পৃথিবীর নতুন আতঙ্ক দানবগর্ত (ভিডিও)
jugantor
পৃথিবীর নতুন আতঙ্ক দানবগর্ত (ভিডিও)

  সেলিম কামাল  

২৩ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হঠাৎই বিকট শব্দ। প্রচণ্ড কম্পন। তারপরই ঘটছে অবিশ্বাস্য ঘটনা। পায়ের তলার সমতলে পলকে ১০০ ফুট গর্ত। কোথাও কোথাও তারও বেশি। ঠিক যেন হরর ছবির দৃশ্য! গত কয়েক বছর ধরে বিশ্ব প্রকৃতিতে ঠিক এমনটাই ঘটছে। পৃথিবীর নতুন এই আতঙ্কের নাম ‘দানবগর্ত’।

বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন ‘সিঙ্কহোল’। ধর্মবিশ্বাসীরা বলছেন ‘দোজখের দরজা’। গত এক মাসে পরপর পাঁচ দেশে দানবাকৃতির গর্ত তৈরির পর নতুন আলোচনায় এসেছে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের উৎপত্তি ও কারণ। ঝড়-বৃষ্টি, ভূমিধসের মতোই বাড়ছে এই দানবগর্ত। রাস্তায়, খেলার মাঠে, খেতে, পুকুর বা সুইমিংপুলে কিংবা উন্মুক্ত প্রান্তরে যে কোনো সময় ঘটে যেতে পারে এমন প্রাকৃতিক বিপর্যয়।

সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় সিঙ্কহোলটি আবিষ্কৃত হয়েছে ৬ জুন। ইয়েমেনের আল মাহরা রাজ্যের মরুভূমি এলাকা বারহুতে। স্থানীয়রা এর নাম দিয়েছে ‘নরকের কুয়া’। ১০০ ফুট চওড়া এবং ২৫০ ফুট গভীর। প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হওয়া গর্তটি ইয়েমেনের তৎকালীন রাজধানীর সানা থেকে ৮০০ মাইল দূরে ওমান সীমান্তের কাছে। গর্তটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে গল্প আছে-দৈত্যদের জন্য তৈরি কারাগার এটি। আবার কেউ কেউ বলছেন, না, এটা নরকে যাওয়ার রাস্তার মুখ।

জানা গেছে, এলাকাভেদে এ দানবগর্তের আকার বা গভীরতায় রয়েছে ভিন্নতা। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় দানবগর্তের সন্ধান পাওয়া গেছে পশ্চিম সাইবেরিয়ায়। সেখানে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তৈরি হয়েছে এমন গর্ত। ২০২০ সালের আগস্টে এক গবেষকদলের চোখে পড়ে এটি।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, দানবগর্তের ইতিহাস হাজার বছরের পুরোনো। সেটি এখন আবার ফিরে এসেছে পৃথিবীতে। এর জন্যে প্রকৃতি নয়, মানুষই দায়ী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু সংকটের সরাসরি প্রভাবেই তৈরি হচ্ছে এসব দানবীয় গর্ত।

গেল বছর ডিসেম্বরে এক ভূমিকম্পের পর একশ’র বেশি সিঙ্কহোল তৈরি হয় ক্রোয়েশিয়ায়। গত এক মাসে তুরস্ক, ইতালি, মেক্সিকো, ইসরাইলের পর এবার ভারতেও তৈরি হয়েছে সিঙ্কহোল। ১৫ জুন মুম্বাইয়ের একটি গাড়ি পার্কিংয়ে হঠাৎ করে সিঙ্কহোল সৃষ্টি হয়।

ডুবে যায় পার্ক করা ঝা-চকচকে একটি গাড়ি। পরে সেটিকে ক্রেন দিয়ে টেনে তোলা হয়। ৭ জুন একই ঘটনা ঘটে ইসরাইলের জেরুজালেমের একটি হাসপাতালের পার্কিংয়ে। পরপর তিনটি গাড়ি পড়ে যায় বিরাট সেই দানবীয় গর্তে।

আমেরিকার জাতীয় কর্বেট মিউজিয়াম উদ্বোধন হয়েছিল ১৯৯৪ সালে। আমেরিকার স্পোর্টস কারগুলো রাখা হয়েছিল ওই মিউজিয়াম এলাকায়। ২০১৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তৈরি হওয়া এক দানবগর্তে তলিয়ে নিয়ে যায় ওই গাড়িগুলো। ওই গর্ত সারিয়ে ভবনটি পুনঃমেরামত সম্পন্ন হয় ২০১৫ সালের জুলাইয়ে।

পরের বছর ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বরে জাপানের ফুকুওকা শহরের পাঁচ লেনের একটি রাস্তা নিমিষেই ধসে পড়ল ১০০ ফুট চওড়া ও ৫০ ফুট গভীর একটি গর্তে। শুধু তাই নয়, মুহূর্তেই পানিতে ভেসে গেল পুরো সড়ক। কয়েক দিনের মধ্যে রাস্তাটি পুনঃমেরামত করার পরও সেটি কয়েক ইঞ্চি দেবে যায়।

সিলিফকি শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার পূর্বে তৈরি হওয়া সিঙ্কহোলটি বর্তমানে তুরস্কের পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। প্রাচীন এ দানবগর্তের বিস্তৃতি ছিল ৮০০ ফুটেরও বেশি এবং এর গভীরতা ছিল ২৫০ ফুটের মতো। স্থানীয় প্রাচীন প্রবাদ বলছে, খারাপ লোকদের ছুড়ে ফেলার জন্য তৈরি করা হয়েছে ওই গর্ত।

২০১৫ সালের এপ্রিল-জুন তিন মাসে পরপর তিনটি দানবীয় গর্তের সৃষ্টি হয় তুরস্কের কনিয়া প্রদেশের কারাপিনার গ্রামে। প্রতিটি গর্তেরই গভীরতা গড়ে ২৩০ ফুট করে। মধ্য আমেরিকার দেশ বেলিজে বহু আগে তৈরি হয়েছিল এক হাজার ফুট বিস্তৃত বিশাল আকারের গর্ত। স্থানীয়ভাবে এটিকে বলা হয় ‘গ্রেট ব্লু হোল’। এর গভীরতা ৪১০ ফুট। ১৯৭১ সালে এটিকে দেশটির অন্যতম ডাইভিংয়ের স্থান হিসাবে ঘোষণা করা হয়।

কেউ কেউ বলতে চান, প্রকৃতি নয়-মানুষই তৈরি করছে এ দানবগর্তগুলো। অ্যাসিডিক বৃষ্টির জল চুনাপাথরের পর্দাকে খেয়ে ফেলে এবং উপরিভাগে গহ্বর তৈরি করে। কখনো কখনো ধসের ফলে ভূপৃষ্ঠে যা কিছু থাকে তা টেনে নিয়ে যায়। ২০১৫ সালে গুয়েতেমালা শহরের একটি বিশাল সিঙ্কহোল কয়েক ডজন বাড়ি গিলে ফেলেছিল, মারা গিয়েছিল তিন ঘুমন্ত নাগরিক। ওই ঘটনার জন্য দায়ী করা হয় সুয়ারেজ লাইনের ত্রুটিকে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, কয়েক দশক এমনকি শতাব্দী লাগে একটি সিঙ্কহোল তৈরি হতে। ইউএসজিএস বলছে, ভূগর্ভস্থ পানি অথবা খনিজ উত্তোলন করা হলে মাটির অভ্যন্তরে ফাঁপা জায়গা তৈরি হয়। নিচের স্তরের মাটি যখন ভূমির উপরের চাপ নিতে পারে না তখনই ধসে পড়ে আর তৈরি হয় বিশালাকার গর্ত।

প্রকৃতিতে হঠাৎ সিঙ্কহোল তৈরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রকৃতির স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। আশঙ্কাজনক হারে তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে বেড়েছে খরা। কমেছে পানির স্তর। মাটি ক্ষয়, মিথেন গ্যাসের প্রভাব, অধিক হারে ভূগর্ভস্থ পানি ও খনিজ পদার্থ উত্তোলনও দায়ী। অপরিকল্পিত ভূগর্ভস্থ সুয়ারেজ লাইন বা মাটির নিচে নির্মাণ কাজকেই মনে করা হচ্ছে শহরে সিঙ্কহোল বৃদ্ধির কারণ।

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সিঙ্কহোল তৈরি হয় যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে। এর পরের অবস্থানেই তুরস্কের কোনিয়া। মাত্র এক বছরেই দ্বিগুণ হয়েছে দেশটির দানবগর্ত। চলতি বছরই সন্ধান মিলেছে ছয় শতাধিক সিঙ্কহোলের। চীন আর রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলেও বিশালাকার বেশ কিছু দানবগর্ত আছে।

পৃথিবীর নতুন আতঙ্ক দানবগর্ত (ভিডিও)

 সেলিম কামাল 
২৩ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

হঠাৎই বিকট শব্দ। প্রচণ্ড কম্পন। তারপরই ঘটছে অবিশ্বাস্য ঘটনা। পায়ের তলার সমতলে পলকে ১০০ ফুট গর্ত। কোথাও কোথাও তারও বেশি। ঠিক যেন হরর ছবির দৃশ্য! গত কয়েক বছর ধরে বিশ্ব প্রকৃতিতে ঠিক এমনটাই ঘটছে। পৃথিবীর নতুন এই আতঙ্কের নাম ‘দানবগর্ত’।

বিজ্ঞানীরা এর নাম দিয়েছেন ‘সিঙ্কহোল’। ধর্মবিশ্বাসীরা বলছেন ‘দোজখের দরজা’। গত এক মাসে পরপর পাঁচ দেশে দানবাকৃতির গর্ত তৈরির পর নতুন আলোচনায় এসেছে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের উৎপত্তি ও কারণ। ঝড়-বৃষ্টি, ভূমিধসের মতোই বাড়ছে এই দানবগর্ত। রাস্তায়, খেলার মাঠে, খেতে, পুকুর বা সুইমিংপুলে কিংবা উন্মুক্ত প্রান্তরে যে কোনো সময় ঘটে যেতে পারে এমন প্রাকৃতিক বিপর্যয়।

সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় সিঙ্কহোলটি আবিষ্কৃত হয়েছে ৬ জুন। ইয়েমেনের আল মাহরা রাজ্যের মরুভূমি এলাকা বারহুতে। স্থানীয়রা এর নাম দিয়েছে ‘নরকের কুয়া’। ১০০ ফুট চওড়া এবং ২৫০ ফুট গভীর। প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হওয়া গর্তটি ইয়েমেনের তৎকালীন রাজধানীর সানা থেকে ৮০০ মাইল দূরে ওমান সীমান্তের কাছে। গর্তটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে গল্প আছে-দৈত্যদের জন্য তৈরি কারাগার এটি। আবার কেউ কেউ বলছেন, না, এটা নরকে যাওয়ার রাস্তার মুখ।

জানা গেছে, এলাকাভেদে এ দানবগর্তের আকার বা গভীরতায় রয়েছে ভিন্নতা। এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় দানবগর্তের সন্ধান পাওয়া গেছে পশ্চিম সাইবেরিয়ায়। সেখানে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তৈরি হয়েছে এমন গর্ত। ২০২০ সালের আগস্টে এক গবেষকদলের চোখে পড়ে এটি।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, দানবগর্তের ইতিহাস হাজার বছরের পুরোনো। সেটি এখন আবার ফিরে এসেছে পৃথিবীতে। এর জন্যে প্রকৃতি নয়, মানুষই দায়ী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক উষ্ণতা ও জলবায়ু সংকটের সরাসরি প্রভাবেই তৈরি হচ্ছে এসব দানবীয় গর্ত।

গেল বছর ডিসেম্বরে এক ভূমিকম্পের পর একশ’র বেশি সিঙ্কহোল তৈরি হয় ক্রোয়েশিয়ায়। গত এক মাসে তুরস্ক, ইতালি, মেক্সিকো, ইসরাইলের পর এবার ভারতেও তৈরি হয়েছে সিঙ্কহোল। ১৫ জুন মুম্বাইয়ের একটি গাড়ি পার্কিংয়ে হঠাৎ করে সিঙ্কহোল সৃষ্টি হয়।

ডুবে যায় পার্ক করা ঝা-চকচকে একটি গাড়ি। পরে সেটিকে ক্রেন দিয়ে টেনে তোলা হয়। ৭ জুন একই ঘটনা ঘটে ইসরাইলের জেরুজালেমের একটি হাসপাতালের পার্কিংয়ে। পরপর তিনটি গাড়ি পড়ে যায় বিরাট সেই দানবীয় গর্তে।

আমেরিকার জাতীয় কর্বেট মিউজিয়াম উদ্বোধন হয়েছিল ১৯৯৪ সালে। আমেরিকার স্পোর্টস কারগুলো রাখা হয়েছিল ওই মিউজিয়াম এলাকায়। ২০১৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তৈরি হওয়া এক দানবগর্তে তলিয়ে নিয়ে যায় ওই গাড়িগুলো। ওই গর্ত সারিয়ে ভবনটি পুনঃমেরামত সম্পন্ন হয় ২০১৫ সালের জুলাইয়ে।

পরের বছর ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বরে জাপানের ফুকুওকা শহরের পাঁচ লেনের একটি রাস্তা নিমিষেই ধসে পড়ল ১০০ ফুট চওড়া ও ৫০ ফুট গভীর একটি গর্তে। শুধু তাই নয়, মুহূর্তেই পানিতে ভেসে গেল পুরো সড়ক। কয়েক দিনের মধ্যে রাস্তাটি পুনঃমেরামত করার পরও সেটি কয়েক ইঞ্চি দেবে যায়।

সিলিফকি শহর থেকে ২৫ কিলোমিটার পূর্বে তৈরি হওয়া সিঙ্কহোলটি বর্তমানে তুরস্কের পর্যটনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। প্রাচীন এ দানবগর্তের বিস্তৃতি ছিল ৮০০ ফুটেরও বেশি এবং এর গভীরতা ছিল ২৫০ ফুটের মতো। স্থানীয় প্রাচীন প্রবাদ বলছে, খারাপ লোকদের ছুড়ে ফেলার জন্য তৈরি করা হয়েছে ওই গর্ত।

২০১৫ সালের এপ্রিল-জুন তিন মাসে পরপর তিনটি দানবীয় গর্তের সৃষ্টি হয় তুরস্কের কনিয়া প্রদেশের কারাপিনার গ্রামে। প্রতিটি গর্তেরই গভীরতা গড়ে ২৩০ ফুট করে। মধ্য আমেরিকার দেশ বেলিজে বহু আগে তৈরি হয়েছিল এক হাজার ফুট বিস্তৃত বিশাল আকারের গর্ত। স্থানীয়ভাবে এটিকে বলা হয় ‘গ্রেট ব্লু হোল’। এর গভীরতা ৪১০ ফুট। ১৯৭১ সালে এটিকে দেশটির অন্যতম ডাইভিংয়ের স্থান হিসাবে ঘোষণা করা হয়।

কেউ কেউ বলতে চান, প্রকৃতি নয়-মানুষই তৈরি করছে এ দানবগর্তগুলো। অ্যাসিডিক বৃষ্টির জল চুনাপাথরের পর্দাকে খেয়ে ফেলে এবং উপরিভাগে গহ্বর তৈরি করে। কখনো কখনো ধসের ফলে ভূপৃষ্ঠে যা কিছু থাকে তা টেনে নিয়ে যায়। ২০১৫ সালে গুয়েতেমালা শহরের একটি বিশাল সিঙ্কহোল কয়েক ডজন বাড়ি গিলে ফেলেছিল, মারা গিয়েছিল তিন ঘুমন্ত নাগরিক। ওই ঘটনার জন্য দায়ী করা হয় সুয়ারেজ লাইনের ত্রুটিকে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, কয়েক দশক এমনকি শতাব্দী লাগে একটি সিঙ্কহোল তৈরি হতে। ইউএসজিএস বলছে, ভূগর্ভস্থ পানি অথবা খনিজ উত্তোলন করা হলে মাটির অভ্যন্তরে ফাঁপা জায়গা তৈরি হয়। নিচের স্তরের মাটি যখন ভূমির উপরের চাপ নিতে পারে না তখনই ধসে পড়ে আর তৈরি হয় বিশালাকার গর্ত।

প্রকৃতিতে হঠাৎ সিঙ্কহোল তৈরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক উষ্ণতার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে প্রকৃতির স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। আশঙ্কাজনক হারে তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে বেড়েছে খরা। কমেছে পানির স্তর। মাটি ক্ষয়, মিথেন গ্যাসের প্রভাব, অধিক হারে ভূগর্ভস্থ পানি ও খনিজ পদার্থ উত্তোলনও দায়ী। অপরিকল্পিত ভূগর্ভস্থ সুয়ারেজ লাইন বা মাটির নিচে নির্মাণ কাজকেই মনে করা হচ্ছে শহরে সিঙ্কহোল বৃদ্ধির কারণ।

বিশ্বে সবচেয়ে বেশি সিঙ্কহোল তৈরি হয় যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে। এর পরের অবস্থানেই তুরস্কের কোনিয়া। মাত্র এক বছরেই দ্বিগুণ হয়েছে দেশটির দানবগর্ত। চলতি বছরই সন্ধান মিলেছে ছয় শতাধিক সিঙ্কহোলের। চীন আর রাশিয়ার সাইবেরিয়া অঞ্চলেও বিশালাকার বেশ কিছু দানবগর্ত আছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন