‘হত্যার সময় নিরাপত্তাকর্মীরা আসেনি’
jugantor
‘হত্যার সময় নিরাপত্তাকর্মীরা আসেনি’

   

০৪ আগস্ট ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

‘নিরাপত্তাকর্মীরা আসছেন, এই আশা বুকে নিয়েই খুন হন হাইতির প্রেসিডেন্ট। কারণ সেখানে ৩০ থেকে ৫০ জন নিরাপত্তারক্ষীর থাকার কথা ছিল। কেন এই নিরাপত্তা বিপর্যয় হলো, সে ব্যাপারে হাইতি কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। হত্যার আগে কারও সঙ্গে ফোনে কথা বলেন আততায়ীরা।’ রোববার যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে প্রথমবারের মতো হত্যাদৃশ্যের বর্ণনা দিলেন প্রত্যক্ষদর্শী স্ত্রী। ৭ জুলাই নিজ বাসভবনে খুন হন হাইতির প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মইস। তখন তার স্ত্রী মার্টিন ছাড়া আর কেউ ছিলেন না। পরে স্বামীর মরদেগের পাশ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে দক্ষিণ ফ্লোরিডায় অবস্থান করা মার্টিন বলেন, ‘কেউ একজন নির্দেশ দিয়েছিল, অর্থ দিয়েছিল। তাদের আমরা খুঁজছি। আমি এসব লোককে খুঁজে বের করতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সহায়তা চাই।’

‘হত্যার সময় নিরাপত্তাকর্মীরা আসেনি’

  
০৪ আগস্ট ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

‘নিরাপত্তাকর্মীরা আসছেন, এই আশা বুকে নিয়েই খুন হন হাইতির প্রেসিডেন্ট। কারণ সেখানে ৩০ থেকে ৫০ জন নিরাপত্তারক্ষীর থাকার কথা ছিল। কেন এই নিরাপত্তা বিপর্যয় হলো, সে ব্যাপারে হাইতি কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি। হত্যার আগে কারও সঙ্গে ফোনে কথা বলেন আততায়ীরা।’ রোববার যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে প্রথমবারের মতো হত্যাদৃশ্যের বর্ণনা দিলেন প্রত্যক্ষদর্শী স্ত্রী। ৭ জুলাই নিজ বাসভবনে খুন হন হাইতির প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মইস। তখন তার স্ত্রী মার্টিন ছাড়া আর কেউ ছিলেন না। পরে স্বামীর মরদেগের পাশ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে দক্ষিণ ফ্লোরিডায় অবস্থান করা মার্টিন বলেন, ‘কেউ একজন নির্দেশ দিয়েছিল, অর্থ দিয়েছিল। তাদের আমরা খুঁজছি। আমি এসব লোককে খুঁজে বের করতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সহায়তা চাই।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন