২৮ নারী প্রার্থীর কেউই পাশ করেননি কাতারে
jugantor
২৮ নারী প্রার্থীর কেউই পাশ করেননি কাতারে

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৪ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পারস্য উপসাগরীয় দেশ কাতারে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো আইনসভার নির্বাচন। এ নির্বাচনের মূল আকর্ষণ ছিল নারীদের অংশগ্রহণ। কিন্তু নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ২৮ নারীর কেউ পাশ করেননি। যার ফলে এবারের মতো কাতারে নারীদের সঙ্গে পুরুষের ক্ষমতা বণ্টনের সম্ভাবনা উবে গেল। এএফপি।

শনিবার কাতারের আইনসভার ৩০ আসনের জন্য মোট ২৮৪ প্রার্থীর মধ্যে হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা। নতুন আইন অনুযায়ী ৪৫ সদস্যের শূরা কাউন্সিলের ৩০ সদস্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হন। বাকি ১৫ আসনে জনপ্রতিনিধি নিয়োগ করবেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-সানি। নির্বাচিত সদস্যরা সরকারের নীতি ও বাজেট অনুমোদন করার ক্ষমতা রাখবেন বলে জানা গেছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৩০টি আসনে পুরুষ প্রার্থীরাই নির্বাচিত হয়েছেন। এদিন ভোট দিয়েছেন কাতারের ৬৩.৫ শতাংশ ভোটার। এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ২৩৩ জন প্রার্থী। তবে নির্বাচনের দিন অনেক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। নারীদের পরাজয় প্রসঙ্গে দোহা নার্সিং হোমের ব্যবস্থাপক আয়শা হামাম আল-জসিম বলেন, ‘সব পুরুষের দখলে থাকবে, এটা কাতারের দৃষ্টিভঙ্গি হতে পারে না।’ তিনি আশা করেন ভবিষ্যতে এ দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হবে এবং পুরুষদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নারীরাও জিতবে।’ কাতারে প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সুসান জিয়াদেহ বলেছেন, ‘কাতার কীভাবে বিশ্ব মঞ্চে তার অবস্থান দৃঢ় করে তা দেখার জন্য ২০২২ সালের নির্বাচন আয়োজনের দিকে দৃষ্টি রাখবে।’

একজন ভোটার সুলতান আব্দুল্লাহ আল-কুওয়ারি বলেন, ‘দিনের শুরুতে, আমি অনেককে বলতে শুনেছি যে তারা ভোট দেবে না। কারণ, তারা কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাচ্ছেন না।’ উল্লেখ্য, কাতারের ২৫ লাখ অধিবাসীই বিদেশি বিধায় ভোটদানের অযোগ্য ছিলেন।

২৮ নারী প্রার্থীর কেউই পাশ করেননি কাতারে

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৪ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পারস্য উপসাগরীয় দেশ কাতারে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হলো আইনসভার নির্বাচন। এ নির্বাচনের মূল আকর্ষণ ছিল নারীদের অংশগ্রহণ। কিন্তু নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ২৮ নারীর কেউ পাশ করেননি। যার ফলে এবারের মতো কাতারে নারীদের সঙ্গে পুরুষের ক্ষমতা বণ্টনের সম্ভাবনা উবে গেল। এএফপি।

শনিবার কাতারের আইনসভার ৩০ আসনের জন্য মোট ২৮৪ প্রার্থীর মধ্যে হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা। নতুন আইন অনুযায়ী ৪৫ সদস্যের শূরা কাউন্সিলের ৩০ সদস্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হন। বাকি ১৫ আসনে জনপ্রতিনিধি নিয়োগ করবেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-সানি। নির্বাচিত সদস্যরা সরকারের নীতি ও বাজেট অনুমোদন করার ক্ষমতা রাখবেন বলে জানা গেছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৩০টি আসনে পুরুষ প্রার্থীরাই নির্বাচিত হয়েছেন। এদিন ভোট দিয়েছেন কাতারের ৬৩.৫ শতাংশ ভোটার। এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ২৩৩ জন প্রার্থী। তবে নির্বাচনের দিন অনেক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। নারীদের পরাজয় প্রসঙ্গে দোহা নার্সিং হোমের ব্যবস্থাপক আয়শা হামাম আল-জসিম বলেন, ‘সব পুরুষের দখলে থাকবে, এটা কাতারের দৃষ্টিভঙ্গি হতে পারে না।’ তিনি আশা করেন ভবিষ্যতে এ দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন হবে এবং পুরুষদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নারীরাও জিতবে।’ কাতারে প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত সুসান জিয়াদেহ বলেছেন, ‘কাতার কীভাবে বিশ্ব মঞ্চে তার অবস্থান দৃঢ় করে তা দেখার জন্য ২০২২ সালের নির্বাচন আয়োজনের দিকে দৃষ্টি রাখবে।’

একজন ভোটার সুলতান আব্দুল্লাহ আল-কুওয়ারি বলেন, ‘দিনের শুরুতে, আমি অনেককে বলতে শুনেছি যে তারা ভোট দেবে না। কারণ, তারা কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাচ্ছেন না।’ উল্লেখ্য, কাতারের ২৫ লাখ অধিবাসীই বিদেশি বিধায় ভোটদানের অযোগ্য ছিলেন।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন