তিন মাসের মধ্যেই টিকা পাসপোর্ট চান ইইউ নেতারা
jugantor
তিন মাসের মধ্যেই টিকা পাসপোর্ট চান ইইউ নেতারা

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আগামী তিন মাসের মধ্যেই টিকা পাসপোর্ট চালু করতে চায় ইইউ। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে সংগ্রাম খুব দ্রুত শেষ হচ্ছে না, তেমনটা ধরে নিয়েই এমন প্রস্তুতি নিচ্ছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা। এমন পরিস্থিতি সত্ত্বেও জনজীবন কিভাবে যতটা সম্ভব স্বাভাবিক রাখা যায়, সেদিকে নজর দিতে চান তারা। জার্মান চ্যান্সেলর আঞ্জেলা মার্কেল মনে করছেন, এ বছর ইউরোপের বেশির ভাগ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ টিকা পেয়ে গেলেও করোনাভাইরাসের এক বা একাধিক সংস্করণ আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে। তখন আবার নতুন করে টিকা নিতে হবে। আগামী কয়েক বছর ধরে এমন লড়াইয়ের আশঙ্কা করছেন তিনি। ফলে টিকা আবিষ্কার, উৎপাদন, বণ্টন এবং নথিকরণের অবকাঠামো ঢেলে সাজাতে হবে বলে তিনি মনে করেন। তবে সব মিলিয়ে মার্কেল আশাবাদী। বৃহস্পতিবার ইইউ নেতাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের পর তিনি এ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন। এএফপি।

অক্সফোর্ডের ৮০ শতাংশ টিকা গুদামে : অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার প্রতি শুরু থেকেই কিছুটা অনাগ্রহী ইউরোপের বাসিন্দারা। এবার ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের তদন্তে জানা গেছে, এখনো পর্যন্ত ইইউভুক্ত দেশগুলোতে সরবরাহ করা অক্সফোর্ডের টিকার ৫ ভাগের ৪ ভাগ, অর্থাৎ ৮০ শতাংশই অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। ইউরোপীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংস্থা ইসিডিসি ও অন্যান্য সূত্র থেকে জানা গেছে, টিকার ৬১ লাখের বেশি ডোজের মধ্যে সাড়ে ৪৮ লাখ ডোজই এখনো প্রয়োগ করা হয়নি। অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা নিয়ে ইউরোপীয়দের অনাগ্রহের কথা স্বীকার করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল। জার্মান এক সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কেল বলেছেন, টিকাটি নিয়ে প্রথম দিকে নেতিবাচক প্রচারণার ফল এটি। মার্কেল আরও বলেন, যেখানে টিকার পর্যাপ্ত সরবরাহ পাওয়াই অনিশ্চিত, সেখানে টিকার ব্র্যান্ড বেছে নেওয়ার কোনো সুযোগই নেই। করোনাভাইরাস রোধে আরও দুটি নতুন টিকা অনুমোদন করেছে চীন। একটি টিকা বানাচ্ছে ক্যানসিনো বায়োলজিক্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান। অপর টিকাটি তৈরি করবে সিনোফার্মের সহযোগী উহানের একটি ইনস্টিটিউট। এ নিয়ে নিজ দেশে উদ্ভাবিত মোট চারটি ভ্যাকসিনকে অনুমোদন দিল চীন।

তিন মাসের মধ্যেই টিকা পাসপোর্ট চান ইইউ নেতারা

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আগামী তিন মাসের মধ্যেই টিকা পাসপোর্ট চালু করতে চায় ইইউ। করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে সংগ্রাম খুব দ্রুত শেষ হচ্ছে না, তেমনটা ধরে নিয়েই এমন প্রস্তুতি নিচ্ছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা। এমন পরিস্থিতি সত্ত্বেও জনজীবন কিভাবে যতটা সম্ভব স্বাভাবিক রাখা যায়, সেদিকে নজর দিতে চান তারা। জার্মান চ্যান্সেলর আঞ্জেলা মার্কেল মনে করছেন, এ বছর ইউরোপের বেশির ভাগ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ টিকা পেয়ে গেলেও করোনাভাইরাসের এক বা একাধিক সংস্করণ আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে। তখন আবার নতুন করে টিকা নিতে হবে। আগামী কয়েক বছর ধরে এমন লড়াইয়ের আশঙ্কা করছেন তিনি। ফলে টিকা আবিষ্কার, উৎপাদন, বণ্টন এবং নথিকরণের অবকাঠামো ঢেলে সাজাতে হবে বলে তিনি মনে করেন। তবে সব মিলিয়ে মার্কেল আশাবাদী। বৃহস্পতিবার ইইউ নেতাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের পর তিনি এ বিষয়ে বক্তব্য রাখেন। এএফপি।

অক্সফোর্ডের ৮০ শতাংশ টিকা গুদামে : অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার প্রতি শুরু থেকেই কিছুটা অনাগ্রহী ইউরোপের বাসিন্দারা। এবার ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের তদন্তে জানা গেছে, এখনো পর্যন্ত ইইউভুক্ত দেশগুলোতে সরবরাহ করা অক্সফোর্ডের টিকার ৫ ভাগের ৪ ভাগ, অর্থাৎ ৮০ শতাংশই অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। ইউরোপীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ সংস্থা ইসিডিসি ও অন্যান্য সূত্র থেকে জানা গেছে, টিকার ৬১ লাখের বেশি ডোজের মধ্যে সাড়ে ৪৮ লাখ ডোজই এখনো প্রয়োগ করা হয়নি। অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা নিয়ে ইউরোপীয়দের অনাগ্রহের কথা স্বীকার করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল। জার্মান এক সংবাদপত্রকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কেল বলেছেন, টিকাটি নিয়ে প্রথম দিকে নেতিবাচক প্রচারণার ফল এটি। মার্কেল আরও বলেন, যেখানে টিকার পর্যাপ্ত সরবরাহ পাওয়াই অনিশ্চিত, সেখানে টিকার ব্র্যান্ড বেছে নেওয়ার কোনো সুযোগই নেই। করোনাভাইরাস রোধে আরও দুটি নতুন টিকা অনুমোদন করেছে চীন। একটি টিকা বানাচ্ছে ক্যানসিনো বায়োলজিক্স নামের একটি প্রতিষ্ঠান। অপর টিকাটি তৈরি করবে সিনোফার্মের সহযোগী উহানের একটি ইনস্টিটিউট। এ নিয়ে নিজ দেশে উদ্ভাবিত মোট চারটি ভ্যাকসিনকে অনুমোদন দিল চীন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন