ফুকুশিমার দূষিত পানি সাগরে ফেলবে জাপান
jugantor
ফুকুশিমার দূষিত পানি সাগরে ফেলবে জাপান

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৪ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভূমিকম্প ও সুনামিতে ধ্বংস হয়ে যাওয়া ফুকুশিমা পারমাণবিক স্টেশনে থেকে ১০ লাখ টনেরও বেশি দূষিত পানি সাগরে ফেলা হবে বলে জানিয়েছে জাপান। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে দেশটির সরকার জানিয়েছে, প্রথম পানি ছাড়া হবে প্রায় দুই বছরের মধ্যে; এতে স্টেশনটির পরিচালনা কোম্পানি টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার (টেপকো) দূষিত পানি পরিশোধন করে ক্ষতিকর আইসোটোপ অপসারণ শুরু করার, অবকাঠামো নির্মাণ ও নিয়ন্ত্রণ সংস্থার অনুমোদন অর্জন করার সময় পাবে। পুরো প্রকল্পটি শেষ করতে কয়েক দশক লেগে যেতে পারে বলে জানিয়েছে তারা। প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়া ও ফুকুশিমার মৎসজীবী ইউনিয়ন এ পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে। কিন্তু জাপান বলছে, ২০১১-র ভূমিকম্প ও সুনামিতে বিকল হয়ে যাওয়া এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটিকে নিষ্ক্রিয় ও পুরোপুরি রূপান্তর করার কাজ এগিয়ে নেওয়ার জন্যই পানি ছাড়া দরকার, বিশ্বব্যাপী পরমাণু প্লান্টগুলো থেকে একই ধরনের পরিশোধিত পানি নিয়মিত ছাড়া হয়। বিবৃতিতে জাপান সরকার বলেছে, ‘প্রতিষ্ঠিত মানদণ্ড কঠোরভাবে মেনে চলার ভিত্তিতে আমরা মহাসাগরে ছাড়ার বিষয়টি নির্বাচন করেছি।’ ফুকুশিমা দাইচি প্লান্টে প্রায় ১৩ লাখ টন দূষিত পানি বিশাল সব ট্যাঙ্কে রেখে দেওয়া হয়েছে। এর জন্য প্রতি বছর প্রায় ৯১ কোটি ২৬ লাখ ডলার ব্যয় করতে হচ্ছে আর স্থান সঙ্কুলানও আর হচ্ছে না বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

ফুকুশিমার দূষিত পানি সাগরে ফেলবে জাপান

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৪ এপ্রিল ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভূমিকম্প ও সুনামিতে ধ্বংস হয়ে যাওয়া ফুকুশিমা পারমাণবিক স্টেশনে থেকে ১০ লাখ টনেরও বেশি দূষিত পানি সাগরে ফেলা হবে বলে জানিয়েছে জাপান। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে দেশটির সরকার জানিয়েছে, প্রথম পানি ছাড়া হবে প্রায় দুই বছরের মধ্যে; এতে স্টেশনটির পরিচালনা কোম্পানি টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার (টেপকো) দূষিত পানি পরিশোধন করে ক্ষতিকর আইসোটোপ অপসারণ শুরু করার, অবকাঠামো নির্মাণ ও নিয়ন্ত্রণ সংস্থার অনুমোদন অর্জন করার সময় পাবে। পুরো প্রকল্পটি শেষ করতে কয়েক দশক লেগে যেতে পারে বলে জানিয়েছে তারা। প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়া ও ফুকুশিমার মৎসজীবী ইউনিয়ন এ পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে। কিন্তু জাপান বলছে, ২০১১-র ভূমিকম্প ও সুনামিতে বিকল হয়ে যাওয়া এই পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পটিকে নিষ্ক্রিয় ও পুরোপুরি রূপান্তর করার কাজ এগিয়ে নেওয়ার জন্যই পানি ছাড়া দরকার, বিশ্বব্যাপী পরমাণু প্লান্টগুলো থেকে একই ধরনের পরিশোধিত পানি নিয়মিত ছাড়া হয়। বিবৃতিতে জাপান সরকার বলেছে, ‘প্রতিষ্ঠিত মানদণ্ড কঠোরভাবে মেনে চলার ভিত্তিতে আমরা মহাসাগরে ছাড়ার বিষয়টি নির্বাচন করেছি।’ ফুকুশিমা দাইচি প্লান্টে প্রায় ১৩ লাখ টন দূষিত পানি বিশাল সব ট্যাঙ্কে রেখে দেওয়া হয়েছে। এর জন্য প্রতি বছর প্রায় ৯১ কোটি ২৬ লাখ ডলার ব্যয় করতে হচ্ছে আর স্থান সঙ্কুলানও আর হচ্ছে না বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন