লাশ ফেরত দিয়েছে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নেই
jugantor
মিয়ানমারে সেনার বর্বর নির্যাতনে নিহত কবি
লাশ ফেরত দিয়েছে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নেই

  যুগান্তর ডেস্ক  

১১ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে এক কবিকে নির্যাতন করে হত্যা করেছে সেনাবাহিনী। খেট থি নামের ওই কবিকে হত্যার পর পরিবারের কাছে লাশ ফেরত দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বেশকিছু অঙ্গ-প্রত্যঙ্গই নেই। পরিবারের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। এ নিয়ে মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে তিনজন কবিকে হত্যা করা হলো। এর আগে মার্চের শুরুর দিকে কবি কে জা উইনকে গুলি করা হয়। কবিতার মধ্য দিয়ে সামরিক অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। ৪৫ বছর বয়সি খেট থি সম্প্রতি এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘তারা আমাদের মাথায় গুলি করে, কিন্তু তারা জানে না যে, বিপ্লব আমাদের হৃদয়ে রয়েছে।’ খেট থির স্ত্রী জানায়, শনিবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দেশটির কেন্দ্রীয় শহর শোয়েবো থেকে কবিসহ দু’জনকে নিয়ে যায় সেনাবাহিনী। তাদের মধ্যে একজনকে ছেড়ে দিলেও হত্যা করা হয় ওই কবিকে।

অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিকাল প্রিজনার্স জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে নির্যাতনের কারণেই খেট থির মৃত্যু হয়েছে। পেশাগতভাবে তিনি একজন প্রকৌশলী ছিলেন। কিন্তু কবিতায় মনোযোগ দিতে ২০১২ সালে তিনি চাকরি ছেড়ে দেন। তবে তার মৃত্যু নিয়ে জান্তা সরকারের মুখপাত্রের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার ফেসবুক পেজের তথ্যানুসারে খেট থির বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর। তিনি লিখেছেন, ‘তারা মাথায় গুলি করে, কিন্তু তারা জানে না বিপ্লব থাকে হৃদয়ে।’ তিনি জানান, আমাকে তারা জেরা করেছে। তারা বলেছেন, কবিকে জিজ্ঞাসাবাদ কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। কিন্তু তিনি ফিরে আসেননি, তার লাশ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। চো সু আরও বলেন, আমাকে তারা সকালে ফোন দিয়ে মনিয়ায়োতে হাসপাতালে দেখা করতে বলেছিল। আমি ভেবেছিলাম, তার হাত ভাঙা কিংবা অন্য কিছু। কিন্তু আমি যখন হাসপাতালে পৌঁছায়ই, তখন তার লাশ মর্গে। তার অভ্যন্তরীণ অঙ্গ তুলে নেওয়া হয়েছে। অভ্যুত্থানের এক সপ্তাহ পর তিনি লিখেন, আমি কোনো নায়ক হতে চাই না, আমি শহিদ হতে চাই। আমি ভীরু হতে চাই না, বোকা হতে চাই না।’

২৪ মে ফের আদালতে উপস্থিত হবেন সু চি : এদিকে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চিকে আগামী সপ্তাহে ফের আদালতে সশরীরে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার তার এক আইনজীবী এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর এএফপির। এর আগে সবশেষ মার্চ মাসের প্রথমদিকে বিচারের জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হয়। তবে সশরীরে নয়, তাকে আদালতে হাজির করা হয়েছে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে। গত ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের পর সু চিকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।

মিয়ানমারে সেনার বর্বর নির্যাতনে নিহত কবি

লাশ ফেরত দিয়েছে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নেই

 যুগান্তর ডেস্ক 
১১ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে এক কবিকে নির্যাতন করে হত্যা করেছে সেনাবাহিনী। খেট থি নামের ওই কবিকে হত্যার পর পরিবারের কাছে লাশ ফেরত দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বেশকিছু অঙ্গ-প্রত্যঙ্গই নেই। পরিবারের বরাত দিয়ে এ খবর জানিয়েছে দ্য গার্ডিয়ান। এ নিয়ে মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে তিনজন কবিকে হত্যা করা হলো। এর আগে মার্চের শুরুর দিকে কবি কে জা উইনকে গুলি করা হয়। কবিতার মধ্য দিয়ে সামরিক অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। ৪৫ বছর বয়সি খেট থি সম্প্রতি এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘তারা আমাদের মাথায় গুলি করে, কিন্তু তারা জানে না যে, বিপ্লব আমাদের হৃদয়ে রয়েছে।’ খেট থির স্ত্রী জানায়, শনিবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দেশটির কেন্দ্রীয় শহর শোয়েবো থেকে কবিসহ দু’জনকে নিয়ে যায় সেনাবাহিনী। তাদের মধ্যে একজনকে ছেড়ে দিলেও হত্যা করা হয় ওই কবিকে।

অ্যাসিস্ট্যান্স অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিকাল প্রিজনার্স জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে নির্যাতনের কারণেই খেট থির মৃত্যু হয়েছে। পেশাগতভাবে তিনি একজন প্রকৌশলী ছিলেন। কিন্তু কবিতায় মনোযোগ দিতে ২০১২ সালে তিনি চাকরি ছেড়ে দেন। তবে তার মৃত্যু নিয়ে জান্তা সরকারের মুখপাত্রের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার ফেসবুক পেজের তথ্যানুসারে খেট থির বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর। তিনি লিখেছেন, ‘তারা মাথায় গুলি করে, কিন্তু তারা জানে না বিপ্লব থাকে হৃদয়ে।’ তিনি জানান, আমাকে তারা জেরা করেছে। তারা বলেছেন, কবিকে জিজ্ঞাসাবাদ কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। কিন্তু তিনি ফিরে আসেননি, তার লাশ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। চো সু আরও বলেন, আমাকে তারা সকালে ফোন দিয়ে মনিয়ায়োতে হাসপাতালে দেখা করতে বলেছিল। আমি ভেবেছিলাম, তার হাত ভাঙা কিংবা অন্য কিছু। কিন্তু আমি যখন হাসপাতালে পৌঁছায়ই, তখন তার লাশ মর্গে। তার অভ্যন্তরীণ অঙ্গ তুলে নেওয়া হয়েছে। অভ্যুত্থানের এক সপ্তাহ পর তিনি লিখেন, আমি কোনো নায়ক হতে চাই না, আমি শহিদ হতে চাই। আমি ভীরু হতে চাই না, বোকা হতে চাই না।’

২৪ মে ফের আদালতে উপস্থিত হবেন সু চি : এদিকে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চিকে আগামী সপ্তাহে ফের আদালতে সশরীরে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার তার এক আইনজীবী এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর এএফপির। এর আগে সবশেষ মার্চ মাসের প্রথমদিকে বিচারের জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হয়। তবে সশরীরে নয়, তাকে আদালতে হাজির করা হয়েছে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে। গত ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের পর সু চিকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন