

ট্রাম্পের নাম মুছে ফেলা হচ্ছে

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৭ জানুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

এরই মধ্যে সদ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নানা সিদ্ধান্তে পরিবর্তন এনেছে নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসন। এবার যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ভবন ও সড়ক থেকে সদ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম মুছে ফেলা হচ্ছে। নিউইয়র্কের ম্যানহাটনজুড়ে বেশকিছু বড় ভবনের নামকরণ করা হয়েছে সদ্য সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্টের নামে। তবে তিনি ক্ষমতা থেকে যাওয়ার সপ্তাহ পার হতে না হতেই সেই নাম মুছে ফেলেছে ভবনের বাসিন্দা। ‘ট্রাম্প সোহো’ ভবনের নাম পরিবর্তন করে ডমিনিক করা হয়। আপার ওয়েস্ট সাইডের কয়েকটি ভবনের প্রবেশদ্বারগুলোতে ঝুলে থাকা বৃহৎ ট্রাম্প প্যালেসের নামফলকগুলো নামিয়ে ফেলা হয়। এছাড়া নিউ জার্সিতে একটি স্টেডিয়ামের নাম থেকে ট্রাম্পের নাম ও জর্জিয়ায় একটি সড়ক থেকেও তার নাম মুছে ফেলা হয়েছে। খবর ব্লুমবার্গের।

সোমবার ট্রাম্প প্যালেসের অ্যাপার্টমেন্ট মালিকরা বৈঠকে বসেছিলেন। এছাড়া ট্রাম্প প্যালেসের দক্ষিণে কো-অপ আট ব্লকের ট্রাম্প প্লাজা দীর্ঘদিন ধরে নাম পরিবর্তনের বিষয় বিবেচনা করছে। নিউইয়র্কের রিয়েল এস্টেট অ্যাটর্নি অ্যাডাম লেইটম্যান বেইলি বলেন, ট্রাম্পের নাম থাকা প্রতিটি ভবনের বাসিন্দাদের থেকে আমি ফোন পেয়েছি। তারা তাদের ভবন থেকে ট্রাম্পের নাম অপসারণ করতে চান। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিউইয়র্কে ডোনাল্ড ট্রাম্প খুব বেশি জনপ্রিয়তা পাননি। এজন্য ট্রাম্পের নাম থাকা ভবনগুলোর দাম অনেক কমে গেছে।

চলতি বছরের শুরুতে (৬ জানুয়ারি) মার্কিন পার্লামেন্ট ভবন ক্যাপিটল হিলে ট্রাম্প সশস্ত্র সমর্থকদের তাণ্ডবের পর ট্রাম্পের অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করছে অসংখ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। দুই সপ্তাহ ধরে ডয়েচে ব্যাংক ও সিগনেচার ব্যাংকসহ কয়েকটি ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠান ট্রাম্পকে বর্জন করেছে। এছাড়া নিউ জার্সিতে ট্রাম্পের মালিকানাধীন মাঠে আসন্ন একটি টুর্নামেন্ট বাতিল করেছে পিজিএ অব আমেরিকা। সামাজিক মাধ্যমগুলোতেও বহিষ্কৃত ট্রাম্প। এমন পরিস্থিতিতে ভবন মালিকরা আশঙ্কা করছেন, ট্রাম্পের নাম থাকলে তাদের বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখতে নতুন অফিস খুললেন ট্রাম্প : হোয়াইট হাউস থেকে বিদায়ের পর এবার নতুন অফিস খুলেছেন ট্রাম্প। তার এই নতুন অফিসের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অফিস অব দ্য ফর্মার প্রেসিডেন্ট’ (সাবেক প্রেসিডেন্টের কার্যালয়)। সোমবার ট্রাম্পের আবাস ফ্লোরিডার পাম বিচ কাউন্টি থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অফিস অব দ্য ফর্মার প্রেসিডেন্ট’ চালু করেছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সব সময়ই মার্কিন জনগণের সঙ্গী হয়ে থাকবেন।’ বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, এই অফিস ট্রাম্পের প্রকাশ্য বিবৃতি, জনসংযোগ এবং আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম দেখাশোনা করবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থকে এগিয়ে নেওয়াসহ ট্রাম্প প্রশাসনের এজেন্ডাগুলোর পক্ষে কাজ করবে। হাউস ট্রাম্পের অভিশংসনের ফাইট সিনেটে পাঠানোর দিনেই এই ঘোষণা এলো। ডেমোক্রেট আইনপ্রণেতারা ক্যাপিটলে সহিংসতা উসকে দেওয়ায় ট্রাম্পকে অভিযুক্ত করতে চাইছেন। যদিও সিনেটের কিছু রিপাবলিকান সদস্য বলছেন, ক্ষমতা ছাড়ার পর ট্রাম্পের অভিশংসনের বিষয়টি অযৌক্তিক এবং সংবিধানসম্মত নয়। সিনেট রিপাবলিকানরা ট্রাম্পের অনুগত অনুসারী ও ট্রাম্পের বিরোধী সদস্যদের নিয়ে অন্তর্™^ন্দ্বের মুখে পড়েছে। ফক্সনিউজ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন