যোগ্যতা দিয়ে সংসদে যেতে চান নারীরা
jugantor
কাতারের প্রথম পার্লামেন্ট নির্বাচন
যোগ্যতা দিয়ে সংসদে যেতে চান নারীরা

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৩ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কোনো দয়া বা অনুকম্পা নয়, নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েই সংসদে জায়গা করে নিতে চান কাতারি নারীরা। তারা বলছেন, দেশের প্রথম আইনসভার নির্বাচন সামনে করে এমনটাই জানান কয়েকজন নারী প্রার্থী। শনিবার মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে প্রথমবারের মতো আইনসভার (শূরা কাউন্সিল) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিন রাতের মধ্যেই ফলাফল ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়।

প্রথম নির্বাচনেই পুরুষের পাশাপাশি একটা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী প্রার্থী হয়েছেন। নির্বাচনে মোট ৪৫টি আসনের মধ্যে ৩০টিতে ভোটাভুটি হয়। বাকি ১৫টি আসনে আমির সরাসরি নিয়োগ দেবেন। নির্বাচনী আসনগুলোর বিপরীতে মোট প্রার্থী ছিলেন ২৮৪ জন। এর মধ্যে ২৮ জন নারী। এটাকে সরকারের বড় ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসাবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

যেমনটা বলছিলেন গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের এলহাম ফাখরো। তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচনি প্রক্রিয়ার একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ নারীরা যা খুবই ইতিবাচক পদক্ষেপ।’ আইনসভায় মনোনীত ও নির্বাচিত সদস্যদের অধিকার ও দায়িত্ব একই থাকবে। তারা সরকারের সাধারণ নীতি ও বাজেট অনুমোদন করবেন। এ ছাড়া নির্বাহী কর্তৃপক্ষের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

তবে ভোটাধিকার নিয়ে কাতারে কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আইন অনুযায়ী, ১৯৩০ সাল বা এর আগে থেকে যাদের কাতারের নাগরিকত্ব রয়েছে, তারা ও তাদের পরিবারে প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যরাই শুধু নিজেদের পছন্দের প্রার্থী নির্বাচিত করতে পারবেন। ফলে, ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকছে না ১৯৩০ সালের পর দেশটির নাগরিকত্ব পাওয়া ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের।

কাতারের প্রথম পার্লামেন্ট নির্বাচন

যোগ্যতা দিয়ে সংসদে যেতে চান নারীরা

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৩ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কোনো দয়া বা অনুকম্পা নয়, নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েই সংসদে জায়গা করে নিতে চান কাতারি নারীরা। তারা বলছেন, দেশের প্রথম আইনসভার নির্বাচন সামনে করে এমনটাই জানান কয়েকজন নারী প্রার্থী। শনিবার মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে প্রথমবারের মতো আইনসভার (শূরা কাউন্সিল) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিন রাতের মধ্যেই ফলাফল ঘোষণা করা হবে বলে জানানো হয়।

প্রথম নির্বাচনেই পুরুষের পাশাপাশি একটা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী প্রার্থী হয়েছেন। নির্বাচনে মোট ৪৫টি আসনের মধ্যে ৩০টিতে ভোটাভুটি হয়। বাকি ১৫টি আসনে আমির সরাসরি নিয়োগ দেবেন। নির্বাচনী আসনগুলোর বিপরীতে মোট প্রার্থী ছিলেন ২৮৪ জন। এর মধ্যে ২৮ জন নারী। এটাকে সরকারের বড় ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসাবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

যেমনটা বলছিলেন গবেষণা সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের এলহাম ফাখরো। তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচনি প্রক্রিয়ার একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ নারীরা যা খুবই ইতিবাচক পদক্ষেপ।’ আইনসভায় মনোনীত ও নির্বাচিত সদস্যদের অধিকার ও দায়িত্ব একই থাকবে। তারা সরকারের সাধারণ নীতি ও বাজেট অনুমোদন করবেন। এ ছাড়া নির্বাহী কর্তৃপক্ষের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

তবে ভোটাধিকার নিয়ে কাতারে কিছু বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আইন অনুযায়ী, ১৯৩০ সাল বা এর আগে থেকে যাদের কাতারের নাগরিকত্ব রয়েছে, তারা ও তাদের পরিবারে প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যরাই শুধু নিজেদের পছন্দের প্রার্থী নির্বাচিত করতে পারবেন। ফলে, ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকছে না ১৯৩০ সালের পর দেশটির নাগরিকত্ব পাওয়া ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন