কৃষ্ণাঙ্গ যুবকের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা দাবি পুলিশের
jugantor
কৃষ্ণাঙ্গ যুবকের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা দাবি পুলিশের
বিক্ষোভে উত্তাল মিনেসোটা ফের সংঘর্ষ, ধরপাকড়

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৪ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় পুলিশের গুলিতে কৃষ্ণাঙ্গ যুবকের মৃত্যুকে ‘দুর্ঘটনা’ বলে দাবি করেছে পুলিশ। হত্যার ঘটনাকে ‘দুর্ঘটনা’ হিসাবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টায় বিক্ষোভে আরও উত্তাল হয়ে উঠেছে মিনেসোটা। রাজ্যের মিনেপোলিস শহরে রোববার রাস্তায় গাড়ি চালানোর সময় পুলিশের গুলিতে বিদ্ধ হন ২০ বছর বয়সি কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ দান্তে রাইট। কয়েক ঘণ্টা পর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠে স্থানীয় জনতা। পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়। রাস্তায় নিরাপত্তা বাহিনীর বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে বিক্ষোভকারীরা। সোমবার ব্রুকলিন সেন্টার পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, পুলিশের গুলি করার বিষয়টা ছিল ‘দুর্ঘনাবশত’। এর ব্যাখ্যা দিয়ে বলা হয়, ট্রাফিক আইন অমান্য করার পর দান্তে রাইটকে থামাতে গেলে বিপত্তি বাধে। তার সঙ্গে পুলিশের তর্ক হয়। একপর্যায়ে ডন্টি রাইট ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে উদ্যত হন। ঘটনাস্থলে পুলিশ কর্মকর্তা বৈদ্যুতিক শক ছুড়ে অজ্ঞান করার যন্ত্র বা ট্যাজার দিয়ে তাকে থামাতে উদ্যত হন। এরপর আহত অবস্থাতেই গাড়ি চালিয়ে কয়েকটি ব্লক পার হয়ে যায় এ তরুণ এবং পরে আরেকটি গাড়িকে আঘাত করেন। এর কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যু হয়। খবর আলজাজিরার।

পুলিশের এমন অযৌক্তিক ব্যাখ্যার পর প্রতিবাদে সোমবার রাতেও ব্যাপক বিক্ষোভ-সহিংসতা হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত করতে বিক্ষোভকারীদের ওপর ব্যাপকভাবে টিয়ার গ্যাস ছুড়েছে। মিনেপোলিস শহর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে অন্তত ৪০ জনকে। বিবিসি জানায়, রাাতে মিনেসোটার ব্রুকলিন সেন্টার এলাকায় কারফিউ অমান্য করেই রাস্তায় নেমে আসেন শত শত বিক্ষোভকারী। একপর্যায়ে পুলিশের দিকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে তারা। জবাবে পুলিশও ফ্ল্যাশ গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। স্থানীয় সময় মধ্যরাতে এক সংবাদ সম্মেলনে মিনেসোটা স্টেট প্যাট্রোল কর্নেল ম্যাট ল্যাঙ্গার বলেন, নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বিক্ষোভ আয়োজকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানাতে গিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেটি সফল হয়নি। নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের দিকে ব্যাপক হারে ইট-পাটকেল ও আতশবাজি নিক্ষেপ করা হয়। এদিন ব্রুকলিন সেন্টার, মিনিয়াপোলিসের অন্য অংশ এবং নিকটবর্তী সেন্ট পল এলাকায় লুটপাটের বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে জানানো হয়। সাম্প্রতিক এই অস্থিরতা প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ বোধগম্য। তবে আমি এটি পরিষ্কার বলে দিতে চাই, লুটপাট হলে কোনো ছাড় নেই।

কৃষ্ণাঙ্গ যুবকের মৃত্যুকে দুর্ঘটনা দাবি পুলিশের

বিক্ষোভে উত্তাল মিনেসোটা ফের সংঘর্ষ, ধরপাকড়
 যুগান্তর ডেস্ক 
১৪ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটায় পুলিশের গুলিতে কৃষ্ণাঙ্গ যুবকের মৃত্যুকে ‘দুর্ঘটনা’ বলে দাবি করেছে পুলিশ। হত্যার ঘটনাকে ‘দুর্ঘটনা’ হিসাবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টায় বিক্ষোভে আরও উত্তাল হয়ে উঠেছে মিনেসোটা। রাজ্যের মিনেপোলিস শহরে রোববার রাস্তায় গাড়ি চালানোর সময় পুলিশের গুলিতে বিদ্ধ হন ২০ বছর বয়সি কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ দান্তে রাইট। কয়েক ঘণ্টা পর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠে স্থানীয় জনতা। পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়। রাস্তায় নিরাপত্তা বাহিনীর বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করে বিক্ষোভকারীরা। সোমবার ব্রুকলিন সেন্টার পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়, পুলিশের গুলি করার বিষয়টা ছিল ‘দুর্ঘনাবশত’। এর ব্যাখ্যা দিয়ে বলা হয়, ট্রাফিক আইন অমান্য করার পর দান্তে রাইটকে থামাতে গেলে বিপত্তি বাধে। তার সঙ্গে পুলিশের তর্ক হয়। একপর্যায়ে ডন্টি রাইট ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে উদ্যত হন। ঘটনাস্থলে পুলিশ কর্মকর্তা বৈদ্যুতিক শক ছুড়ে অজ্ঞান করার যন্ত্র বা ট্যাজার দিয়ে তাকে থামাতে উদ্যত হন। এরপর আহত অবস্থাতেই গাড়ি চালিয়ে কয়েকটি ব্লক পার হয়ে যায় এ তরুণ এবং পরে আরেকটি গাড়িকে আঘাত করেন। এর কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যু হয়। খবর আলজাজিরার।

পুলিশের এমন অযৌক্তিক ব্যাখ্যার পর প্রতিবাদে সোমবার রাতেও ব্যাপক বিক্ষোভ-সহিংসতা হয়েছে। পরিস্থিতি শান্ত করতে বিক্ষোভকারীদের ওপর ব্যাপকভাবে টিয়ার গ্যাস ছুড়েছে। মিনেপোলিস শহর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে অন্তত ৪০ জনকে। বিবিসি জানায়, রাাতে মিনেসোটার ব্রুকলিন সেন্টার এলাকায় কারফিউ অমান্য করেই রাস্তায় নেমে আসেন শত শত বিক্ষোভকারী। একপর্যায়ে পুলিশের দিকে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে তারা। জবাবে পুলিশও ফ্ল্যাশ গ্রেনেড ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। স্থানীয় সময় মধ্যরাতে এক সংবাদ সম্মেলনে মিনেসোটা স্টেট প্যাট্রোল কর্নেল ম্যাট ল্যাঙ্গার বলেন, নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বিক্ষোভ আয়োজকদের শান্ত থাকার আহ্বান জানাতে গিয়েছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেটি সফল হয়নি। নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের দিকে ব্যাপক হারে ইট-পাটকেল ও আতশবাজি নিক্ষেপ করা হয়। এদিন ব্রুকলিন সেন্টার, মিনিয়াপোলিসের অন্য অংশ এবং নিকটবর্তী সেন্ট পল এলাকায় লুটপাটের বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে জানানো হয়। সাম্প্রতিক এই অস্থিরতা প্রসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ বোধগম্য। তবে আমি এটি পরিষ্কার বলে দিতে চাই, লুটপাট হলে কোনো ছাড় নেই।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন