জনসংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা চীনের
jugantor
জনসংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা চীনের

   

১২ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চীনের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার গত কয়েক দশকের তুলনায় সবচেয়ে কম। দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশটির মোট জনসংখ্যা ১৪১ কোটি। মঙ্গলবার প্রকাশিত চীনের সরকারি আদমশুমারির তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে গত ১০ বছরে গড? বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল শূন্য দশমিক ৫৩ শতাংশ। জনসংখ্যা হ্রাস এড়াতে কীভাবে দম্পতিদের আরও বেশি সন্তান নিতে আগ্রহী করে তোলা যায় এ নিয়ে নতুন করে ভাবছে বেইজিং। দি গার্ডিয়ান। এর আগের ১০ বছর ২০০০ সাল থেকে ২০১০ সালের মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল শূন্য দশমিক ৫৭ শতাংশ। চীনে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১৯৬০-এর দশকের পর গত দশকে ছিল সবচেয়ে কম। চীনের গত ১০ বছরের আদমশুমারি গত এপ্রিলে প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল। ২০২০ সালের শেষ দিকে এই আদমশুমারির কাজ শেষ হয়। চীনে প্রায় ৭০ লাখ কর্মী বাড়ি বাড়ি ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করেছেন। জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রধান নিং জিঝে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, গত বছর এক কোটি ২০ লাখ শিশু জন্ম নিয়েছে। ২০১৬ সালে এ সংখ্যাটি ছিল এক কোটি ৮০ লাখ।

জনসংখ্যা আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা চীনের

  
১২ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চীনের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার গত কয়েক দশকের তুলনায় সবচেয়ে কম। দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশটির মোট জনসংখ্যা ১৪১ কোটি। মঙ্গলবার প্রকাশিত চীনের সরকারি আদমশুমারির তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে গত ১০ বছরে গড? বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল শূন্য দশমিক ৫৩ শতাংশ। জনসংখ্যা হ্রাস এড়াতে কীভাবে দম্পতিদের আরও বেশি সন্তান নিতে আগ্রহী করে তোলা যায় এ নিয়ে নতুন করে ভাবছে বেইজিং। দি গার্ডিয়ান। এর আগের ১০ বছর ২০০০ সাল থেকে ২০১০ সালের মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল শূন্য দশমিক ৫৭ শতাংশ। চীনে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১৯৬০-এর দশকের পর গত দশকে ছিল সবচেয়ে কম। চীনের গত ১০ বছরের আদমশুমারি গত এপ্রিলে প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল। ২০২০ সালের শেষ দিকে এই আদমশুমারির কাজ শেষ হয়। চীনে প্রায় ৭০ লাখ কর্মী বাড়ি বাড়ি ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করেছেন। জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রধান নিং জিঝে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, গত বছর এক কোটি ২০ লাখ শিশু জন্ম নিয়েছে। ২০১৬ সালে এ সংখ্যাটি ছিল এক কোটি ৮০ লাখ।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন