বিনা বিচারে ১৭ বছর কারাগারে
jugantor
বিনা বিচারে ১৭ বছর কারাগারে

  অনলাইন ডেস্ক  

২১ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের গুয়েন্তানামো বে কারাগার বন্দিদের ওপর অমানুষিক নির্যাতনের জন্য কুখ্যাত।এই কারাগারে বন্দিদের বিনা বিচারে আটক রাখা হয়।

তথ্য আদায়ের জন্য বন্দিদের ওপর চলে অমানুষিক নির্যাতন। ‘মর্ত্যরে নরক’ বলে খ্যাত এই কারাগারে ১৭ বছর বিনা বিচারে বন্দি রাখার পর দুই ইয়েমেনিকে সম্প্রতি মুক্তি দিয়েছে মার্কিন সরকার।

৯/১১ আক্রমণের পর ৪০ জন সন্দেহভাজনকে মানবাধিকারের ক্ষেত্রে ‘মার্কিনিদের লজ্জা’ হিসাবে অভিহিত কিউবার এ কারাগারে আটকে রাখা হয়।

সেই দলেই ছিলেন আলি হাজি আল শারকাওই (৪৭), এবং আব্দ আল-সালাম আল-হিলাল (৪৯)। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আল-কায়দার টুইন-টাওয়ার আক্রমণের পর সন্দেহভাজন হিসাবে ২০০২ সালে ‘যুদ্ধ-সন্ত্রাস’ আইনে তাদের বন্দি করা হয়েছিল।

পরে ২০০৪ সালে তথ্য আদায়ের জন্য গুয়েনতানামো বে কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। শারকাওইকে আল কায়দার সাবেক নেতা ওসামা বিন লাদেনের দেহরক্ষী সন্দেহ আটক করা হয়।

তার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ ছিল তিনি সংগঠনটির জন্য অর্থ সংগ্রহের দায়িত্বে ছিলেন। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের সিআইএ নিয়েও তাকে অনেক প্রশ্নের জবাব দিতে নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছিল। কিন্তু কখনোই তাকে বিচারের জন্য সেনা ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়নি।

বিনা বিচারে ১৭ বছর কারাগারে

 অনলাইন ডেস্ক 
২১ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের গুয়েন্তানামো বে কারাগার বন্দিদের ওপর অমানুষিক নির্যাতনের জন্য কুখ্যাত।এই কারাগারে বন্দিদের বিনা বিচারে আটক রাখা হয়।

তথ্য আদায়ের জন্য বন্দিদের ওপর চলে অমানুষিক নির্যাতন। ‘মর্ত্যরে নরক’ বলে খ্যাত এই কারাগারে ১৭ বছর বিনা বিচারে বন্দি রাখার পর দুই ইয়েমেনিকে সম্প্রতি মুক্তি দিয়েছে মার্কিন সরকার।

৯/১১ আক্রমণের পর ৪০ জন সন্দেহভাজনকে মানবাধিকারের ক্ষেত্রে ‘মার্কিনিদের লজ্জা’ হিসাবে অভিহিত কিউবার এ কারাগারে আটকে রাখা হয়।

সেই দলেই ছিলেন আলি হাজি আল শারকাওই (৪৭), এবং আব্দ আল-সালাম আল-হিলাল (৪৯)। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আল-কায়দার টুইন-টাওয়ার আক্রমণের পর সন্দেহভাজন হিসাবে ২০০২ সালে ‘যুদ্ধ-সন্ত্রাস’ আইনে তাদের বন্দি করা হয়েছিল।

পরে ২০০৪ সালে তথ্য আদায়ের জন্য গুয়েনতানামো বে কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। শারকাওইকে আল কায়দার সাবেক নেতা ওসামা বিন লাদেনের দেহরক্ষী সন্দেহ আটক করা হয়।

তার বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ ছিল তিনি সংগঠনটির জন্য অর্থ সংগ্রহের দায়িত্বে ছিলেন। শুধু তাই নয়, পাকিস্তানের সিআইএ নিয়েও তাকে অনেক প্রশ্নের জবাব দিতে নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছিল। কিন্তু কখনোই তাকে বিচারের জন্য সেনা ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন