এক ভোটারের দুই ভোট
jugantor
জার্মানিতে নির্বাচন প্রক্রিয়া
এক ভোটারের দুই ভোট

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জার্মানির নির্বাচন ব্যবস্থা বেশ জটিল। সেই সঙ্গে চমৎকারও বটে। নির্বাচনে একজন ভোটারকে দুটো ভোট দিতে হয়। অর্থাৎ ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করার পর এক জার্মান ভোটারকে ব্যালট পেপারের দুবার সিল মারতে হয়। প্রথম ভোটটি মূলত নির্দিষ্ট কোনো প্রার্থীর সমর্থনে আর দ্বিতীয়টি কোনো একটি দলের সমর্থনে। আরও মজার ব্যাপার হচ্ছে, ভোটগ্রহণের জন্য ভোটকেন্দ্রে দলের এজেন্ট লাগে না। থাকে না কোনো আর্মি-পুলিশও। ভোটারদের সহযোগিতা করেন স্বেচ্ছাসেবকরা।

মিশ্র আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা

জার্মানির রয়েছে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট। নিুকক্ষকে বলা হয় বুন্দেসট্যাগ। জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন এর সদস্যরা। উচ্চকক্ষকে বলা হয় বুন্দেসর‌্যাট। রাজ্য বা প্রাদেশিক সরকার প্রধানরাই এর প্রতিনিধিত্ব করেন। রোববার ছিল নিুকক্ষ বুন্দেসট্যাগের নির্বাচন। নির্বাচনে ‘মিক্সড প্রোপারশোনাল রিপ্রেজেনটেশন’ বা মিশ্র আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা ব্যবহার হয়। যা সরাসরি নির্বাচিত এমপিদের আনুপাতিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করে আসন নির্ধারণ করে। নির্বাচনে মূলত ব্রিটেনের পার্লামেন্টের নিুকক্ষ হাউজ অব কমন্স ও যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্টের নিুকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভসের নির্বাচন প্রক্রিয়া ‘উইনার টেকস অল’ অর্থাৎ ‘বিজয়ীই সব নেবে’ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।

প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র

নির্বাচন ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন অথবা সুইজারল্যান্ডের মতো হলেও জার্মানিতে রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রত্যক্ষ নয়, বরং প্রতিনিধিত্বমূলক। এক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা রয়েছে। তারা জনগণের মনোভাব ও ইচ্ছার প্রতিনিধি। সুইজারল্যান্ডকে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের আদর্শ দৃষ্টান্ত হিসাবে গণ্য করা হয়। সুইসরা গণভোটের মাধ্যমে আইন প্রণয়ন করে থাকেন। জার্মানিতে কিন্তু শুধু গণপ্রতিনিধি, অর্থাৎ সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, আইন পাশ করা হয়। সেই হিসাবে প্রত্যেক গণপ্রতিনিধির ওপর একটি গুরুভার ন্যস্ত রয়েছে।

সর্বাধিক নারী, সর্বাধিক দল

এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৬ কোটি ৪০ লাখ। এক্ষেত্রে নারী ভোটারদের সংখ্যা পুরুষদের চেয়ে বেশি। নারী-পুরুষের সংখ্যা যথাক্রমে ৩ কোটি ১২ লাখ ও ২ কোটি ৯২ লাখ। প্রথমবারের মতো ভোটার বা নতুন ভোটারের সংখ্যা ২৮ লাখ। এবার সর্বোচ্চ ৪৭ দল প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। প্রার্থী ৬ হাজার ২১১ জন। এর মধ্যে ৩৩ শতাংশ প্রার্থীই নারী। যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর জার্মানিতে রেকর্ড। ভোটগ্রহণে দেশজুড়ে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৬ হাজার।

বুন্দেসট্যাগের সদস্য সংখ্যা

বুন্দেসট্যাগের আসন সংখ্যা ৫৯৮। এর মধ্যে ২৯৯টি আসন অধিকার করেন সেই সব প্রার্থী, যারা সংশ্লিষ্ট ২৯৯টি নির্বাচনি এলাকায় সর্বাধিক ভোট লাভ করেন। সংসদের বাকি ২৯৯টি আসনের দাবিদাররা আসেন ভোটারদের দ্বিতীয় বা দলীয় ভোট থেকে। রাজনৈতিক দলগুলোর তথাকথিত ‘প্রাদেশিক প্রার্থী তালিকা’ অনুযায়ী, এই সংসদ সদস্যরা বুন্দেসট্যাগে আসন গ্রহণ করেন। প্রতিটি দল রাজ্য বা প্রদেশ অনুযায়ী তাদের প্রার্থী তালিকা পেশ করে। প্রাদেশিক তালিকাগুলো মিলিয়ে প্রত্যেক দলের একটি ‘ফেডারাল প্রার্থী তালিকা’ সৃষ্টি হয়; এই তালিকার শীর্ষের থাকেন দলের শীর্ষ প্রার্থী। বুন্দেসট্যাগের মেয়াদ চার বছর ও সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের ভোটে চার বছরের জন্য চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন। মিশ্র আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের কারণেই বুন্দেসট্যাগের আকার ছোট-বড় বা সংসদ সদস্যদের সংখ্যা কম-বেশি হয়। গত মেয়াদের চেয়ে এবারের বুন্দেসট্যাগের আকার আরও বড় হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে অধিকাংশ সময় নির্ধারিত ৫৯৮টির চেয়ে বুন্দেসটাগ এ সদস্য সংখ্যা বেশি থাকে। উদাহরণস্বরূপ বর্তমান সংসদ ৭০৯ জন সদস্য দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

ন্যূনতম পাঁচ শতাংশ ভোটের বেড়া

এই প্রতিবন্ধক জার্মান নির্বাচন পদ্ধতির একটি বিশেষত্ব বলা চলে। তবে অন্যান্য দেশেও এর চল রয়েছে। যেমন ইসরাইলে ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ অথবা তুরস্কে ১০ শতাংশ ন্যূনতম ভোটের বেড়া, নয়তো একটি রাজনৈতিক দল সংসদে আসন নিতে পারে না। জার্মানিতে এই পাঁচ শতাংশ ন্যূনতম ভোটের শর্ত রাখার কারণ হলো, গত শতাব্দীর বিশের দশকে সংসদে বহু দলের উপস্থিতির ফলে স্থিতিশীল সরকার গঠন সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু সমালোচকরা যুক্তি দেখান যে, পাঁচ শতাংশে না পৌঁছানোর কারণে বহু প্রদত্ত ভোটের অপচয় হয়; ২০১৩ সালের নির্বাচনে এই পন্থায় প্রায় ৭০ লাখ ভোট অপচয় হয়েছিল।

২০১৭ সালের নির্বাচনের ফল

২০১৭-তে অনুষ্ঠিত ১৯তম সংসদ নির্বাচনের দলীয় ফলাফলে সিডিইউ/সিএসইউর প্রাপ্ত ভোটের হার ছিল ৩২.৯%, জয়ী সদস্য সংখ্যা ছিল ২৪৬। প্রধান বিরোধী দল এসপিডির প্রাপ্ত ভোটের হার ২০.৫%, সদস্য সংখ্যা ছিল ১৫৩। এএফডির প্রাপ্ত ভোটের হার ১০.৭%, সদস্য সংখ্যা ৮০। এএফডির প্রাপ্ত ভোটের হার ১২.৬%, সদস্য সংখ্যা ৯৪, ডাই লিঙ্কের প্রাপ্ত ভোটের হার ৯.২%, সদস্য সংখ্যা ৬৯, গ্রিনের প্রাপ্ত ভোটের হার ৮.৯%, সদস্য সংখ্যা ৬৭। ভোটপ্রদানের হার ছিল ৭৬.২%।

মার্কেলের দল কি ক্ষমতা হারাবে

এটা এখনই বলা সম্ভব নয়। তবে সর্বশেষ জনমত জরিপ সেই আভাসই দিচ্ছে। বেসরকারি জনমত জরিপ মতে, মার্কেলের সিডিইউ/সিএসইউ মাত্র ২৪ শতাংশ ভোট পাবে। সত্য হলে এটা হবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর জার্মানিতে তাদের সর্বনিম্ন স্কোর। শুধু তাই নয়, চ্যান্সেলরের পদও হারাবে দলটি। গতবার তথা ২০১৭ সালে দলটির স্কোর ছিল ৩২.৮ শতাংশ। এদিকে গত এক বছর আগে থেকেই বিশেষজ্ঞরা বলে আসছেন, প্রধান বিরোধী এসপিডি পরবর্তী সরকারের অংশ হবে। জনমত জরিপ বলেছে, এসপিডি ২৫ শতাংশ ভোট পেতে পারে।

জার্মানিতে নির্বাচন প্রক্রিয়া

এক ভোটারের দুই ভোট

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জার্মানির নির্বাচন ব্যবস্থা বেশ জটিল। সেই সঙ্গে চমৎকারও বটে। নির্বাচনে একজন ভোটারকে দুটো ভোট দিতে হয়। অর্থাৎ ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করার পর এক জার্মান ভোটারকে ব্যালট পেপারের দুবার সিল মারতে হয়। প্রথম ভোটটি মূলত নির্দিষ্ট কোনো প্রার্থীর সমর্থনে আর দ্বিতীয়টি কোনো একটি দলের সমর্থনে। আরও মজার ব্যাপার হচ্ছে, ভোটগ্রহণের জন্য ভোটকেন্দ্রে দলের এজেন্ট লাগে না। থাকে না কোনো আর্মি-পুলিশও। ভোটারদের সহযোগিতা করেন স্বেচ্ছাসেবকরা।

মিশ্র আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা

জার্মানির রয়েছে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট পার্লামেন্ট। নিুকক্ষকে বলা হয় বুন্দেসট্যাগ। জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন এর সদস্যরা। উচ্চকক্ষকে বলা হয় বুন্দেসর‌্যাট। রাজ্য বা প্রাদেশিক সরকার প্রধানরাই এর প্রতিনিধিত্ব করেন। রোববার ছিল নিুকক্ষ বুন্দেসট্যাগের নির্বাচন। নির্বাচনে ‘মিক্সড প্রোপারশোনাল রিপ্রেজেনটেশন’ বা মিশ্র আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা ব্যবহার হয়। যা সরাসরি নির্বাচিত এমপিদের আনুপাতিক প্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করে আসন নির্ধারণ করে। নির্বাচনে মূলত ব্রিটেনের পার্লামেন্টের নিুকক্ষ হাউজ অব কমন্স ও যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্টের নিুকক্ষ হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভসের নির্বাচন প্রক্রিয়া ‘উইনার টেকস অল’ অর্থাৎ ‘বিজয়ীই সব নেবে’ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়।

প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র

নির্বাচন ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন অথবা সুইজারল্যান্ডের মতো হলেও জার্মানিতে রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রত্যক্ষ নয়, বরং প্রতিনিধিত্বমূলক। এক্ষেত্রে সংসদ সদস্যদের একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা রয়েছে। তারা জনগণের মনোভাব ও ইচ্ছার প্রতিনিধি। সুইজারল্যান্ডকে প্রত্যক্ষ গণতন্ত্রের আদর্শ দৃষ্টান্ত হিসাবে গণ্য করা হয়। সুইসরা গণভোটের মাধ্যমে আইন প্রণয়ন করে থাকেন। জার্মানিতে কিন্তু শুধু গণপ্রতিনিধি, অর্থাৎ সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, আইন পাশ করা হয়। সেই হিসাবে প্রত্যেক গণপ্রতিনিধির ওপর একটি গুরুভার ন্যস্ত রয়েছে।

সর্বাধিক নারী, সর্বাধিক দল

এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৬ কোটি ৪০ লাখ। এক্ষেত্রে নারী ভোটারদের সংখ্যা পুরুষদের চেয়ে বেশি। নারী-পুরুষের সংখ্যা যথাক্রমে ৩ কোটি ১২ লাখ ও ২ কোটি ৯২ লাখ। প্রথমবারের মতো ভোটার বা নতুন ভোটারের সংখ্যা ২৮ লাখ। এবার সর্বোচ্চ ৪৭ দল প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। প্রার্থী ৬ হাজার ২১১ জন। এর মধ্যে ৩৩ শতাংশ প্রার্থীই নারী। যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর জার্মানিতে রেকর্ড। ভোটগ্রহণে দেশজুড়ে ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ৬ হাজার।

বুন্দেসট্যাগের সদস্য সংখ্যা

বুন্দেসট্যাগের আসন সংখ্যা ৫৯৮। এর মধ্যে ২৯৯টি আসন অধিকার করেন সেই সব প্রার্থী, যারা সংশ্লিষ্ট ২৯৯টি নির্বাচনি এলাকায় সর্বাধিক ভোট লাভ করেন। সংসদের বাকি ২৯৯টি আসনের দাবিদাররা আসেন ভোটারদের দ্বিতীয় বা দলীয় ভোট থেকে। রাজনৈতিক দলগুলোর তথাকথিত ‘প্রাদেশিক প্রার্থী তালিকা’ অনুযায়ী, এই সংসদ সদস্যরা বুন্দেসট্যাগে আসন গ্রহণ করেন। প্রতিটি দল রাজ্য বা প্রদেশ অনুযায়ী তাদের প্রার্থী তালিকা পেশ করে। প্রাদেশিক তালিকাগুলো মিলিয়ে প্রত্যেক দলের একটি ‘ফেডারাল প্রার্থী তালিকা’ সৃষ্টি হয়; এই তালিকার শীর্ষের থাকেন দলের শীর্ষ প্রার্থী। বুন্দেসট্যাগের মেয়াদ চার বছর ও সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের ভোটে চার বছরের জন্য চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন। মিশ্র আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের কারণেই বুন্দেসট্যাগের আকার ছোট-বড় বা সংসদ সদস্যদের সংখ্যা কম-বেশি হয়। গত মেয়াদের চেয়ে এবারের বুন্দেসট্যাগের আকার আরও বড় হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে অধিকাংশ সময় নির্ধারিত ৫৯৮টির চেয়ে বুন্দেসটাগ এ সদস্য সংখ্যা বেশি থাকে। উদাহরণস্বরূপ বর্তমান সংসদ ৭০৯ জন সদস্য দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

ন্যূনতম পাঁচ শতাংশ ভোটের বেড়া

এই প্রতিবন্ধক জার্মান নির্বাচন পদ্ধতির একটি বিশেষত্ব বলা চলে। তবে অন্যান্য দেশেও এর চল রয়েছে। যেমন ইসরাইলে ৩ দশমিক ২৫ শতাংশ অথবা তুরস্কে ১০ শতাংশ ন্যূনতম ভোটের বেড়া, নয়তো একটি রাজনৈতিক দল সংসদে আসন নিতে পারে না। জার্মানিতে এই পাঁচ শতাংশ ন্যূনতম ভোটের শর্ত রাখার কারণ হলো, গত শতাব্দীর বিশের দশকে সংসদে বহু দলের উপস্থিতির ফলে স্থিতিশীল সরকার গঠন সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু সমালোচকরা যুক্তি দেখান যে, পাঁচ শতাংশে না পৌঁছানোর কারণে বহু প্রদত্ত ভোটের অপচয় হয়; ২০১৩ সালের নির্বাচনে এই পন্থায় প্রায় ৭০ লাখ ভোট অপচয় হয়েছিল।

২০১৭ সালের নির্বাচনের ফল

২০১৭-তে অনুষ্ঠিত ১৯তম সংসদ নির্বাচনের দলীয় ফলাফলে সিডিইউ/সিএসইউর প্রাপ্ত ভোটের হার ছিল ৩২.৯%, জয়ী সদস্য সংখ্যা ছিল ২৪৬। প্রধান বিরোধী দল এসপিডির প্রাপ্ত ভোটের হার ২০.৫%, সদস্য সংখ্যা ছিল ১৫৩। এএফডির প্রাপ্ত ভোটের হার ১০.৭%, সদস্য সংখ্যা ৮০। এএফডির প্রাপ্ত ভোটের হার ১২.৬%, সদস্য সংখ্যা ৯৪, ডাই লিঙ্কের প্রাপ্ত ভোটের হার ৯.২%, সদস্য সংখ্যা ৬৯, গ্রিনের প্রাপ্ত ভোটের হার ৮.৯%, সদস্য সংখ্যা ৬৭। ভোটপ্রদানের হার ছিল ৭৬.২%।

মার্কেলের দল কি ক্ষমতা হারাবে

এটা এখনই বলা সম্ভব নয়। তবে সর্বশেষ জনমত জরিপ সেই আভাসই দিচ্ছে। বেসরকারি জনমত জরিপ মতে, মার্কেলের সিডিইউ/সিএসইউ মাত্র ২৪ শতাংশ ভোট পাবে। সত্য হলে এটা হবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর জার্মানিতে তাদের সর্বনিম্ন স্কোর। শুধু তাই নয়, চ্যান্সেলরের পদও হারাবে দলটি। গতবার তথা ২০১৭ সালে দলটির স্কোর ছিল ৩২.৮ শতাংশ। এদিকে গত এক বছর আগে থেকেই বিশেষজ্ঞরা বলে আসছেন, প্রধান বিরোধী এসপিডি পরবর্তী সরকারের অংশ হবে। জনমত জরিপ বলেছে, এসপিডি ২৫ শতাংশ ভোট পেতে পারে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন