যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ প্রস্তুতি কিমের
jugantor
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ প্রস্তুতি কিমের

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৯ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সর্বাত্মক যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। ওয়াশিংটনের নতুন প্রশাসনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নিতেও রাজি তিনি। বৃহস্পতিবার ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে পিয়ংইয়ংয়ে চলমান সপ্তাহব্যাপী বৈঠকে বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন কিম। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের উত্তর কোরিয়াবিষয়ক কৌশল নিয়ে এটাই কিমের প্রথম কোনো প্রতিক্রিয়া। সম্প্রতি বাইডেন প্রশাসন বলেছে, পিয়ংইয়ংকে পরমাণু অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি থেকে বিরত রাখতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি ‘বাস্তববাদী ও পরিমিত কর্মপদ্ধতি’ নিয়ে এগোবে তারা।

উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বরাবরই উত্তেজনায় ঠাসা। পরমাণু অস্ত্র তৈরিসহ নানা বিষয়ে বিরোধের জেরে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞার বেড়াজালে আটকে দেশটির অর্থনীতি ধসিয়ে দিয়েছে। পিয়ংইয়ংয়ে এ সপ্তাহে শুরু হওয়া বৈঠকে কিম তার দেশ খাদ্য সংকটে পড়ার কথা স্বীকার করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে কিমের সঙ্গে তার কথার লড়াই একদিকে যেমন যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল; তেমনি দুই নেতা উত্তর কোরিয়ার পরমাণু অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনার জন্য সিঙ্গাপুর এবং ভিয়েতনামে ঐতিহাসিক বৈঠক করেছিলেন। যদিও ওই দুই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে কোনো অগ্রগতি হয়নি। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে জো বাইডেন কিম জং উনকে ‘প্রতারক’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এপ্রিলে বাইডেন উত্তর কোরিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘মারাত্মক হুমকি’ হিসাবে উল্লেখ করেন। তবে বাইডেনের এসব মন্তব্যের ব্যাপারে তেমন কঠোর কোনো প্রতিক্রিয়া এতদিন দেখায়নি পিয়ংইয়ং। রয়টার্স জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার নিজ দল ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে ওই বৈঠকে বাইডেন প্রশাসনের উত্তর কোরিয়া নীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা এবং নিজের পর্যবেক্ষণ জানান কিম।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ প্রস্তুতি কিমের

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৯ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সর্বাত্মক যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। ওয়াশিংটনের নতুন প্রশাসনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নিতেও রাজি তিনি। বৃহস্পতিবার ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতাদের নিয়ে পিয়ংইয়ংয়ে চলমান সপ্তাহব্যাপী বৈঠকে বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন কিম। যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের উত্তর কোরিয়াবিষয়ক কৌশল নিয়ে এটাই কিমের প্রথম কোনো প্রতিক্রিয়া। সম্প্রতি বাইডেন প্রশাসন বলেছে, পিয়ংইয়ংকে পরমাণু অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি থেকে বিরত রাখতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পাশাপাশি ‘বাস্তববাদী ও পরিমিত কর্মপদ্ধতি’ নিয়ে এগোবে তারা।

উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বরাবরই উত্তেজনায় ঠাসা। পরমাণু অস্ত্র তৈরিসহ নানা বিষয়ে বিরোধের জেরে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞার বেড়াজালে আটকে দেশটির অর্থনীতি ধসিয়ে দিয়েছে। পিয়ংইয়ংয়ে এ সপ্তাহে শুরু হওয়া বৈঠকে কিম তার দেশ খাদ্য সংকটে পড়ার কথা স্বীকার করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে কিমের সঙ্গে তার কথার লড়াই একদিকে যেমন যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছিল; তেমনি দুই নেতা উত্তর কোরিয়ার পরমাণু অস্ত্র নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে আলোচনার জন্য সিঙ্গাপুর এবং ভিয়েতনামে ঐতিহাসিক বৈঠক করেছিলেন। যদিও ওই দুই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নে কোনো অগ্রগতি হয়নি। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে জো বাইডেন কিম জং উনকে ‘প্রতারক’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এপ্রিলে বাইডেন উত্তর কোরিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘মারাত্মক হুমকি’ হিসাবে উল্লেখ করেন। তবে বাইডেনের এসব মন্তব্যের ব্যাপারে তেমন কঠোর কোনো প্রতিক্রিয়া এতদিন দেখায়নি পিয়ংইয়ং। রয়টার্স জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার নিজ দল ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে ওই বৈঠকে বাইডেন প্রশাসনের উত্তর কোরিয়া নীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা এবং নিজের পর্যবেক্ষণ জানান কিম।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন