ভারতে মিড ডে মিলের নাম বদলে পিএম পোষণ
jugantor
ভারতে মিড ডে মিলের নাম বদলে পিএম পোষণ

  যুগান্তর ডেস্ক  

০১ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভারতের বহুল আলোচিত মিড ডে মিল স্কিম এখন ‘পিএম পোষণ’। মিড ডে মিল স্কিক প্রথম চালু হয়েছিল ১৯৮৪ সালে। ভারতের কেরালা রাজ্যে। পরে ১৯৯৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে চালু হয় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের মিড ডে মিল প্রকল্প। বুধবার সেই প্রকল্পেরই মোড়ক বদল করে ‘পিএম পোষণ অভিযান’ ঘোষণা করল মোদি সরকার। এবার প্রাক-প্রাথমিক স্কুলের শিশুদেরও এই প্রকল্পের আওতায় আনা হবে। আনন্দবাজার, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

মিড ডে মিল প্রকল্পের আওতায় বর্তমানে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের গরম রান্না করা খাবার সরবরাহ করা হয়। প্রায় ১১ কোটি ৮০ লাখ পড়ুয়াকে এই খাবার দেওয়া হয়। যাদের মধ্যে ১১ কোটি ২০ লাখ পড়ুয়া সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলোতে পড়াশোনা করে। এবার আইসিডিএস-এর আওতাধীন প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির আরও ২৪ লাখ শিশুকেও এই প্রকল্পের আওতায় আনা হবে। কেন্দ্রের এই প্রকল্পের আওতায় আসবে ‘প্রি-প্রাইমারি’ তথা ‘বালবটিকা’র শিশুরাও। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ প্রধান বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ মোদির সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি পিএম পোষণ প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে। স্কুলপড়ুয়াদের পুষ্টি বৃদ্ধিতে নতুন এই উদ্যোগ কার্যকর হবে।’ পিএম পোষণ প্রকল্পটি আপাতত পাঁচ বছরের জন্য চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পে ২০২১-২২ সাল থেকে ২০২৫-২৬ সাল পর্যন্ত মোট ১.৩ লাখ কোটি টাকা খরচ ধরা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার মোট খরচের ৫৪ হাজার ৬১ কোটি টাকা বহন করবে। অন্য দিকে রাজ্যগুলোকে এই প্রকল্পে ৩১ হাজার ৭৩৩ কোটি টাকা ব্যয় করতে হবে। ন্যাশনাল এডুকেশন পলিসির সুপারিশ অনুযায়ী স্কুলপড়ুয়াদের পুষ্টির কথা মাথায় রেখে এই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ প্রধান। আগামী বছর থেকে সরকারি এবং সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলে এই প্রকল্প চালু হবে। মিড ডে মিল প্রকল্পের নাম বদলে হলো ‘পিএম পোষণ’। সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর নামে দেশজুড়ে চলবে এই প্রকল্প।

প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির আরও ২৪ লাখ শিশুকেও কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের সমর্থনে নরেন্দ্র মোদি তার অফিসিয়াল টুইটে বলেন, অপুষ্টির সমস্যা মোকাবেলায় সম্ভাব্য সব রকম চেষ্টা করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

ভারতে মিড ডে মিলের নাম বদলে পিএম পোষণ

 যুগান্তর ডেস্ক 
০১ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভারতের বহুল আলোচিত মিড ডে মিল স্কিম এখন ‘পিএম পোষণ’। মিড ডে মিল স্কিক প্রথম চালু হয়েছিল ১৯৮৪ সালে। ভারতের কেরালা রাজ্যে। পরে ১৯৯৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে চালু হয় ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের মিড ডে মিল প্রকল্প। বুধবার সেই প্রকল্পেরই মোড়ক বদল করে ‘পিএম পোষণ অভিযান’ ঘোষণা করল মোদি সরকার। এবার প্রাক-প্রাথমিক স্কুলের শিশুদেরও এই প্রকল্পের আওতায় আনা হবে। আনন্দবাজার, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

মিড ডে মিল প্রকল্পের আওতায় বর্তমানে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের গরম রান্না করা খাবার সরবরাহ করা হয়। প্রায় ১১ কোটি ৮০ লাখ পড়ুয়াকে এই খাবার দেওয়া হয়। যাদের মধ্যে ১১ কোটি ২০ লাখ পড়ুয়া সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলোতে পড়াশোনা করে। এবার আইসিডিএস-এর আওতাধীন প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির আরও ২৪ লাখ শিশুকেও এই প্রকল্পের আওতায় আনা হবে। কেন্দ্রের এই প্রকল্পের আওতায় আসবে ‘প্রি-প্রাইমারি’ তথা ‘বালবটিকা’র শিশুরাও। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ প্রধান বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ মোদির সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি পিএম পোষণ প্রকল্পে অনুমোদন দিয়েছে। স্কুলপড়ুয়াদের পুষ্টি বৃদ্ধিতে নতুন এই উদ্যোগ কার্যকর হবে।’ পিএম পোষণ প্রকল্পটি আপাতত পাঁচ বছরের জন্য চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পে ২০২১-২২ সাল থেকে ২০২৫-২৬ সাল পর্যন্ত মোট ১.৩ লাখ কোটি টাকা খরচ ধরা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার মোট খরচের ৫৪ হাজার ৬১ কোটি টাকা বহন করবে। অন্য দিকে রাজ্যগুলোকে এই প্রকল্পে ৩১ হাজার ৭৩৩ কোটি টাকা ব্যয় করতে হবে। ন্যাশনাল এডুকেশন পলিসির সুপারিশ অনুযায়ী স্কুলপড়ুয়াদের পুষ্টির কথা মাথায় রেখে এই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ প্রধান। আগামী বছর থেকে সরকারি এবং সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলে এই প্রকল্প চালু হবে। মিড ডে মিল প্রকল্পের নাম বদলে হলো ‘পিএম পোষণ’। সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর নামে দেশজুড়ে চলবে এই প্রকল্প।

প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির আরও ২৪ লাখ শিশুকেও কেন্দ্রীয় সরকারের এই প্রকল্পের আওতাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের সমর্থনে নরেন্দ্র মোদি তার অফিসিয়াল টুইটে বলেন, অপুষ্টির সমস্যা মোকাবেলায় সম্ভাব্য সব রকম চেষ্টা করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন