অবশেষে ইসরাইলে বিরোধী জোটের চুক্তি স্বাক্ষর
jugantor
অবশেষে ইসরাইলে বিরোধী জোটের চুক্তি স্বাক্ষর

  যুগান্তর ডেস্ক  

১২ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ইসরাইলে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সরকারের বিদায় প্রায় নিশ্চিত। এরই মধ্যে আজ শুক্রবার দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ আট দলের সঙ্গে জোট গঠনে চুক্তি স্বাক্ষর সম্পন্ন করেছেন। চুক্তি অনুযায়ী আগামী রোববার দেশটির পার্লামেন্টে ১২০ আসনের মধ্যে ৬১ আসন পেলে সরকার গঠন করতে পারবে নতুন এ জোট এবং এদিনই ইসরাইলের নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তবে নতুন জোট ৬১ আসন পেতে ব্যর্থ হলে ইসরাইলে দুই বছরে পঞ্চমবারের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইসরাইলে ইয়েস আতিদ পার্টির চেয়ারম্যান ইয়ার লাপিদের নেতৃত্বে ৮ দল মিলে একটি জোট গঠন করেছেন।

চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম দুই বছর প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন ইয়ামিনা পার্টির নেতা নাফতালি বেনেট এরপর দায়িত্ব নেবেন ইয়েস আতিদ পার্টির চেয়ারম্যান ইয়ার লাপিদ। আগামী রোববার নতুন সরকার গঠন হলে দেশটিতে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ১২ বছরের শাসনের অবসান ঘটবে। সংসদে তিনি বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে থাকবেন বলে শোনা যাচ্ছে।

এদিকে মার্কিন কংগ্রেসওম্যান ইলহান ওমরের এক প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে (আইসিসি) আফগানিস্তানে যুদ্ধাপরাধ এবং ইসরাইলের যুদ্ধাপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতার কারণ কী? ইলহান ওমরের এমন প্রশ্নের পরই এই তোলপাড় শুরু হয়। এই প্রশ্নের কারণে নিজ দলেও প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে এই মুসলিম নারী আইনপ্রণেতাকে। খবর আলজাজিরার।

প্রতিনিধি পরিষদে তিন মুসলিম সদস্যের একজন ইলহান ওমর। ৭ জুন এক শুনানিতে তিনি বলেন, ইসরাইল ও হামাস দ্বারা সংগঠিত যুদ্ধাপরাধের ভুক্তভোগী যারা, যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা সত্ত্বেও তাদের অবশ্যই আইসিসিতে বিচার চাওয়া উচিত। জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আদালত এ ধরনের দাবিগুলোর ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত বিচারিক সহায়তা দিতে যথেষ্ট।

কিন্তু বিষয়টি সেখানেই শেষ হয়ে যায়নি। ইলহানের এ মন্তব্য নিয়ে তার দলের নেতারা তীব্র সমালোচনা করছেন। একই সঙ্গে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। ইলহান ওমরের করা প্রশ্নের দুদিন পর ডেমোক্র্যাট পার্টির ১১ ইহুদি সদস্য এক বিবৃতিতে বলেন, হামাস ও তালেবানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের তুলনা করা আপত্তিজনক।

অবশেষে ইসরাইলে বিরোধী জোটের চুক্তি স্বাক্ষর

 যুগান্তর ডেস্ক 
১২ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ইসরাইলে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সরকারের বিদায় প্রায় নিশ্চিত। এরই মধ্যে আজ শুক্রবার দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ আট দলের সঙ্গে জোট গঠনে চুক্তি স্বাক্ষর সম্পন্ন করেছেন। চুক্তি অনুযায়ী আগামী রোববার দেশটির পার্লামেন্টে ১২০ আসনের মধ্যে ৬১ আসন পেলে সরকার গঠন করতে পারবে নতুন এ জোট এবং এদিনই ইসরাইলের নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। তবে নতুন জোট ৬১ আসন পেতে ব্যর্থ হলে ইসরাইলে দুই বছরে পঞ্চমবারের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইসরাইলে ইয়েস আতিদ পার্টির চেয়ারম্যান ইয়ার লাপিদের নেতৃত্বে ৮ দল মিলে একটি জোট গঠন করেছেন।

চুক্তি অনুযায়ী, প্রথম দুই বছর প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন ইয়ামিনা পার্টির নেতা নাফতালি বেনেট এরপর দায়িত্ব নেবেন ইয়েস আতিদ পার্টির চেয়ারম্যান ইয়ার লাপিদ। আগামী রোববার নতুন সরকার গঠন হলে দেশটিতে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর ১২ বছরের শাসনের অবসান ঘটবে। সংসদে তিনি বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে থাকবেন বলে শোনা যাচ্ছে।

এদিকে মার্কিন কংগ্রেসওম্যান ইলহান ওমরের এক প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে (আইসিসি) আফগানিস্তানে যুদ্ধাপরাধ এবং ইসরাইলের যুদ্ধাপরাধের বিচারের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতার কারণ কী? ইলহান ওমরের এমন প্রশ্নের পরই এই তোলপাড় শুরু হয়। এই প্রশ্নের কারণে নিজ দলেও প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে এই মুসলিম নারী আইনপ্রণেতাকে। খবর আলজাজিরার।

প্রতিনিধি পরিষদে তিন মুসলিম সদস্যের একজন ইলহান ওমর। ৭ জুন এক শুনানিতে তিনি বলেন, ইসরাইল ও হামাস দ্বারা সংগঠিত যুদ্ধাপরাধের ভুক্তভোগী যারা, যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা সত্ত্বেও তাদের অবশ্যই আইসিসিতে বিচার চাওয়া উচিত। জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্থনি ব্লিঙ্কেন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের আদালত এ ধরনের দাবিগুলোর ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত বিচারিক সহায়তা দিতে যথেষ্ট।

কিন্তু বিষয়টি সেখানেই শেষ হয়ে যায়নি। ইলহানের এ মন্তব্য নিয়ে তার দলের নেতারা তীব্র সমালোচনা করছেন। একই সঙ্গে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। ইলহান ওমরের করা প্রশ্নের দুদিন পর ডেমোক্র্যাট পার্টির ১১ ইহুদি সদস্য এক বিবৃতিতে বলেন, হামাস ও তালেবানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের তুলনা করা আপত্তিজনক।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন