মৃতের কাপড় চুরি করে রমরমা ব্যবসা!
jugantor
মৃতের কাপড় চুরি করে রমরমা ব্যবসা!

   

১১ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শ্মশান থেকে মৃতের পোশাক চুরি করে রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে ভারতের উত্তর প্রদেশের একটি চক্র। মৃতদের পোশাক, এমনকি গায়ের সাদা চাদরও সরিয়ে নিতেন তারা। তারপর সেগুলোতে এক বিশেষ ব্র্যান্ডের স্টিকার সেঁটে পৌঁছে দিতেন দোকানে দোকানে। প্রতিদিনের সংগ্রহ পিছু টাকা দিতেন দোকানদাররা। যোগীরাজ্যে গত ১০ বছর ধরে এভাবেই রুজি-রুটি চালাচ্ছিল একটি দল। করোনার দাপটে ফুলেফেঁপে উঠেছিল ব্যবসা। রোববার তাদের সাতজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। আনন্দবাজার।

ঘটনাটি উত্তর প্রদেশের বাঘপতের। পুলিশ জানিয়েছে, ওই দলটির কাছ থেকে ৫২০টি চাদর, ১২৭টি কুর্তা এবং ৫২টি শাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়াও আরও নানা রকমের জামা-কাপড় ছিল তাদের কাছে, যা গত কয়েক দিনে মৃতদের শরীর থেকে খুলে নেওয়া হয়েছিল। করোনা মহামারি পরিস্থিতিতে যেখানে মৃতদেহের স্তূপ জমছে, সেখানে এ ঘটনা উদ্বেগ বাড়িয়েছে প্রশাসনের। পুলিশ জানিয়েছে, ‘ধৃতদের মধ্যে ৩ জন একই পরিবারের সদস্য। গত ১০ বছর ধরে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত তারা। স্থানীয় বেশকিছু ব্যবসায়ীর সঙ্গে রীতিমতো চুক্তি রয়েছে তাদের। দৈনিক সংগ্রহ পিছু ৩০০ টাকা করে পেতেন তারা। অন্য সময় হলে শুধু চুরির মামলাই দায়ের হতো ধৃতদের বিরুদ্ধে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে মহামারি আইনেও মামলা করা হয়েছে ওই সাতজনের বিরুদ্ধে।’

মৃতের কাপড় চুরি করে রমরমা ব্যবসা!

  
১১ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

শ্মশান থেকে মৃতের পোশাক চুরি করে রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে ভারতের উত্তর প্রদেশের একটি চক্র। মৃতদের পোশাক, এমনকি গায়ের সাদা চাদরও সরিয়ে নিতেন তারা। তারপর সেগুলোতে এক বিশেষ ব্র্যান্ডের স্টিকার সেঁটে পৌঁছে দিতেন দোকানে দোকানে। প্রতিদিনের সংগ্রহ পিছু টাকা দিতেন দোকানদাররা। যোগীরাজ্যে গত ১০ বছর ধরে এভাবেই রুজি-রুটি চালাচ্ছিল একটি দল। করোনার দাপটে ফুলেফেঁপে উঠেছিল ব্যবসা। রোববার তাদের সাতজনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। আনন্দবাজার।

ঘটনাটি উত্তর প্রদেশের বাঘপতের। পুলিশ জানিয়েছে, ওই দলটির কাছ থেকে ৫২০টি চাদর, ১২৭টি কুর্তা এবং ৫২টি শাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়াও আরও নানা রকমের জামা-কাপড় ছিল তাদের কাছে, যা গত কয়েক দিনে মৃতদের শরীর থেকে খুলে নেওয়া হয়েছিল। করোনা মহামারি পরিস্থিতিতে যেখানে মৃতদেহের স্তূপ জমছে, সেখানে এ ঘটনা উদ্বেগ বাড়িয়েছে প্রশাসনের। পুলিশ জানিয়েছে, ‘ধৃতদের মধ্যে ৩ জন একই পরিবারের সদস্য। গত ১০ বছর ধরে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত তারা। স্থানীয় বেশকিছু ব্যবসায়ীর সঙ্গে রীতিমতো চুক্তি রয়েছে তাদের। দৈনিক সংগ্রহ পিছু ৩০০ টাকা করে পেতেন তারা। অন্য সময় হলে শুধু চুরির মামলাই দায়ের হতো ধৃতদের বিরুদ্ধে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে মহামারি আইনেও মামলা করা হয়েছে ওই সাতজনের বিরুদ্ধে।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন