অবসর নিচ্ছেন ‘ক্রাইসিস ম্যানেজার’
jugantor
জার্মানিতে মার্কেল যুগের অবসান
অবসর নিচ্ছেন ‘ক্রাইসিস ম্যানেজার’
বিজ্ঞানী থেকে বিশ্বনেতা মার্কেল রাজনীতির মাঠে আর মাত্র ৩ মাস * ১৬ বছর ধরে জার্মানির চ্যান্সেলর, ২০০৫ সাল থেকে দ্বায়িত্ব শুরু * বিশ্বযুদ্ধোত্তর নেতাদের মধ্যে শুধু হেলমুট কোলের চেয়ে পিছিয়ে। ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পারলে তাকেও ছাড়িয়ে যাবে * পাঁচ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, চার ফরাসি প্রেসিডেন্ট, সাত ইতালীয় প্রধানমন্ত্রী ও চার মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

একবার নয়, দুবার নয়। পরপর ১০ বার খ্যাতনামা মার্কিন ম্যাগাজিন ফোর্বসের বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী নারীর স্বীকৃতি তার ঝুলিতে। তিনি আর কেউ নন, তিনি আঞ্জেলা মার্কেল। টানা ১৬ বছর ধরে জার্মানির চ্যান্সেলর হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। কাঁপাচ্ছেন বিশ্ব রাজনীতির মাঠ। কিন্তু বেশিদিন আর দেখা যাবে না ইউরোপের এই ‘ক্রাইসিস ম্যানেজার’কে। খুব জোর মাত্র ৩ মাস। এরপরই অবসরে চলে যাবেন। চলতি মাসের শেষের দিকে জার্মানিতে সাধারণ নির্বাচন। কিন্তু আর নির্বাচন করবেন না বলে ইতোমধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন মার্কেল। ক্ষমতাসীন দল সিডিইউর চেয়ারম্যান আরমিন লাশেট বা বিরোধী রাজনীতিক ওলাফ শলৎস তার উত্তরসূরি হতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। যার মধ্যদিয়ে শেষ হতে যাচ্ছে ‘মার্কেল যুগ’। ২০০৫ সাল থেকে জার্মানির চ্যান্সেলর মার্কেল। রাজনৈতিক জীবনে নানাবিধ সমস্যা সমাধানে তার মানসিক দৃঢ়তা, দূরদর্শিতা, আত্মবিশ্বাস, ইতিবাচক মনোভাবের মতো অসামান্য নেতৃত্বের গুণাবলির প্রকাশ ঘটেছে। বিশেষ করে বৈশ্বিক নানা সংকটের মুহূর্তে যা তাকে শুধু জার্মানির সর্বাধিক সফল নেতাই করেনি, সমগ্র বিশ্বের নেতা হিসাবে আসন দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, একজন পেশাজীবী রাজনীতিক হিসাবে নিজের রাজনৈতিক জীবনে মার্কেল বিশ্বকে যতটা দেখেছেন, কাজ করেছেন ও প্রভাব ফেলেছেন, সমসাময়িক আর কোনো নেতার পক্ষেই সম্ভব হয়নি। এজন্য প্রায়ই তাকে ‘ক্রাইসিস ম্যানেজার’ হিসাবে অভিহিত করা হয়।

মার্কেলের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ইতোমধ্যে ‘ইতিহাস’। গণতান্ত্রিক জার্মানির দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর নেতাদের মধ্যে শুধু হেলমুট কোলের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছেন তিনি। ১৯৮২ সাল থেকে ৯৮ সাল পর্যন্ত দেশের নেতৃত্ব দেন হেলমুট। ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পারলে তাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারেন মার্কেল। চলতি মাসেই (২৬ সেপ্টেম্বর) জার্মানির জাতীয় নির্বাচন। ১৭ ডিসেম্বর পরবর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার আগ পর্যন্ত তার দায়িত্ব পালন করার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে অবসরে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন ৬৭ বছর বয়সি মার্কেল।

১৯৫৪ সালে জার্মানির হামবুর্গ শহরে জন্ম নেন মার্কেল। তার পিতা হাস্ট কাসন ছিলেন শহরের একটি গির্জার ধর্মযাজক। তার জন্মের ৬ সপ্তাহ পর অন্য অনেক জার্মান পরিবারের মতো নিজ পরিবারকে নিয়ে সোভিয়েত-নিয়ন্ত্রিত পূর্ব জার্মানিতে চলে আসেন কাসন। মাধ্যমিক শিক্ষা সফলভাবে সমাপনের পর কার্ল মার্কস বিশ্ববিদ্যালয়ে (বর্তমান লিপজিপ বিশ্ববিদ্যালয়) পদার্থবিদ্যায় উচ্চশিক্ষা নেন মার্কেল। অর্জন করেন ডক্টরেট ডিগ্রিও। এরপর একজন বিজ্ঞানী হিসাবে নিজের পেশাজীবন শুরু করেন। একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কোয়ান্টাম কেমিস্ট হিসাবে ১৯৮৯ সালে বার্লিন দেওয়াল পতনের আগ পর্যন্ত একটি গবেষণা কেন্দ্রে কাজ করেন তিনি। এ সময় তার বয়স মাত্র ৩৫ বছর। ১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীরের পতনের পর জার্মানিতে ৪০ বছরের কমিউনিস্ট শাসনের সমাপ্তি ঘটে। ঐতিহাসিক এ রাজনৈতিক পটপরিবর্তনই মার্কেলকে বিজ্ঞানীর পেশা ছেড়ে রাজনীতির ময়দানে টেনে আনে।

১৯৯০ সালে দুই জার্মানি একত্র হওয়ার পর প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নেন এবং বাজিমাত করেন মার্কেল। এমপি নির্বাচিত হয়ে বসেন সংসদে। নারী, যুব এবং পরিবেশ মন্ত্রণালয় ছাড়াও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০০৫ সালে প্রথমবারের মতো জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন। এর মধ্যদিয়ে প্রথম নারী চ্যান্সেলর হিসাবেও ইতিহাসে নাম লেখান। এছাড়া ইউরোজোনের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায়ও কূটনৈতিকভাবে তিনি দক্ষ। বর্তমানে চতুর্থ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

দায়িত্ব পালনকালে পাঁচ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে দেখেছেন মার্কেল। দেখেছেন চার ফরাসি প্রেসিডেন্ট, সাত ইতালীয় প্রধানমন্ত্রীকে। বাইডেন চতুর্থ মার্কিন প্রেসিডেন্ট, যার মার্কেলের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা হবে। এ সময় জাপানেও পালাবদল হয়েছে আট প্রধানমন্ত্রীর। বিশ্বের অনেক নেতা এসেছেন আবার চলেও গেছেন। কিন্তু জার্মানির মার্কেল বহাল তবিয়তেই ছিলেন। মার্কেল প্রথমবার যখন ক্রিস্টিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টির (সিডিইউ) নেতা নির্বাচিত হন, তখন অনেকেই তাকে খুব একটা পাত্তা দেননি। এমনকি ২০০৫ সালে প্রথমবার যখন চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন, তখন অনেকেই তাকে ‘অস্থায়ী’ নেতা হিসাবেই দেখেছিলেন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, নিজের সহজ-সরল জীবন, ব্যক্তিত্ব, আত্মবিশ্বাস ও ইতিবাচক মনোভাবের মতো অসাধারণ সব নেতৃত্ব গুণে ১৮ বছর ধরে দল সামলেছেন তিনি। চলতি বছরের শুরুর দিকেই জার্মানির ক্ষমতাসীন দল ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নের (সিডিইউ) নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আরমিন লাশেট (৫৯)। চ্যান্সেলর মার্কেলের অনুসারী হিসাবে পরিচিত এই নেতা বর্তমানে দেশটির সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য নর্থ রাইন ওয়েস্টফালিয়ার মুখ্যমন্ত্রী। আগামীদিনে তিনিই মার্কেলের উত্তরসূরি হিসাবে জার্মানির ঝাণ্ডা উড়াবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

জার্মানিতে মার্কেল যুগের অবসান

অবসর নিচ্ছেন ‘ক্রাইসিস ম্যানেজার’

বিজ্ঞানী থেকে বিশ্বনেতা মার্কেল রাজনীতির মাঠে আর মাত্র ৩ মাস * ১৬ বছর ধরে জার্মানির চ্যান্সেলর, ২০০৫ সাল থেকে দ্বায়িত্ব শুরু * বিশ্বযুদ্ধোত্তর নেতাদের মধ্যে শুধু হেলমুট কোলের চেয়ে পিছিয়ে। ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পারলে তাকেও ছাড়িয়ে যাবে * পাঁচ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, চার ফরাসি প্রেসিডেন্ট, সাত ইতালীয় প্রধানমন্ত্রী ও চার মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা
 যুগান্তর ডেস্ক 
০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

একবার নয়, দুবার নয়। পরপর ১০ বার খ্যাতনামা মার্কিন ম্যাগাজিন ফোর্বসের বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী নারীর স্বীকৃতি তার ঝুলিতে। তিনি আর কেউ নন, তিনি আঞ্জেলা মার্কেল। টানা ১৬ বছর ধরে জার্মানির চ্যান্সেলর হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। কাঁপাচ্ছেন বিশ্ব রাজনীতির মাঠ। কিন্তু বেশিদিন আর দেখা যাবে না ইউরোপের এই ‘ক্রাইসিস ম্যানেজার’কে। খুব জোর মাত্র ৩ মাস। এরপরই অবসরে চলে যাবেন। চলতি মাসের শেষের দিকে জার্মানিতে সাধারণ নির্বাচন। কিন্তু আর নির্বাচন করবেন না বলে ইতোমধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন মার্কেল। ক্ষমতাসীন দল সিডিইউর চেয়ারম্যান আরমিন লাশেট বা বিরোধী রাজনীতিক ওলাফ শলৎস তার উত্তরসূরি হতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। যার মধ্যদিয়ে শেষ হতে যাচ্ছে ‘মার্কেল যুগ’। ২০০৫ সাল থেকে জার্মানির চ্যান্সেলর মার্কেল। রাজনৈতিক জীবনে নানাবিধ সমস্যা সমাধানে তার মানসিক দৃঢ়তা, দূরদর্শিতা, আত্মবিশ্বাস, ইতিবাচক মনোভাবের মতো অসামান্য নেতৃত্বের গুণাবলির প্রকাশ ঘটেছে। বিশেষ করে বৈশ্বিক নানা সংকটের মুহূর্তে যা তাকে শুধু জার্মানির সর্বাধিক সফল নেতাই করেনি, সমগ্র বিশ্বের নেতা হিসাবে আসন দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, একজন পেশাজীবী রাজনীতিক হিসাবে নিজের রাজনৈতিক জীবনে মার্কেল বিশ্বকে যতটা দেখেছেন, কাজ করেছেন ও প্রভাব ফেলেছেন, সমসাময়িক আর কোনো নেতার পক্ষেই সম্ভব হয়নি। এজন্য প্রায়ই তাকে ‘ক্রাইসিস ম্যানেজার’ হিসাবে অভিহিত করা হয়।

মার্কেলের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ইতোমধ্যে ‘ইতিহাস’। গণতান্ত্রিক জার্মানির দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর নেতাদের মধ্যে শুধু হেলমুট কোলের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছেন তিনি। ১৯৮২ সাল থেকে ৯৮ সাল পর্যন্ত দেশের নেতৃত্ব দেন হেলমুট। ১৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকতে পারলে তাকেও ছাড়িয়ে যেতে পারেন মার্কেল। চলতি মাসেই (২৬ সেপ্টেম্বর) জার্মানির জাতীয় নির্বাচন। ১৭ ডিসেম্বর পরবর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার আগ পর্যন্ত তার দায়িত্ব পালন করার কথা রয়েছে। ইতোমধ্যে অবসরে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন ৬৭ বছর বয়সি মার্কেল।

১৯৫৪ সালে জার্মানির হামবুর্গ শহরে জন্ম নেন মার্কেল। তার পিতা হাস্ট কাসন ছিলেন শহরের একটি গির্জার ধর্মযাজক। তার জন্মের ৬ সপ্তাহ পর অন্য অনেক জার্মান পরিবারের মতো নিজ পরিবারকে নিয়ে সোভিয়েত-নিয়ন্ত্রিত পূর্ব জার্মানিতে চলে আসেন কাসন। মাধ্যমিক শিক্ষা সফলভাবে সমাপনের পর কার্ল মার্কস বিশ্ববিদ্যালয়ে (বর্তমান লিপজিপ বিশ্ববিদ্যালয়) পদার্থবিদ্যায় উচ্চশিক্ষা নেন মার্কেল। অর্জন করেন ডক্টরেট ডিগ্রিও। এরপর একজন বিজ্ঞানী হিসাবে নিজের পেশাজীবন শুরু করেন। একজন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কোয়ান্টাম কেমিস্ট হিসাবে ১৯৮৯ সালে বার্লিন দেওয়াল পতনের আগ পর্যন্ত একটি গবেষণা কেন্দ্রে কাজ করেন তিনি। এ সময় তার বয়স মাত্র ৩৫ বছর। ১৯৮৯ সালে বার্লিন প্রাচীরের পতনের পর জার্মানিতে ৪০ বছরের কমিউনিস্ট শাসনের সমাপ্তি ঘটে। ঐতিহাসিক এ রাজনৈতিক পটপরিবর্তনই মার্কেলকে বিজ্ঞানীর পেশা ছেড়ে রাজনীতির ময়দানে টেনে আনে।

১৯৯০ সালে দুই জার্মানি একত্র হওয়ার পর প্রথমবার নির্বাচনে অংশ নেন এবং বাজিমাত করেন মার্কেল। এমপি নির্বাচিত হয়ে বসেন সংসদে। নারী, যুব এবং পরিবেশ মন্ত্রণালয় ছাড়াও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০০৫ সালে প্রথমবারের মতো জার্মানির চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন। এর মধ্যদিয়ে প্রথম নারী চ্যান্সেলর হিসাবেও ইতিহাসে নাম লেখান। এছাড়া ইউরোজোনের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায়ও কূটনৈতিকভাবে তিনি দক্ষ। বর্তমানে চতুর্থ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

দায়িত্ব পালনকালে পাঁচ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে দেখেছেন মার্কেল। দেখেছেন চার ফরাসি প্রেসিডেন্ট, সাত ইতালীয় প্রধানমন্ত্রীকে। বাইডেন চতুর্থ মার্কিন প্রেসিডেন্ট, যার মার্কেলের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা হবে। এ সময় জাপানেও পালাবদল হয়েছে আট প্রধানমন্ত্রীর। বিশ্বের অনেক নেতা এসেছেন আবার চলেও গেছেন। কিন্তু জার্মানির মার্কেল বহাল তবিয়তেই ছিলেন। মার্কেল প্রথমবার যখন ক্রিস্টিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টির (সিডিইউ) নেতা নির্বাচিত হন, তখন অনেকেই তাকে খুব একটা পাত্তা দেননি। এমনকি ২০০৫ সালে প্রথমবার যখন চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন, তখন অনেকেই তাকে ‘অস্থায়ী’ নেতা হিসাবেই দেখেছিলেন। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, নিজের সহজ-সরল জীবন, ব্যক্তিত্ব, আত্মবিশ্বাস ও ইতিবাচক মনোভাবের মতো অসাধারণ সব নেতৃত্ব গুণে ১৮ বছর ধরে দল সামলেছেন তিনি। চলতি বছরের শুরুর দিকেই জার্মানির ক্ষমতাসীন দল ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নের (সিডিইউ) নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন আরমিন লাশেট (৫৯)। চ্যান্সেলর মার্কেলের অনুসারী হিসাবে পরিচিত এই নেতা বর্তমানে দেশটির সবচেয়ে জনবহুল রাজ্য নর্থ রাইন ওয়েস্টফালিয়ার মুখ্যমন্ত্রী। আগামীদিনে তিনিই মার্কেলের উত্তরসূরি হিসাবে জার্মানির ঝাণ্ডা উড়াবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন