সু চির বিরুদ্ধে আরও মামলা
jugantor
সু চির বিরুদ্ধে আরও মামলা

  যুগান্তর ডেস্ক  

১১ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চির বিরুদ্ধে দায়ের করা হলো আরেকটি মামলা। ১ ফেব্রুয়ারি জান্তাদের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর এটি তার বিরুদ্ধে করা সপ্তম মামলা। বুধবার রাজধানী নেপিদোর একটি থানায় নতুন এ মামলা করা হয়। এর আগে ধাপে ধাপে তার বিরুদ্ধে করা আরও ছয়টি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। খবর ইরাবতীর।

দুর্নীতি দমন আইনের ৫৫ ধারাভুক্ত নতুন এ মামলার অভিযোগ প্রমাণিত হলে ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে সু চির। আগের ছয় মামলা প্রমাণিত হলে আরও ২৬ বছর জেল। সে হিসাবে মোট ৪১ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হতে পারে ৭৫ বছর বয়সি এ নেত্রীকে। মিয়ানমারের সরকারি সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবাল নিউ লাইট’-এর বরাত দিয়ে ইরাবতী জানিয়েছে, দেশটির দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযোগের বিরুদ্ধে সু চির বিরুদ্ধে নতুন এ মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বর্ণনা অনুযায়ী দাতব্য সংস্থা ‘দাউ খিন চে ফাউন্ডেশনে’র জমি অপব্যবহার করেছেন সু চি ও তার দলের লোকেরা। এই অভিযোগের পাশাপাশি অবৈধভাবে অর্থ ও ১১ কেজি স্বর্ণ গ্রহণের অভিযোগ আছে সু চির বিরুদ্ধে।

গত মার্চে এক সংবাদ সম্মেলনে জান্তা মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাও মিন তুন অভিযোগ করে বলেছিলেন অং সান সুচি আটককৃত ইয়াঙ্গুন অঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রী ইউ ফিয়ো মিন থেইনের কাছ থেকে ৬০০,০০০ মার্কিন ডলার এবং ৭ ভিস (১১.৪ কেজি বা প্রায় ২৫ পাউন্ড) স্বর্ণ গ্রহণ করেছেন। ডিসেম্বর ২০১৭ থেকে মার্চ ২০১৮ এর মধ্যে তিনি এসব দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। মুখপাত্র বলেছিলেন যে সরকারের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযোগটির তদন্ত করছে। তারই ফল হিসাবে তার বিরুদ্ধে আনীত সর্বশেষ এ মামলা। ইয়াঙ্গুনে দাউ খিন চে ফাউন্ডেশনের সদর দপ্তর খুলতে ১.৮৬ একর জমি ভাড়া নেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছিল। সেই দুর্নীতি বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছিল

ফেব্রুয়ারি থেকেই। ইয়াঙ্গুনের আঞ্চলিক অডিটর জেনারেল অফিস বলেছে, এতে সরকার ৫.২ বিলিয়ন কিয়াত আয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

এর আগে তার বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরিচালনা আইন, আমদানি-রপ্তানি আইন, টেলিযোগাযোগ আইন এবং রাষ্ট্রদোহ আইনে মামলা করা হয়েছে।

সু চির বিরুদ্ধে আরও মামলা

 যুগান্তর ডেস্ক 
১১ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মিয়ানমারের গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চির বিরুদ্ধে দায়ের করা হলো আরেকটি মামলা। ১ ফেব্রুয়ারি জান্তাদের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর এটি তার বিরুদ্ধে করা সপ্তম মামলা। বুধবার রাজধানী নেপিদোর একটি থানায় নতুন এ মামলা করা হয়। এর আগে ধাপে ধাপে তার বিরুদ্ধে করা আরও ছয়টি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। খবর ইরাবতীর।

দুর্নীতি দমন আইনের ৫৫ ধারাভুক্ত নতুন এ মামলার অভিযোগ প্রমাণিত হলে ১৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে সু চির। আগের ছয় মামলা প্রমাণিত হলে আরও ২৬ বছর জেল। সে হিসাবে মোট ৪১ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হতে পারে ৭৫ বছর বয়সি এ নেত্রীকে। মিয়ানমারের সরকারি সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবাল নিউ লাইট’-এর বরাত দিয়ে ইরাবতী জানিয়েছে, দেশটির দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযোগের বিরুদ্ধে সু চির বিরুদ্ধে নতুন এ মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বর্ণনা অনুযায়ী দাতব্য সংস্থা ‘দাউ খিন চে ফাউন্ডেশনে’র জমি অপব্যবহার করেছেন সু চি ও তার দলের লোকেরা। এই অভিযোগের পাশাপাশি অবৈধভাবে অর্থ ও ১১ কেজি স্বর্ণ গ্রহণের অভিযোগ আছে সু চির বিরুদ্ধে।

গত মার্চে এক সংবাদ সম্মেলনে জান্তা মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাও মিন তুন অভিযোগ করে বলেছিলেন অং সান সুচি আটককৃত ইয়াঙ্গুন অঞ্চলের মুখ্যমন্ত্রী ইউ ফিয়ো মিন থেইনের কাছ থেকে ৬০০,০০০ মার্কিন ডলার এবং ৭ ভিস (১১.৪ কেজি বা প্রায় ২৫ পাউন্ড) স্বর্ণ গ্রহণ করেছেন। ডিসেম্বর ২০১৭ থেকে মার্চ ২০১৮ এর মধ্যে তিনি এসব দুর্নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। মুখপাত্র বলেছিলেন যে সরকারের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযোগটির তদন্ত করছে। তারই ফল হিসাবে তার বিরুদ্ধে আনীত সর্বশেষ এ মামলা। ইয়াঙ্গুনে দাউ খিন চে ফাউন্ডেশনের সদর দপ্তর খুলতে ১.৮৬ একর জমি ভাড়া নেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছিল। সেই দুর্নীতি বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছিল

ফেব্রুয়ারি থেকেই। ইয়াঙ্গুনের আঞ্চলিক অডিটর জেনারেল অফিস বলেছে, এতে সরকার ৫.২ বিলিয়ন কিয়াত আয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

এর আগে তার বিরুদ্ধে প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরিচালনা আইন, আমদানি-রপ্তানি আইন, টেলিযোগাযোগ আইন এবং রাষ্ট্রদোহ আইনে মামলা করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন