চীনের তিন নভোচারীর ঐতিহাসিক যাত্রা
jugantor
চীনের তিন নভোচারীর ঐতিহাসিক যাত্রা

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৮ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নতুন মহাকাশ স্টেশন নির্মাণের জন্য পৃথিবীর কক্ষপথে পাড়ি জমিয়েছেন তিন চীনা নভোচারী। বৃহস্পতিবার সকালে শেনঝু-১২ নামের একটি মহাকাশ যানে চড়ে রওয়ানা হন তারা। ঐতিহাসিক এই অভিযানে অংশ নেওয়া তিন নভোচারী হলেন- নিই হাইশেং, লিউ বোমিং ও তাং হংবো। তারা পৃথিবী থেকে ৩৮০ কিলোমিটার উপরে তিয়ানহে মডিউলে তিন মাস অবস্থান করবেন। খবর এএফপি ও রয়টার্সের। ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৮০ কিলোমিটার দূরে তিয়ানহে মডিউলের অবস্থান। বাসের চেয়ে সামান্য বড় আকারের ওই মডিউলে বিভিন্ন প্রযুক্তি ও কারিগরি দিকসহ জীবন রক্ষাকারী ব্যবস্থাগুলো পরীক্ষা করে দেখবেন নভোচারীরা। পাশাপাশি নতুন মহাকাশ স্টেশন নির্মাণের কাজও এগিয়ে নিবেন। তিন নভোচারীর মধ্যে হাইশেং এর আগেও মহাকাশযাত্রা করেছেন। ফলে তিনি কঠিন পরিস্থিতি সামলাতে বাকিদের দিকনির্দেশনা দিতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন তার সহকর্মীরা।

বেইজিংয়ের স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২২ মিনিটে চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় গানসু প্রদেশের জিউকুয়ান স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে যাত্রা শুরু করে শেনঝু-১২। চীনের মহাকাশ স্টেশন নির্মাণে যে ১১টি অভিযান পরিচালিত হওয়ার কথা, এর মধ্যে এটি তৃতীয়। স্টেশনটির নির্মাণ শুরু হয়েছে গত এপ্রিলে সবচেয়ে বড় মডিউল তিয়ানহে উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে। এরপর আরও দুটি মডিউল যুক্ত করা হবে। এবার চীনের তিন নভোচারী মহাকাশে দীর্ঘতম সময় অতিবাহিত করার রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন। অনেকদিন মহাকাশে অবস্থান করায় নভোচারীদের শারীরিক ও মানসিক কী ধরনের প্রতিক্রিয়া হয় এবং তারা কীভাবে সেখানে দিন পার করবেন, সেগুলোও পর্যবেক্ষণ করা হবে। কারণ পরবর্তী সময়ে আরেক অভিযানে নভোচারীদের অন্তত ৬ মাস মহাকাশে থাকতে হবে। তাই এবারের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে চান তারা।

২০০৩ সাল থেকে চীন এ পর্যন্ত নভোচারী বহনকারী ছয়টি মহাকাশ অভিযান পরিচালনা করেছে এবং ১১ জন নভোচারীকে মহাকাশে পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে ঝি ঝিংগ্যাং ২০০৮ সালে চীনের হয়ে প্রথম মহাকাশে পদচারণা করেন। শেনঝু-১২ পৃথিবীর কক্ষপথের উদ্দেশে রওয়ানা দেওয়ার আগের দিন নভোচারী হাইশেং সাংবাদিকদের বলেন, মহাকাশ স্টেশন নির্মাণ পর্যায়ে এটাই প্রথম নভোচারীবাহী অভিযান। তাই এটি একটি ঐতিহাসিক যাত্রা। তাং হংবো বলেন, আমি ১১ বছর অপেক্ষা করেছিলাম এবং অবশেষে আমি প্রস্তুত। আমি আমার দক্ষতা কাজে লাগাতে পারব বলে আশা করছি।

চীনের তিন নভোচারীর ঐতিহাসিক যাত্রা

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৮ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নতুন মহাকাশ স্টেশন নির্মাণের জন্য পৃথিবীর কক্ষপথে পাড়ি জমিয়েছেন তিন চীনা নভোচারী। বৃহস্পতিবার সকালে শেনঝু-১২ নামের একটি মহাকাশ যানে চড়ে রওয়ানা হন তারা। ঐতিহাসিক এই অভিযানে অংশ নেওয়া তিন নভোচারী হলেন- নিই হাইশেং, লিউ বোমিং ও তাং হংবো। তারা পৃথিবী থেকে ৩৮০ কিলোমিটার উপরে তিয়ানহে মডিউলে তিন মাস অবস্থান করবেন। খবর এএফপি ও রয়টার্সের। ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৮০ কিলোমিটার দূরে তিয়ানহে মডিউলের অবস্থান। বাসের চেয়ে সামান্য বড় আকারের ওই মডিউলে বিভিন্ন প্রযুক্তি ও কারিগরি দিকসহ জীবন রক্ষাকারী ব্যবস্থাগুলো পরীক্ষা করে দেখবেন নভোচারীরা। পাশাপাশি নতুন মহাকাশ স্টেশন নির্মাণের কাজও এগিয়ে নিবেন। তিন নভোচারীর মধ্যে হাইশেং এর আগেও মহাকাশযাত্রা করেছেন। ফলে তিনি কঠিন পরিস্থিতি সামলাতে বাকিদের দিকনির্দেশনা দিতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন তার সহকর্মীরা।

বেইজিংয়ের স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ২২ মিনিটে চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় গানসু প্রদেশের জিউকুয়ান স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে যাত্রা শুরু করে শেনঝু-১২। চীনের মহাকাশ স্টেশন নির্মাণে যে ১১টি অভিযান পরিচালিত হওয়ার কথা, এর মধ্যে এটি তৃতীয়। স্টেশনটির নির্মাণ শুরু হয়েছে গত এপ্রিলে সবচেয়ে বড় মডিউল তিয়ানহে উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে। এরপর আরও দুটি মডিউল যুক্ত করা হবে। এবার চীনের তিন নভোচারী মহাকাশে দীর্ঘতম সময় অতিবাহিত করার রেকর্ড গড়তে যাচ্ছেন। অনেকদিন মহাকাশে অবস্থান করায় নভোচারীদের শারীরিক ও মানসিক কী ধরনের প্রতিক্রিয়া হয় এবং তারা কীভাবে সেখানে দিন পার করবেন, সেগুলোও পর্যবেক্ষণ করা হবে। কারণ পরবর্তী সময়ে আরেক অভিযানে নভোচারীদের অন্তত ৬ মাস মহাকাশে থাকতে হবে। তাই এবারের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিতে চান তারা।

২০০৩ সাল থেকে চীন এ পর্যন্ত নভোচারী বহনকারী ছয়টি মহাকাশ অভিযান পরিচালনা করেছে এবং ১১ জন নভোচারীকে মহাকাশে পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে ঝি ঝিংগ্যাং ২০০৮ সালে চীনের হয়ে প্রথম মহাকাশে পদচারণা করেন। শেনঝু-১২ পৃথিবীর কক্ষপথের উদ্দেশে রওয়ানা দেওয়ার আগের দিন নভোচারী হাইশেং সাংবাদিকদের বলেন, মহাকাশ স্টেশন নির্মাণ পর্যায়ে এটাই প্রথম নভোচারীবাহী অভিযান। তাই এটি একটি ঐতিহাসিক যাত্রা। তাং হংবো বলেন, আমি ১১ বছর অপেক্ষা করেছিলাম এবং অবশেষে আমি প্রস্তুত। আমি আমার দক্ষতা কাজে লাগাতে পারব বলে আশা করছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন