নিষেধাজ্ঞায় ভয় নেই জান্তার
jugantor
নিষেধাজ্ঞায় ভয় নেই জান্তার

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৫ মার্চ ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হুঁশিয়ারি, নিষেধাজ্ঞায় ভয় পায় না মিয়ানমার সেনাবাহিনী। তবে অভ্যুত্থানবিরোধী প্রচণ্ড বিক্ষোভে ‘বেশ বিস্মিত’ হয়েছে তারা। তারা মনে করেছিল, কোনো প্রতিরোধ ছাড়াই ক্ষমতা পোক্ত করতে পারবে। কিন্তু তাদের সেই পরিকল্পনা কোনো কাজে আসছে না। এমনটাই জানিয়েছেন মিয়ানমারে জাতিসংঘের বিশেষ দূত ক্রিস্টিনা স্কারনার বার্গনার। বুধবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল ও দেশটির নেত্রী অং সান সু চিসহ শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদেরকে আটকের কয়েকদিন পর সেনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি তাদেরকে সতর্ক করে বলেন, অবৈধ ক্ষমতা দখল ও বিক্ষোভকারীদের অতিরিক্ত দমন পীড়নের কারণে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও জাতিসংঘ। কিন্তু তার এই হুঁশিয়ারি থোড়াই কেয়ার করে সেনা কর্তৃপক্ষ। তিনি জানান, সেনাবাহিনীর উপপ্রধান সোয়ে উইন বলেন, ‘আমরা নিষেধাজ্ঞায় অভ্যস্ত এবং অতীতে এমন নিষেধাজ্ঞা পার করেছি।’ তাদের একঘরে করে দেওয়ার হুমকির উত্তর হচ্ছে, ‘আমাদের কিছু বন্ধু আছে যাদের নিয়ে আমরা একা চলতে পারি।’ খবর এপির।

অধিকার গোষ্ঠীগুলো বলছে, সেনাবাহিনী জনগণের বিরুদ্ধে এখন ডিজিটাল অস্ত্র প্রয়োগ করছে। পাসওয়ার্ড হ্যাক, ফোন ক্লোন, ট্র্যাকিং, সামাজিক মাধ্যমের তথ্য ব্যবহার ও ছবি বিশ্লেষণ করে জনগণকে দমিয়ে রাখার সর্বোচ্চ পথ অবলম্বন করছে জান্তা সরকার।

নিষেধাজ্ঞায় ভয় নেই জান্তার

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৫ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হুঁশিয়ারি, নিষেধাজ্ঞায় ভয় পায় না মিয়ানমার সেনাবাহিনী। তবে অভ্যুত্থানবিরোধী প্রচণ্ড বিক্ষোভে ‘বেশ বিস্মিত’ হয়েছে তারা। তারা মনে করেছিল, কোনো প্রতিরোধ ছাড়াই ক্ষমতা পোক্ত করতে পারবে। কিন্তু তাদের সেই পরিকল্পনা কোনো কাজে আসছে না। এমনটাই জানিয়েছেন মিয়ানমারে জাতিসংঘের বিশেষ দূত ক্রিস্টিনা স্কারনার বার্গনার। বুধবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল ও দেশটির নেত্রী অং সান সু চিসহ শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদেরকে আটকের কয়েকদিন পর সেনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি তাদেরকে সতর্ক করে বলেন, অবৈধ ক্ষমতা দখল ও বিক্ষোভকারীদের অতিরিক্ত দমন পীড়নের কারণে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও জাতিসংঘ। কিন্তু তার এই হুঁশিয়ারি থোড়াই কেয়ার করে সেনা কর্তৃপক্ষ। তিনি জানান, সেনাবাহিনীর উপপ্রধান সোয়ে উইন বলেন, ‘আমরা নিষেধাজ্ঞায় অভ্যস্ত এবং অতীতে এমন নিষেধাজ্ঞা পার করেছি।’ তাদের একঘরে করে দেওয়ার হুমকির উত্তর হচ্ছে, ‘আমাদের কিছু বন্ধু আছে যাদের নিয়ে আমরা একা চলতে পারি।’ খবর এপির।

অধিকার গোষ্ঠীগুলো বলছে, সেনাবাহিনী জনগণের বিরুদ্ধে এখন ডিজিটাল অস্ত্র প্রয়োগ করছে। পাসওয়ার্ড হ্যাক, ফোন ক্লোন, ট্র্যাকিং, সামাজিক মাধ্যমের তথ্য ব্যবহার ও ছবি বিশ্লেষণ করে জনগণকে দমিয়ে রাখার সর্বোচ্চ পথ অবলম্বন করছে জান্তা সরকার।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন