২০৫০ সাল নাগাদ ৪ জনের একজন শ্রবণ সমস্যায় ভুগবে : হু
jugantor
২০৫০ সাল নাগাদ ৪ জনের একজন শ্রবণ সমস্যায় ভুগবে : হু

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৩ মার্চ ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মানুষ তথা প্রতি চারজনের একজনই শ্রবণ সমস্যায় ভুগবে। এক প্রতিবেদনে এমনটাই হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও)। আজ বুধবার (৩ মার্চ) বিশ্ব শ্রবণ দিবস। দিবসটিকে সামনে রেখে মঙ্গলবার সংস্থাটির ওয়েবসাইটে শ্রবণবিষয়ক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী শ্রবণ সংক্রান্ত প্রথম এ প্রতিবেদনে সমস্যার মূল কারণ হিসাবে সংক্রমণ, রোগ, জন্মগত ত্রুটি, অতিরিক্ত শব্দ ও জীবনধারাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে এসব সমস্যার অধিকাংশই প্রতিরোধযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিরোধের পদক্ষেপ গ্রহণ বাবদ একটি প্যাকেজ প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে প্রতি বছর মাথাপিছু ১.৩৩ মার্কিন ডলার ব্যয় ধরা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, বিশ্বব্যাপী বর্তমানে প্রতি পাঁচজনে একজনের শ্রবণ সমস্যা রয়েছে। কিন্তু এ সংখ্যা আগামী তিন দশকে ১.৫ গুণ বেড়ে যেতে পারে। খবর এএফপির।

২০১৯ সালের হিসাব অনুযায়ী, শ্রবণ সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ১০৬ কোটি। প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, শ্রবণশক্তি হ্রাস পাওয়া মানুষের সংখ্যা আগামী তিন দশকে দেড় গুণেরও বেশি বাড়তে পারে। ২০৫০ সাল নাগাদ এই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ২০৫ কোটি হতে পারে। অর্থাৎ ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বের প্রায় ২০৫ কোটি মানুষ কোনো না কোনো ধরনের শ্রবণ সমস্যা নিয়ে বসবাস করবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যথাযথ পদক্ষেপ না নিলে ২০৫০ সাল নাগাদ ২০৫ কোটির মধ্যে ৭০ কোটি মানুষের অবস্থা এমন গুরুতর পর্যায়ে যেত পারে যে তাদের শ্রবণ সহায়ক যন্ত্রপাতি, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবার প্রয়োজন হতে পারে। শ্রবণ সমস্যার ব্যাপারে যথার্থ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হলে তা ভুক্তভোগীদের জন্য স্বাস্থ্যগত, ভালো থাকা, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ক্ষতির কারণ হবে।

বর্তমানে বিশ্বে প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন শ্রবণ সমস্যায় ভুগছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। বলা হয়, শ্রবণ সমস্যা সৃষ্টির অনেক কারণ প্রতিরোধ সম্ভব। প্রতিবেদনে শ্রবণক্ষমতা হ্রাস প্রতিরোধ ও সমস্যাটিকে গুরুত্ব দিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। শ্রবণ সমস্যা প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় অতিরিক্ত বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে ডব্লিউএইচও। প্রতিবেদনে একটি প্যাকেজ পদক্ষেপের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রিয়াসিস বলেছেন, ডব্লিউএইচও’র নতুন প্রতিবেদনটিতে শ্রবণ সমস্যার মাত্রা যেমন তুলে ধরা হয়েছে, তেমনি সমাধানও দেওয়া হয়েছে। সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রার অংশ হিসাবে বিশ্বের সব দেশকে তাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় এই বিষয়কে একীভূত করতে উৎসাহিত করেন ডব্লিউএইচওর প্রধান।

২০৫০ সাল নাগাদ ৪ জনের একজন শ্রবণ সমস্যায় ভুগবে : হু

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৩ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মানুষ তথা প্রতি চারজনের একজনই শ্রবণ সমস্যায় ভুগবে। এক প্রতিবেদনে এমনটাই হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও)। আজ বুধবার (৩ মার্চ) বিশ্ব শ্রবণ দিবস। দিবসটিকে সামনে রেখে মঙ্গলবার সংস্থাটির ওয়েবসাইটে শ্রবণবিষয়ক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। বিশ্বব্যাপী শ্রবণ সংক্রান্ত প্রথম এ প্রতিবেদনে সমস্যার মূল কারণ হিসাবে সংক্রমণ, রোগ, জন্মগত ত্রুটি, অতিরিক্ত শব্দ ও জীবনধারাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে এসব সমস্যার অধিকাংশই প্রতিরোধযোগ্য বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিরোধের পদক্ষেপ গ্রহণ বাবদ একটি প্যাকেজ প্রস্তাব করা হয়েছে। এতে প্রতি বছর মাথাপিছু ১.৩৩ মার্কিন ডলার ব্যয় ধরা হয়েছে। এতে আরও বলা হয়, বিশ্বব্যাপী বর্তমানে প্রতি পাঁচজনে একজনের শ্রবণ সমস্যা রয়েছে। কিন্তু এ সংখ্যা আগামী তিন দশকে ১.৫ গুণ বেড়ে যেতে পারে। খবর এএফপির।

২০১৯ সালের হিসাব অনুযায়ী, শ্রবণ সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ১০৬ কোটি। প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, শ্রবণশক্তি হ্রাস পাওয়া মানুষের সংখ্যা আগামী তিন দশকে দেড় গুণেরও বেশি বাড়তে পারে। ২০৫০ সাল নাগাদ এই সংখ্যা বেড়ে প্রায় ২০৫ কোটি হতে পারে। অর্থাৎ ২০৫০ সাল নাগাদ বিশ্বের প্রায় ২০৫ কোটি মানুষ কোনো না কোনো ধরনের শ্রবণ সমস্যা নিয়ে বসবাস করবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, যথাযথ পদক্ষেপ না নিলে ২০৫০ সাল নাগাদ ২০৫ কোটির মধ্যে ৭০ কোটি মানুষের অবস্থা এমন গুরুতর পর্যায়ে যেত পারে যে তাদের শ্রবণ সহায়ক যন্ত্রপাতি, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবার প্রয়োজন হতে পারে। শ্রবণ সমস্যার ব্যাপারে যথার্থ পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হলে তা ভুক্তভোগীদের জন্য স্বাস্থ্যগত, ভালো থাকা, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ক্ষতির কারণ হবে।

বর্তমানে বিশ্বে প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন শ্রবণ সমস্যায় ভুগছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়। বলা হয়, শ্রবণ সমস্যা সৃষ্টির অনেক কারণ প্রতিরোধ সম্ভব। প্রতিবেদনে শ্রবণক্ষমতা হ্রাস প্রতিরোধ ও সমস্যাটিকে গুরুত্ব দিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। শ্রবণ সমস্যা প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় অতিরিক্ত বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে ডব্লিউএইচও। প্রতিবেদনে একটি প্যাকেজ পদক্ষেপের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রিয়াসিস বলেছেন, ডব্লিউএইচও’র নতুন প্রতিবেদনটিতে শ্রবণ সমস্যার মাত্রা যেমন তুলে ধরা হয়েছে, তেমনি সমাধানও দেওয়া হয়েছে। সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রার অংশ হিসাবে বিশ্বের সব দেশকে তাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় এই বিষয়কে একীভূত করতে উৎসাহিত করেন ডব্লিউএইচওর প্রধান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন