কর ফাঁকিতে সহায়তা করে মার্কিন আইনি সংস্থা
jugantor
কর ফাঁকিতে সহায়তা করে মার্কিন আইনি সংস্থা
অতি গোপনীয়তার প্রতিশ্রুতি দেয় মার্কিন অফশোর কোম্পানিগুলো, স্রোতের মতো আসে বিদেশি অর্থ

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৬ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বজুড়ে করপোরেট ট্যাক্স বা কর ফাঁকিতে সহযোগিতা করার ক্ষেত্রে পথিকৃৎ হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম আইনি সংস্থা ‘বেকার ম্যাকেঞ্জি’।

বিভিন্ন দেশের কুখ্যাত সব মাফিয়া, ধনী ব্যবসায়ী, অস্ত্র নির্মাতা ও স্বৈরশাসকদের দালাল হয়ে কাজ করছে শিকাগোভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি।

যখনই কোনো ধনী, কোনো বহুজাতিক কোম্পানি এমনকি কোনো দেশের রাজনীতিক তাদের অবৈধ সম্পদ লুকাতে চায় কিংবা কর এড়াতে চায়, তারা প্রায়ই বেকার ম্যাকেঞ্জির আইনজীবীদের দ্বারস্থ হন। এসব অর্থ কোথায় কিভাবে লুকাতে হবে তার সব ব্যবস্থাই করে দেন এর আইনজীবীরা। ‘প্যানডোরা পেপারস’ নামে ফাঁস হওয়া বিশ্ব তোলপাড় করা নথিতে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টস’র (আইসিআইজে) এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, মার্কিন এই আইনি সংস্থার বিশ্বজুড়ে ৪৭টি দেশে চার হাজার ৭০০ আইনজীবী রয়েছে। তাদের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩১০ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের আরও অন্তত এক ডজন আইনি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা বিশ্বজুড়ে বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে এবং একই সঙ্গে আইন পেশাকেই বদলে দিয়েছে। বেকার ম্যাকেঞ্জি প্রায়ই নিজেকে ‘প্রকৃত বৈশ্বিক আইন সংস্থা’ বলে উল্লেখ করে। আরও বলে থাকে, ‘তারা আইনের শাসন এবং নৈতিকতা, মানবাধিকার ও দুর্নীতিবিরোধী নীতির আন্তর্জাতিক মানের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ প্রতিষ্ঠানটি তাদের ব্যবসায় আচরণবিধিতে বলেছে, ‘আমরা সর্বদা বিশ্বস্ত ও স্বচ্ছ। আমরা বাজে চরিত্রের কারও কাজ করি না।’ কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ উলটো। নীতি-নৈতিকতা নিয়ে প্রকাশ্যে বাগাড়ম্বর করলেও পর্দার আড়ালে বেকার ম্যাকেঞ্জি ভয়াবহ সব অপকর্মের সহযোগী। আইসিআইজে বলছে, বিশ্বজুড়ে দেশে দেশে সাধারণ জনগণের পকেট কেটে ও দুর্নীতি করে সম্পদের পাহাড় গড়ছে ধনীরা। আর তাদের জন্যই কর ফাঁকির হাজারো নিরাপদ আস্তানা তৈরি করছে বেকার ম্যাকেঞ্জির মতো আইনি সংস্থাগুলো।

ফাঁস হওয়া প্যান্ডোরা পেপারস’র নথি বলছে, মালয়েশিয়ার দুর্নীতিবাজ সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের কোটি কোটি ডলারের অবৈধ অর্থ বিদেশে বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করতে সহায়তা করেছিল বেকার ম্যাকেঞ্জির এক আইনজীবী। ক্ষমতায় থাকতে ২০০৯ সালে ‘ওয়ান মালয়েশিয়ান ডেভেলপমেন্ট বেরহাদ’ বা ‘ওয়ানএমডিবি’ নামে মালয়েশিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে বৃহৎ রাষ্ট্রীয় তহবিল নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম করেন নাজিব। মালয়েশিয়ার জনগণকে সাহায্য করার জন্য গঠিত এই তহবিল থেকে কয়েকশ কোটি ডলার অর্থ রাতারাতি গায়েব করে দেন নাজিব। যুক্তরাষ্ট্রের এবং মালয়েশিয়ার সরকারি আইনজীবীরা জানান, এর চারশ কোটি ডলার যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতাশালী ব্যক্তির পকেটে গেছে। এ ছাড়াও তা দিয়ে কেনা হয় বিলাসবহুল ভবন, ব্যক্তিগত জেটবিমান, ভ্যান গগ ও মনের মতো বিখ্যাত চিত্রশিল্পীদের চিত্রকর্ম। এমনকি এই টাকা দিয়ে নির্মাণ করা হয় হলিউডের ব্লকবাস্টার হিট ছবিও।

কে-৪৭ রাইফেল তৈরি করে রাশিয়ার এমন একটি অস্ত্র নির্মাণ প্রতিষ্ঠানকে অবৈধ লেনদেনে সহযোগিতা করেছে বেকার ম্যাকেঞ্জি। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ে রুশ কোম্পানিটি নিজেদের সব শেয়ার বিক্রি এবং সেই অর্থ দ্বিতীয় কোনো দেশে বিনিয়োগ করতে মার্কিন আইনি সহায়তা প্রতিষ্ঠানটির শরণাপন্ন হয়। যোগাযোগের সঙ্গে সঙ্গে কাজ হয়ে যায়। কোম্পানিটির তামার খনির সব বিক্রি করে সেই অর্থ মঙ্গলিয়ায় বিনিয়োগ করে দেয়।

এখানেই শেষ নয়, এভাবে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের শত শত কোম্পানিকে কর ফাঁকি ও অর্থ লুকানোর পথ করে দেয় বেকার ম্যাকেঞ্জি। ফাঁস হওয়া নথি বলছে, বেকার ম্যাকেঞ্জি মার্কিন বহুজাতিক খাদ্য ও তামাক কোম্পানি আরজেআর নাবিস্কোকে সাইপ্রাসে একাধিক কোম্পানি খুলতে সহায়তা করেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের আরেক বহুজাতিক কোম্পানি নাইকিকে কর ফাঁকিতে সহযোগিতা করেছিল এর আইনজীবীরা। শুধু তাই নয়, একইভাবে মার্কিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুককেও সহায়তা করেছে তারা। কর ফাঁকি দিতে তাদের সহায়তা নিয়েছে মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যাপলও।

প্যান্ডোরা পেপারসের চোখ কপালে তোলা আরও একটি তথ্য হলো, যুক্তরাষ্ট্রেও অফশোর তথা অর্থ লুকানোর নিরাপদ আশ্রয় বেড়েই চলেছে। ডেলাওয়ার, ওয়াইয়োমিং, নেভাদা, সাউথ ডাকোটার মতো কয়েকটি রাজ্য ইতোমধ্যে তেমনি আশ্রয় (ট্যাক্স হেভেন) হিসাবে পরিচিতি পেয়েছে। কোম্পানি করের হার এসব রাজ্যে খুবই কম। বিদেশ থেকে কে এখানে টাকা এনে কোম্পানি খুলল এবং কোথায় তা খাটাল, তা নিয়ে এসব রাজ্যের তেমন মাথাব্যথা নেই। অর্থ রাখার ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টদের অতি গোপনীয়তা তথা কখনোই তথ্য প্রকাশ করা হবে না-এমন প্রতিশ্রুতি দেয় অফশোর কোম্পানিগুলো। এ কারণেই দেশটিতে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বর্তমানে বিদেশি অর্থের প্রবাহ বেড়েছে। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক হিসাবই বলছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বছরে কমবেশি ৩০ হাজার কোটি ডলার যুক্তরাষ্ট্রে পাচার হয়ে আসছে।

যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা সংস্থা গ্লোবাল ফাইন্যান্সের লাক্সমি কুমার বলেন, ক্ষমতাধর মানুষেরা বিশ্বের বেশ কিছু দেশ এবং অঞ্চলে নিবন্ধিত নামসর্বস্ব বিভিন্ন কোম্পানির মাধ্যমে ‘টাকা পয়সা পাচার করে লুকিয়ে রাখতে সক্ষম হচ্ছেন।’

কর ফাঁকিতে সহায়তা করে মার্কিন আইনি সংস্থা

অতি গোপনীয়তার প্রতিশ্রুতি দেয় মার্কিন অফশোর কোম্পানিগুলো, স্রোতের মতো আসে বিদেশি অর্থ
 যুগান্তর ডেস্ক 
০৬ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিশ্বজুড়ে করপোরেট ট্যাক্স বা কর ফাঁকিতে সহযোগিতা করার ক্ষেত্রে পথিকৃৎ হয়ে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম আইনি সংস্থা ‘বেকার ম্যাকেঞ্জি’।

বিভিন্ন দেশের কুখ্যাত সব মাফিয়া, ধনী ব্যবসায়ী, অস্ত্র নির্মাতা ও স্বৈরশাসকদের দালাল হয়ে কাজ করছে শিকাগোভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি।

যখনই কোনো ধনী, কোনো বহুজাতিক কোম্পানি এমনকি কোনো দেশের রাজনীতিক তাদের অবৈধ সম্পদ লুকাতে চায় কিংবা কর এড়াতে চায়, তারা প্রায়ই বেকার ম্যাকেঞ্জির আইনজীবীদের দ্বারস্থ হন। এসব অর্থ কোথায় কিভাবে লুকাতে হবে তার সব ব্যবস্থাই করে দেন এর আইনজীবীরা। ‘প্যানডোরা পেপারস’ নামে ফাঁস হওয়া বিশ্ব তোলপাড় করা নথিতে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিস্টস’র (আইসিআইজে) এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, মার্কিন এই আইনি সংস্থার বিশ্বজুড়ে ৪৭টি দেশে চার হাজার ৭০০ আইনজীবী রয়েছে। তাদের মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩১০ কোটি ডলার। যুক্তরাষ্ট্রে এ ধরনের আরও অন্তত এক ডজন আইনি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা বিশ্বজুড়ে বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে এবং একই সঙ্গে আইন পেশাকেই বদলে দিয়েছে। বেকার ম্যাকেঞ্জি প্রায়ই নিজেকে ‘প্রকৃত বৈশ্বিক আইন সংস্থা’ বলে উল্লেখ করে। আরও বলে থাকে, ‘তারা আইনের শাসন এবং নৈতিকতা, মানবাধিকার ও দুর্নীতিবিরোধী নীতির আন্তর্জাতিক মানের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ প্রতিষ্ঠানটি তাদের ব্যবসায় আচরণবিধিতে বলেছে, ‘আমরা সর্বদা বিশ্বস্ত ও স্বচ্ছ। আমরা বাজে চরিত্রের কারও কাজ করি না।’ কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ উলটো। নীতি-নৈতিকতা নিয়ে প্রকাশ্যে বাগাড়ম্বর করলেও পর্দার আড়ালে বেকার ম্যাকেঞ্জি ভয়াবহ সব অপকর্মের সহযোগী। আইসিআইজে বলছে, বিশ্বজুড়ে দেশে দেশে সাধারণ জনগণের পকেট কেটে ও দুর্নীতি করে সম্পদের পাহাড় গড়ছে ধনীরা। আর তাদের জন্যই কর ফাঁকির হাজারো নিরাপদ আস্তানা তৈরি করছে বেকার ম্যাকেঞ্জির মতো আইনি সংস্থাগুলো।

ফাঁস হওয়া প্যান্ডোরা পেপারস’র নথি বলছে, মালয়েশিয়ার দুর্নীতিবাজ সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের কোটি কোটি ডলারের অবৈধ অর্থ বিদেশে বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করতে সহায়তা করেছিল বেকার ম্যাকেঞ্জির এক আইনজীবী। ক্ষমতায় থাকতে ২০০৯ সালে ‘ওয়ান মালয়েশিয়ান ডেভেলপমেন্ট বেরহাদ’ বা ‘ওয়ানএমডিবি’ নামে মালয়েশিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে বৃহৎ রাষ্ট্রীয় তহবিল নিয়ে ব্যাপক অনিয়ম করেন নাজিব। মালয়েশিয়ার জনগণকে সাহায্য করার জন্য গঠিত এই তহবিল থেকে কয়েকশ কোটি ডলার অর্থ রাতারাতি গায়েব করে দেন নাজিব। যুক্তরাষ্ট্রের এবং মালয়েশিয়ার সরকারি আইনজীবীরা জানান, এর চারশ কোটি ডলার যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতাশালী ব্যক্তির পকেটে গেছে। এ ছাড়াও তা দিয়ে কেনা হয় বিলাসবহুল ভবন, ব্যক্তিগত জেটবিমান, ভ্যান গগ ও মনের মতো বিখ্যাত চিত্রশিল্পীদের চিত্রকর্ম। এমনকি এই টাকা দিয়ে নির্মাণ করা হয় হলিউডের ব্লকবাস্টার হিট ছবিও।

কে-৪৭ রাইফেল তৈরি করে রাশিয়ার এমন একটি অস্ত্র নির্মাণ প্রতিষ্ঠানকে অবৈধ লেনদেনে সহযোগিতা করেছে বেকার ম্যাকেঞ্জি। আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ে রুশ কোম্পানিটি নিজেদের সব শেয়ার বিক্রি এবং সেই অর্থ দ্বিতীয় কোনো দেশে বিনিয়োগ করতে মার্কিন আইনি সহায়তা প্রতিষ্ঠানটির শরণাপন্ন হয়। যোগাযোগের সঙ্গে সঙ্গে কাজ হয়ে যায়। কোম্পানিটির তামার খনির সব বিক্রি করে সেই অর্থ মঙ্গলিয়ায় বিনিয়োগ করে দেয়।

এখানেই শেষ নয়, এভাবে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের শত শত কোম্পানিকে কর ফাঁকি ও অর্থ লুকানোর পথ করে দেয় বেকার ম্যাকেঞ্জি। ফাঁস হওয়া নথি বলছে, বেকার ম্যাকেঞ্জি মার্কিন বহুজাতিক খাদ্য ও তামাক কোম্পানি আরজেআর নাবিস্কোকে সাইপ্রাসে একাধিক কোম্পানি খুলতে সহায়তা করেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের আরেক বহুজাতিক কোম্পানি নাইকিকে কর ফাঁকিতে সহযোগিতা করেছিল এর আইনজীবীরা। শুধু তাই নয়, একইভাবে মার্কিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুককেও সহায়তা করেছে তারা। কর ফাঁকি দিতে তাদের সহায়তা নিয়েছে মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যাপলও।

প্যান্ডোরা পেপারসের চোখ কপালে তোলা আরও একটি তথ্য হলো, যুক্তরাষ্ট্রেও অফশোর তথা অর্থ লুকানোর নিরাপদ আশ্রয় বেড়েই চলেছে। ডেলাওয়ার, ওয়াইয়োমিং, নেভাদা, সাউথ ডাকোটার মতো কয়েকটি রাজ্য ইতোমধ্যে তেমনি আশ্রয় (ট্যাক্স হেভেন) হিসাবে পরিচিতি পেয়েছে। কোম্পানি করের হার এসব রাজ্যে খুবই কম। বিদেশ থেকে কে এখানে টাকা এনে কোম্পানি খুলল এবং কোথায় তা খাটাল, তা নিয়ে এসব রাজ্যের তেমন মাথাব্যথা নেই। অর্থ রাখার ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টদের অতি গোপনীয়তা তথা কখনোই তথ্য প্রকাশ করা হবে না-এমন প্রতিশ্রুতি দেয় অফশোর কোম্পানিগুলো। এ কারণেই দেশটিতে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বর্তমানে বিদেশি অর্থের প্রবাহ বেড়েছে। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক হিসাবই বলছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বছরে কমবেশি ৩০ হাজার কোটি ডলার যুক্তরাষ্ট্রে পাচার হয়ে আসছে।

যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা সংস্থা গ্লোবাল ফাইন্যান্সের লাক্সমি কুমার বলেন, ক্ষমতাধর মানুষেরা বিশ্বের বেশ কিছু দেশ এবং অঞ্চলে নিবন্ধিত নামসর্বস্ব বিভিন্ন কোম্পানির মাধ্যমে ‘টাকা পয়সা পাচার করে লুকিয়ে রাখতে সক্ষম হচ্ছেন।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন