১৪ মাস ধরে পাহাড়ে জঙ্গলে রাজা
jugantor
১৪ মাস ধরে পাহাড়ে জঙ্গলে রাজা

  অনলাইন ডেস্ক  

২৬ জুন ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাথায় বেসবল ক্যাপ। পরনে হাঁটু পর্যন্ত লম্বা ঐতিহ্যবাহী পোশাক। পিঠে ঝোলানো ব্যাগ। কয়েকজন সহচর নিয়ে এভাবেই সাপ আর জোঁকে পরিপূর্ণ একের পর এক জঙ্গল ও মাইলের পর মাইল পাহাড়ি পথ অতিক্রম করে চলেছেন। তিনি আর কেউ নন, ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক। করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে প্রজাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের সচেতন করছেন। উদ্বুদ্ধ করছেন করোনাবিধি পদক্ষেপ মেনে চলতে। শুধু তা-ই নয়, প্রত্যেকটি এলাকা থেকে ফিরে নিয়ম মেনে রাজধানীর একটি হোটেলে কোয়ারেন্টিনেও থাকছেন তিনি। রয়টার্স।

প্রতিবেশী ভারতে রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়েছে করোনা। চোখ রাঙাচ্ছেন ৭ লাখ নাগরিকের রাজ্য দেশ ভুটানেও। ভাইরাস জনগণের সুরক্ষায় কর্তৃপক্ষ যেসব নির্দেশনা দিয়েছে তার বাস্তবায়ন ঠিকঠাক হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করতে বেরিয়েছেন রাজা। এভাবে গত ১৪ মাস ধরে কখনো হেঁটে, কখনো গাড়িতে চড়ে আবার কোথাও কোথাও ঘোড়ায় চেপে দেশের এমাথা-ওমাথা চষে বেড়াচ্ছেন। ৪১ বছর বয়সি রাজার এ পরিশ্রম বৃথা যায়নি। দেশের পরিস্থিতিই তার সাক্ষ্য দিচ্ছে। চীন আর ভারতের মাঝে থাকা হিমালয়ের পাদদেশের ছোট্ট ভূখণ্ডটিতে করোনা তেমন সুবিধা করতে পারেনি। সংক্রমণ দুই হাজার ছাড়ালেও মৃত্যু হয়েছে মাত্র একজনের। এ ক্ষেত্রে রাজার অবদানই যে বেশি সে কথাই বলছিলেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং। তিনি বলেন, ‘জনগণকে মহামারি নিয়ে সতর্ক করতে রাজা যখন মাইলের পর মাইল সফর করছেন, দরজায় কড়া নাড়ছেন, তখন মানুষও তার কথা গুরুত্বসহকারে নিচ্ছে। জনগণের জন্য নির্দেশনা জারি করার তুলনায় তার উপস্থিতি বেশ শক্তিশালী বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।’ মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যে তারা একা নয়, রাজার উপস্থিতি তাদেরকে আশ্বস্ত করছে, বলেছেন তিনি। লোটে শেরিং নিজেও চিকিৎসক।

১৪ মাস ধরে পাহাড়ে জঙ্গলে রাজা

 অনলাইন ডেস্ক 
২৬ জুন ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

মাথায় বেসবল ক্যাপ। পরনে হাঁটু পর্যন্ত লম্বা ঐতিহ্যবাহী পোশাক। পিঠে ঝোলানো ব্যাগ। কয়েকজন সহচর নিয়ে এভাবেই সাপ আর জোঁকে পরিপূর্ণ একের পর এক জঙ্গল ও মাইলের পর মাইল পাহাড়ি পথ অতিক্রম করে চলেছেন। তিনি আর কেউ নন, ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক। করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে প্রজাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের সচেতন করছেন। উদ্বুদ্ধ করছেন করোনাবিধি পদক্ষেপ মেনে চলতে। শুধু তা-ই নয়, প্রত্যেকটি এলাকা থেকে ফিরে নিয়ম মেনে রাজধানীর একটি হোটেলে কোয়ারেন্টিনেও থাকছেন তিনি। রয়টার্স।

প্রতিবেশী ভারতে রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়েছে করোনা। চোখ রাঙাচ্ছেন ৭ লাখ নাগরিকের রাজ্য দেশ ভুটানেও। ভাইরাস জনগণের সুরক্ষায় কর্তৃপক্ষ যেসব নির্দেশনা দিয়েছে তার বাস্তবায়ন ঠিকঠাক হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করতে বেরিয়েছেন রাজা। এভাবে গত ১৪ মাস ধরে কখনো হেঁটে, কখনো গাড়িতে চড়ে আবার কোথাও কোথাও ঘোড়ায় চেপে দেশের এমাথা-ওমাথা চষে বেড়াচ্ছেন। ৪১ বছর বয়সি রাজার এ পরিশ্রম বৃথা যায়নি। দেশের পরিস্থিতিই তার সাক্ষ্য দিচ্ছে। চীন আর ভারতের মাঝে থাকা হিমালয়ের পাদদেশের ছোট্ট ভূখণ্ডটিতে করোনা তেমন সুবিধা করতে পারেনি। সংক্রমণ দুই হাজার ছাড়ালেও মৃত্যু হয়েছে মাত্র একজনের। এ ক্ষেত্রে রাজার অবদানই যে বেশি সে কথাই বলছিলেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং। তিনি বলেন, ‘জনগণকে মহামারি নিয়ে সতর্ক করতে রাজা যখন মাইলের পর মাইল সফর করছেন, দরজায় কড়া নাড়ছেন, তখন মানুষও তার কথা গুরুত্বসহকারে নিচ্ছে। জনগণের জন্য নির্দেশনা জারি করার তুলনায় তার উপস্থিতি বেশ শক্তিশালী বলে প্রতীয়মান হচ্ছে।’ মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যে তারা একা নয়, রাজার উপস্থিতি তাদেরকে আশ্বস্ত করছে, বলেছেন তিনি। লোটে শেরিং নিজেও চিকিৎসক।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন