কঙ্গোতে যৌনসংসর্গের শর্তে চাকরি
jugantor
হু’র ৮০ কর্মী অভিযুক্ত
কঙ্গোতে যৌনসংসর্গের শর্তে চাকরি

  যুগান্তর ডেস্ক  

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ইবোলা মহামারির সময় বেশ কিছু চাকরির সুযোগ তৈরি হয়েছিল। রোগটির সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য সাময়িক সময়ের শর্তে বহু স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত কয়েকজন হু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ইন্টারভিউ বোর্ডেই তাদের সরাসরি প্রশ্ন করা হয়-বসের সঙ্গে যৌনতায় তাদের আপত্তি আছে কি-না। যৌনসংসর্গ করলে পদোন্নতির কথাও বলা হয়। হু কর্তৃক মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে। আলজাজিরা। রিপোর্টে বলা হয়, কঙ্গোয় ইবোলা মহামারির সময় একাধিক নারী কর্মীকে যৌনতার বিনিময়ে চাকরির শর্ত দিয়েছিলেন ডব্লিউএইচও কর্মীরা। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাস দিয়েছে সংস্থাটি। প্রতিবেদন প্রকাশের পরপরই ‘বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থার জন্য এটি একটি কালো দিন’ বলে ক্ষমা চেয়েছেন সংস্থাটির প্রধান টেড্রোস আধানাম গাব্রিয়েসু। ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে আফ্রিকার দেশ কঙ্গোতে ইবোলা রোগটি মহামারির রূপ নিয়েছিল। সে সময় ইবোলার সঙ্গে লড়াই করার জন্য বহু কর্মী নিয়োগ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন, গোটা ঘটনার জন্য তিনি ক্ষমাপ্রার্থী। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। যৌন হেনস্তার এই অভিযোগ আগেই ডব্লিউএইচওর কানে এসেছিল। তারই ভিত্তিতে একটি স্বাধীন এবং নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে সংস্থাটি।

সম্প্রতি তাদের রিপোর্ট ডব্লিউএইচওর হাতে এসেছে। ৩৫ পাতার রিপোর্টে একাধিক যৌন হয়রানির অভিযোগের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। জোলিয়ান কথিত ভুক্তভোগী নারীদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ। ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসের একদিন। মাঙ্গিনা শহরের রাস্তার পাশে ফোন কার্ড বিক্রি করছিলেন তিনি। এ সময় তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তাব দেন ডব্লিউএইচওতে চাকরি করা এক গাড়িচালক। বাড়ি দূরে হওয়ায় তিনি রাজিও হয়ে যান। কিন্তু চালক তাকে বাড়ির পরিবর্তে এক হোটেলে নিয়ে তোলেন।

হু’র ৮০ কর্মী অভিযুক্ত

কঙ্গোতে যৌনসংসর্গের শর্তে চাকরি

 যুগান্তর ডেস্ক 
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ইবোলা মহামারির সময় বেশ কিছু চাকরির সুযোগ তৈরি হয়েছিল। রোগটির সঙ্গে লড়াইয়ের জন্য সাময়িক সময়ের শর্তে বহু স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দিয়েছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত কয়েকজন হু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। ইন্টারভিউ বোর্ডেই তাদের সরাসরি প্রশ্ন করা হয়-বসের সঙ্গে যৌনতায় তাদের আপত্তি আছে কি-না। যৌনসংসর্গ করলে পদোন্নতির কথাও বলা হয়। হু কর্তৃক মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন ভয়াবহ তথ্য উঠে এসেছে। আলজাজিরা। রিপোর্টে বলা হয়, কঙ্গোয় ইবোলা মহামারির সময় একাধিক নারী কর্মীকে যৌনতার বিনিময়ে চাকরির শর্ত দিয়েছিলেন ডব্লিউএইচও কর্মীরা। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাস দিয়েছে সংস্থাটি। প্রতিবেদন প্রকাশের পরপরই ‘বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থার জন্য এটি একটি কালো দিন’ বলে ক্ষমা চেয়েছেন সংস্থাটির প্রধান টেড্রোস আধানাম গাব্রিয়েসু। ২০১৮ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে আফ্রিকার দেশ কঙ্গোতে ইবোলা রোগটি মহামারির রূপ নিয়েছিল। সে সময় ইবোলার সঙ্গে লড়াই করার জন্য বহু কর্মী নিয়োগ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছেন, গোটা ঘটনার জন্য তিনি ক্ষমাপ্রার্থী। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। যৌন হেনস্তার এই অভিযোগ আগেই ডব্লিউএইচওর কানে এসেছিল। তারই ভিত্তিতে একটি স্বাধীন এবং নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে সংস্থাটি।

সম্প্রতি তাদের রিপোর্ট ডব্লিউএইচওর হাতে এসেছে। ৩৫ পাতার রিপোর্টে একাধিক যৌন হয়রানির অভিযোগের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। জোলিয়ান কথিত ভুক্তভোগী নারীদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ। ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসের একদিন। মাঙ্গিনা শহরের রাস্তার পাশে ফোন কার্ড বিক্রি করছিলেন তিনি। এ সময় তাকে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার প্রস্তাব দেন ডব্লিউএইচওতে চাকরি করা এক গাড়িচালক। বাড়ি দূরে হওয়ায় তিনি রাজিও হয়ে যান। কিন্তু চালক তাকে বাড়ির পরিবর্তে এক হোটেলে নিয়ে তোলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন