ভারতের কৃষক সুরক্ষা নিয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বিতর্ক
jugantor
ভারতের কৃষক সুরক্ষা নিয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বিতর্ক

  যুগান্তর ডেস্ক  

১০ মার্চ ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভারতের বিতর্কিত নতুন কৃষি আইনকে ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়’ বলে উল্লেখ করেছিল ব্রিটেন। কিন্তু এবার দেশটির পার্লামেন্টেই বিতর্ক উঠল কৃষি আইন ঘিরে।

বিতর্কে প্রশ্ন তোলা হয়েছে ভারতে ‘সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ ও চলমান আন্দোলনে ‘কৃষকদের নিরাপত্তা’ নিয়ে।

তবে পার্লামেন্টে এই বিতর্ক আয়োজনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে নয়াদিল্লি। বিতর্ককে ‘একপেশে’ ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ ও ‘ভুয়া’ বলে উল্লেখ করে কড়া বিবৃতি দিয়েছে লন্ডনে ভারতীয় হাই-কমিশন।

এই প্রতিক্রিয়ার পালটা প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ব্রিটেন বলেছে, বিষয়টি এবার দুদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতে উত্থাপন করা হবে। খবর এনডিটিভির।

লিবারাল ডেমোক্র্যাট দলের ভারতীয় বংশোদ্ভূত এমপি গার্চ সিংহের আবেদনের ভিত্তিতে পার্লামেন্টে বিতর্ক শুরু হয়। অনলাইনে ওই আবেদনের সপ্তাহখানেকের মধ্যে পার্লামেন্টে বিতর্কের পক্ষে লক্ষাধিক ব্রিটিশ সায় দেন। সোমবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ওয়েস্টমিনস্টার হলে ওই বিতর্কটি অনুষ্ঠিত হয়।

এ নিয়ে আলাদা করে ৯০ মিনিট সময় রাখা হয়েছিল। এতে অংশ নেন ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ ও বিরোধী লেবার-এই দুই দলের ১৭ থেকে ১৮ জন সাংসদ।

মূলত ‘সেফটি অব ফার্মার্স’ বা দিল্লির কৃষক আন্দোলনে কৃষকদের নিরাপত্তা ও ‘প্রেস ফ্রিডোম’ বা মতপ্রকাশ বা ভারতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা-এই দুই বিষয়ে আলোচনা হয়।

দুপক্ষের সাংসদেরই মতো, ভারতে কৃষকদের প্রতি অবিচার করা হচ্ছে। বিতর্কের শুরুতেই কৃষক আন্দোলন নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে দেন স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির এমপি মার্টিন ডে। তিনি বলেন, ‘ব্রিটেন আগেই সাফ জানিয়েছে যে কৃষি সংস্কার নিয়ে পদক্ষেপের বিষয়টি ভারত সরকারের সিদ্ধান্ত।

সুতরাং আমরা ভারতের কৃষি সংস্কার নিয়ে আলোচনা করছি না। আমরা ওই আইনগুলোর বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করছি।

(প্রতিবাদীদের দমাতে) জলকামান এবং কাঁদানে গ্যাসের ব্যবহার, পুলিশের সঙ্গে কৃষকদের বার বার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া বা বিক্ষোভস্থলে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করা-এ সবই উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। বহু কৃষকও আত্মঘাতী হয়েছেন বলে (সংবাদমাধ্যমের) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।’

ব্রিটিশ লেবার পার্টির সংসদ জেরেমি করবিন জানান, ভারতে কৃষি বিলের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন ২৫ কোটি মানুষ। তার ভাষায়, ‘যে অভূতপূর্ব প্রতিবাদ হচ্ছে, তাতে একটাই কথা মাথায় আসে, (কৃষি আইনগুলোর বিরোধিতায়) কেন এত লোক জমায়েত হয়েছেন।’

ভারতের কৃষক সুরক্ষা নিয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বিতর্ক

 যুগান্তর ডেস্ক 
১০ মার্চ ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভারতের বিতর্কিত নতুন কৃষি আইনকে ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়’ বলে উল্লেখ করেছিল ব্রিটেন। কিন্তু এবার দেশটির পার্লামেন্টেই বিতর্ক উঠল কৃষি আইন ঘিরে।

বিতর্কে প্রশ্ন তোলা হয়েছে ভারতে ‘সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ ও চলমান আন্দোলনে ‘কৃষকদের নিরাপত্তা’ নিয়ে।

তবে পার্লামেন্টে এই বিতর্ক আয়োজনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে নয়াদিল্লি। বিতর্ককে ‘একপেশে’ ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ ও ‘ভুয়া’ বলে উল্লেখ করে কড়া বিবৃতি দিয়েছে লন্ডনে ভারতীয় হাই-কমিশন।

এই প্রতিক্রিয়ার পালটা প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ব্রিটেন বলেছে, বিষয়টি এবার দুদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতে উত্থাপন করা হবে। খবর এনডিটিভির।

লিবারাল ডেমোক্র্যাট দলের ভারতীয় বংশোদ্ভূত এমপি গার্চ সিংহের আবেদনের ভিত্তিতে পার্লামেন্টে বিতর্ক শুরু হয়। অনলাইনে ওই আবেদনের সপ্তাহখানেকের মধ্যে পার্লামেন্টে বিতর্কের পক্ষে লক্ষাধিক ব্রিটিশ সায় দেন। সোমবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ওয়েস্টমিনস্টার হলে ওই বিতর্কটি অনুষ্ঠিত হয়।

এ নিয়ে আলাদা করে ৯০ মিনিট সময় রাখা হয়েছিল। এতে অংশ নেন ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ ও বিরোধী লেবার-এই দুই দলের ১৭ থেকে ১৮ জন সাংসদ।

মূলত ‘সেফটি অব ফার্মার্স’ বা দিল্লির কৃষক আন্দোলনে কৃষকদের নিরাপত্তা ও ‘প্রেস ফ্রিডোম’ বা মতপ্রকাশ বা ভারতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা-এই দুই বিষয়ে আলোচনা হয়।

দুপক্ষের সাংসদেরই মতো, ভারতে কৃষকদের প্রতি অবিচার করা হচ্ছে। বিতর্কের শুরুতেই কৃষক আন্দোলন নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে দেন স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির এমপি মার্টিন ডে। তিনি বলেন, ‘ব্রিটেন আগেই সাফ জানিয়েছে যে কৃষি সংস্কার নিয়ে পদক্ষেপের বিষয়টি ভারত সরকারের সিদ্ধান্ত।

সুতরাং আমরা ভারতের কৃষি সংস্কার নিয়ে আলোচনা করছি না। আমরা ওই আইনগুলোর বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করছি।

(প্রতিবাদীদের দমাতে) জলকামান এবং কাঁদানে গ্যাসের ব্যবহার, পুলিশের সঙ্গে কৃষকদের বার বার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া বা বিক্ষোভস্থলে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করা-এ সবই উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। বহু কৃষকও আত্মঘাতী হয়েছেন বলে (সংবাদমাধ্যমের) প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।’

ব্রিটিশ লেবার পার্টির সংসদ জেরেমি করবিন জানান, ভারতে কৃষি বিলের প্রতিবাদে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন ২৫ কোটি মানুষ। তার ভাষায়, ‘যে অভূতপূর্ব প্রতিবাদ হচ্ছে, তাতে একটাই কথা মাথায় আসে, (কৃষি আইনগুলোর বিরোধিতায়) কেন এত লোক জমায়েত হয়েছেন।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ভারতে কৃষক আন্দোলন