এপি-আলজাজিরার অফিস ধুলায় মেশাল ইসরাইল
jugantor
এপি-আলজাজিরার অফিস ধুলায় মেশাল ইসরাইল

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৭ মে ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

অবরুদ্ধ গাজায় একের পর এক ভবন ধুলোয় মিশে যাচ্ছে ইসরাইলি হামলায়। তালিকায় যুক্ত হয়েছে ১৩ তলাবিশিষ্ট ‘আল জালা’ টাওয়ার। বহুতল ভবনটিতে ছিল এপি, আলজাজিরাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের কার্যালয়। সেখানকার কর্মীদের সরাতে সময় দেওয়া হয় মাত্র এক ঘণ্টা। শত অনুরোধের পরও, অফিসগুলোর মূল্যবান যন্ত্রপাতি খোলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। সংবাদকর্মীদের অভিযোগ ইসরাইলি আগ্রাসনের খবরের প্রচারণা বন্ধেই এ ন্যক্কারজনক আগ্রাসন। সেইসঙ্গে এ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সাংবাদিক সংগঠন। শনিবার গাজা উপত্যকায় অবস্থিত কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভবন গুঁড়িয়ে দেয় ইসরাইল। ওই হামলার পর ইসরাইলের বিমানবাহিনী টুইট করে দাবি করে, ‘ওই বহুতল ভবনটি মানবঢাল হিসাবে ব্যবহার করা হতো।’ ইসরাইল কর্তৃপক্ষ জানায়, সেখানে হামলার আগে সতর্ক করা হয়। হামাসের সশস্ত্র গোয়েন্দা শাখার সরঞ্জাম ওই ভবনে রাখা হতো। এ কাজে ভবনটিতে অবস্থিত গণমাধ্যমের একটি দপ্তরকে ব্যবহার করত তারা।

পাঁচ মাসের শিশু ছাড়া পুরো পরিবার শেষ : ইসরাইলি হামলায় মা-ভাই-বোন সবাই নিহত হয়েছে। বেঁচে গেছে কেবল পাঁচ মাসের একটি শিশু। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে তাকে। তবে গুরুতর আহত সে। শনিবার গাজার পশ্চিমে শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি বিমান হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া শিশুটির নাম ওমর আল হাদিদি। হামলায় শিশুটির মা, চার ভাইবোন ও স্বজনরা নিহত হন। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের।

হামলার সময় শিশুটির বাবা মোহাম্মদ আল হাদিদি বাড়িতে ছিলেন না। তিনি রয়টার্সকে বলেন, ‘ওই শরণার্থী শিবির থেকে কোনো রকেট হামলা চালানো হয়নি। সেখানে শুধু শিশু ও নারী ছিল। কোন অপরাধে তাদের এভাবে মেরে ফেলা হলো?’ ওমরের চিকিৎসক বলেন, ‘পাঁচ মাস বয়সি শিশুটির অবস্থা ভালো নয়। তার পায়ের হাড় ভেঙে গেছে। সারা শরীরে আঘাতের দাগ। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, শনিবার ভোরে গাজায় ইসরাইলের বিমান হামলায় কমপক্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। ফিলিস্তিনিরা তেল আবিবকে লক্ষ্য করে রকেট ছুড়েছে। তেল আবিব থেকে অনেকে নিরাপদ জায়গায় পালিয়ে গেছেন।

এপি-আলজাজিরার অফিস ধুলায় মেশাল ইসরাইল

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৭ মে ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

অবরুদ্ধ গাজায় একের পর এক ভবন ধুলোয় মিশে যাচ্ছে ইসরাইলি হামলায়। তালিকায় যুক্ত হয়েছে ১৩ তলাবিশিষ্ট ‘আল জালা’ টাওয়ার। বহুতল ভবনটিতে ছিল এপি, আলজাজিরাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের কার্যালয়। সেখানকার কর্মীদের সরাতে সময় দেওয়া হয় মাত্র এক ঘণ্টা। শত অনুরোধের পরও, অফিসগুলোর মূল্যবান যন্ত্রপাতি খোলার সুযোগ দেওয়া হয়নি। সংবাদকর্মীদের অভিযোগ ইসরাইলি আগ্রাসনের খবরের প্রচারণা বন্ধেই এ ন্যক্কারজনক আগ্রাসন। সেইসঙ্গে এ হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সাংবাদিক সংগঠন। শনিবার গাজা উপত্যকায় অবস্থিত কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভবন গুঁড়িয়ে দেয় ইসরাইল। ওই হামলার পর ইসরাইলের বিমানবাহিনী টুইট করে দাবি করে, ‘ওই বহুতল ভবনটি মানবঢাল হিসাবে ব্যবহার করা হতো।’ ইসরাইল কর্তৃপক্ষ জানায়, সেখানে হামলার আগে সতর্ক করা হয়। হামাসের সশস্ত্র গোয়েন্দা শাখার সরঞ্জাম ওই ভবনে রাখা হতো। এ কাজে ভবনটিতে অবস্থিত গণমাধ্যমের একটি দপ্তরকে ব্যবহার করত তারা।

পাঁচ মাসের শিশু ছাড়া পুরো পরিবার শেষ : ইসরাইলি হামলায় মা-ভাই-বোন সবাই নিহত হয়েছে। বেঁচে গেছে কেবল পাঁচ মাসের একটি শিশু। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে তাকে। তবে গুরুতর আহত সে। শনিবার গাজার পশ্চিমে শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি বিমান হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া শিশুটির নাম ওমর আল হাদিদি। হামলায় শিশুটির মা, চার ভাইবোন ও স্বজনরা নিহত হন। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের।

হামলার সময় শিশুটির বাবা মোহাম্মদ আল হাদিদি বাড়িতে ছিলেন না। তিনি রয়টার্সকে বলেন, ‘ওই শরণার্থী শিবির থেকে কোনো রকেট হামলা চালানো হয়নি। সেখানে শুধু শিশু ও নারী ছিল। কোন অপরাধে তাদের এভাবে মেরে ফেলা হলো?’ ওমরের চিকিৎসক বলেন, ‘পাঁচ মাস বয়সি শিশুটির অবস্থা ভালো নয়। তার পায়ের হাড় ভেঙে গেছে। সারা শরীরে আঘাতের দাগ। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, শনিবার ভোরে গাজায় ইসরাইলের বিমান হামলায় কমপক্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। ফিলিস্তিনিরা তেল আবিবকে লক্ষ্য করে রকেট ছুড়েছে। তেল আবিব থেকে অনেকে নিরাপদ জায়গায় পালিয়ে গেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন