দরিদ্র দেশ বাঁচাতে বুস্টার ডোজ বন্ধের আহ্বান
jugantor
দরিদ্র দেশ বাঁচাতে বুস্টার ডোজ বন্ধের আহ্বান

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৬ আগস্ট ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আগামী সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত করোনার টিকার বুস্টার ডোজ প্রদান স্থগিত রাখার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। মহামারিপীড়িত দরিদ্র দেশগুলোর মানুষও যাতে টিকা পায় সেজন্য ধনী দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংস্থাটির পরিচালক ড. তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস। বুধবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বুস্টার ডোজ দেওয়া স্থগিত করা হলে বিশ্বের প্রতিটি দেশের অন্তত ১০ শতাংশ মানুষকে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে। এদিকে করোনা নিয়ে আরও ভয়ংকর তথ্য দিয়েছেন জাপানি বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, করোনার ভারতীয় ধরন ডেল্টা ও ডেল্টা প্লাসের চেয়েও আরও বেশি সংক্রামক করোনার আরেক ধরন ল্যামডা। ভ্যাকসিন নেওয়ার পরও টিকে থাকতে ও সংক্রমণে বিস্তার ঘটাতে পারে ভাইরাসটি। গত সপ্তাহে (২৮ জুলাই) টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণাপত্রে এ আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। গবেষণাটি নিয়ে এখনো আলোচনা ও পর্যালোচনা চলছে। লাতিন আমেরিকার পেরুতে প্রথম শনাক্ত হয় ল্যামডা। এখন উত্তর আমেরিকাতেও ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দাবি, এখন পর্যন্ত ২৯টি দেশে এ নতুন ধরনের ভাইরাস মিলেছে। বিবিসি ও নিউজউইক।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধের লক্ষ্যে একজন ব্যক্তিতে সাধারণত দুই ডোজ টিকা দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তবে সম্প্রতি ইসরাইল এবং জার্মানিসহ বেশ কয়েকটি দেশ তাদের নাগরিকদের অতিরিক্ত আরও এক ডোজ তথা তৃতীয় ডোজ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। দুইয়ের অধিক ডোজকেই বুস্টার ডোজ বলা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে টিকাদানে দরিদ্র দেশগুলোর পিছিয়ে পড়ার বিষয়টি সামনে আনলেন তেদ্রোস। তিনি বলেন, ‘যখন কোটি কোটি মানুষ প্রথম ডোজের জন্যই অপেক্ষায় আছেন, তখন কিছু ধনী দেশ বুস্টার ডোজ দিতে যাচ্ছে।’ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার টার্গেট, আগামী মাসের মধ্যে প্রত্যেক দেশে ১০ শতাংশ মানুষের টিকা নিশ্চিত করা। কিন্তু বর্তমানে টিকাদানের গতি বিবেচনায় তা হয়তো সম্ভব হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। আফ্রিকার হাইতি এবং ডিআর কঙ্গোর কোনো মানুষই এ পর্যন্ত টিকার দুটি ডোজ পায়নি। ইন্দোনেশিয়াতে ডেল্টার কারণে সংক্রমণ বাড়লেও মাত্র ৭.৯ শতাংশ মানুষ টিকার দুটি ডোজ পেয়েছেন।

মহামারিতে সবচেয়ে খারাপ দিন দেখল সিডনি : টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে লকডাউন চলছে। এর মধ্যেও ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিস্তার রোধে হিমশিম খাচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি। এবার একদিনে পাঁচ মৃত্যু ও রেকর্ড রোগী শনাক্তের খবর দিল শহরটি। বৃহস্পতিবার নিউ সাউথ ওয়েলসের এ রাজধানী নতুন ২৫৯ জনের দেহে প্রাণঘাতী ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়ার কথা জানায়। রয়টার্স।

দরিদ্র দেশ বাঁচাতে বুস্টার ডোজ বন্ধের আহ্বান

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৬ আগস্ট ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আগামী সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত করোনার টিকার বুস্টার ডোজ প্রদান স্থগিত রাখার আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। মহামারিপীড়িত দরিদ্র দেশগুলোর মানুষও যাতে টিকা পায় সেজন্য ধনী দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংস্থাটির পরিচালক ড. তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস। বুধবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বুস্টার ডোজ দেওয়া স্থগিত করা হলে বিশ্বের প্রতিটি দেশের অন্তত ১০ শতাংশ মানুষকে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে। এদিকে করোনা নিয়ে আরও ভয়ংকর তথ্য দিয়েছেন জাপানি বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, করোনার ভারতীয় ধরন ডেল্টা ও ডেল্টা প্লাসের চেয়েও আরও বেশি সংক্রামক করোনার আরেক ধরন ল্যামডা। ভ্যাকসিন নেওয়ার পরও টিকে থাকতে ও সংক্রমণে বিস্তার ঘটাতে পারে ভাইরাসটি। গত সপ্তাহে (২৮ জুলাই) টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণাপত্রে এ আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। গবেষণাটি নিয়ে এখনো আলোচনা ও পর্যালোচনা চলছে। লাতিন আমেরিকার পেরুতে প্রথম শনাক্ত হয় ল্যামডা। এখন উত্তর আমেরিকাতেও ছড়িয়ে পড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দাবি, এখন পর্যন্ত ২৯টি দেশে এ নতুন ধরনের ভাইরাস মিলেছে। বিবিসি ও নিউজউইক।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধের লক্ষ্যে একজন ব্যক্তিতে সাধারণত দুই ডোজ টিকা দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তবে সম্প্রতি ইসরাইল এবং জার্মানিসহ বেশ কয়েকটি দেশ তাদের নাগরিকদের অতিরিক্ত আরও এক ডোজ তথা তৃতীয় ডোজ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। দুইয়ের অধিক ডোজকেই বুস্টার ডোজ বলা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে টিকাদানে দরিদ্র দেশগুলোর পিছিয়ে পড়ার বিষয়টি সামনে আনলেন তেদ্রোস। তিনি বলেন, ‘যখন কোটি কোটি মানুষ প্রথম ডোজের জন্যই অপেক্ষায় আছেন, তখন কিছু ধনী দেশ বুস্টার ডোজ দিতে যাচ্ছে।’ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার টার্গেট, আগামী মাসের মধ্যে প্রত্যেক দেশে ১০ শতাংশ মানুষের টিকা নিশ্চিত করা। কিন্তু বর্তমানে টিকাদানের গতি বিবেচনায় তা হয়তো সম্ভব হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। আফ্রিকার হাইতি এবং ডিআর কঙ্গোর কোনো মানুষই এ পর্যন্ত টিকার দুটি ডোজ পায়নি। ইন্দোনেশিয়াতে ডেল্টার কারণে সংক্রমণ বাড়লেও মাত্র ৭.৯ শতাংশ মানুষ টিকার দুটি ডোজ পেয়েছেন।

মহামারিতে সবচেয়ে খারাপ দিন দেখল সিডনি : টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে লকডাউন চলছে। এর মধ্যেও ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের বিস্তার রোধে হিমশিম খাচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি। এবার একদিনে পাঁচ মৃত্যু ও রেকর্ড রোগী শনাক্তের খবর দিল শহরটি। বৃহস্পতিবার নিউ সাউথ ওয়েলসের এ রাজধানী নতুন ২৫৯ জনের দেহে প্রাণঘাতী ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়ার কথা জানায়। রয়টার্স।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন