অতিতাপে ধুঁকছে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মানুষ
jugantor
অতিতাপে ধুঁকছে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মানুষ
৩৫ বছরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত শহর ঢাকা

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৬ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

অতিতাপে ধুঁকছে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মানুষ

সাম্প্রতিক দশকগুলোতে লাখ লাখ মানুষ গ্রামাঞ্চল থেকে শহরে চলে এসেছে। আর এ প্রবণতার কারণে বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি জনসংখ্যার বাসস্থান হচ্ছে শহরাঞ্চল। যার ফলে ১৯৮০-এর দশক থেকে শহুরে তাপমাত্রা বেড়ে তিনগুণ হয়েছে-যা বিশ্বের প্রায় এক-চতুর্থাংশ জনসংখ্যাকে প্রভাবিত করে। সম্প্রতি পিএনএএস জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে এসব তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণায় আরও বলা হয়, এ সমস্যায় সবচেয়ে বেশি জর্জরিত শহর ঢাকা। এএফপি। পাথর, ইট, কংক্রিট আর পিচঢালা পথ শহরাঞ্চলের তাপমাত্রাকে এত বেশি উচ্চমাত্রায় নিয়ে গেছে, যার দরুন বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠেছে বিশ্বের বেশ কয়েকটি শহর। এ নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষণাপত্রে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। গবেষণার প্রধান লেখক ও কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় আর্থ ইনস্টিটিউটের পোস্ট ডক্টরাল গবেষক ক্যানস্যাড তুহলস্কি বলেন, ‘তাপমাত্রার এ প্রবণতা রোগব্যাধি এবং মৃত্যুহার বাড়িয়ে দেয়। এটি মানুষের কাজের ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে বলে অর্থনৈতিক উৎপাদনও ব্যাহত হয়।’

গবেষণায় উপাত্ত হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে ১৯৮৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ১৩ হাজারের বেশি শহরের সর্বাধিক দৈনিক তাপ ও আর্দ্রতার রেকর্ড। গবেষণাপত্রে বলা হয় তাপ জমানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত শহর ছিল ঢাকা। এই সময়ের মধ্যে শহরটির জনসংখ্যা বেড়ে গিয়েছিল নাটকীয়ভাবে। দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির মধ্যে থাকা অন্য শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে চীনের সাংহাই এবং গুয়াংজু, মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন, থাইল্যান্ডের ব্যাংকক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই।

এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৪০টি বড় শহরে তাপের দ্রুত বৃদ্ধি ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। যার মধ্যে হিউস্টন, ডালাস-ফোর্ট ওয়ার্থ, টেক্সাসের সান আন্তোনিও এবং অস্টিন, ফ্লোরিডার পেনসাকোলা, নেভাদার লাস ভেগাস, ব্যাটন রুজ এবং লুইসিয়ানাতে লেক চার্লস এবং প্রভিডেন্স রোড আইল্যান্ড।

অতিতাপে ধুঁকছে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মানুষ

৩৫ বছরে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত শহর ঢাকা
 যুগান্তর ডেস্ক 
০৬ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
অতিতাপে ধুঁকছে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মানুষ
প্রতীকী ছবি

সাম্প্রতিক দশকগুলোতে লাখ লাখ মানুষ গ্রামাঞ্চল থেকে শহরে চলে এসেছে। আর এ প্রবণতার কারণে বিশ্বের অর্ধেকেরও বেশি জনসংখ্যার বাসস্থান হচ্ছে শহরাঞ্চল। যার ফলে ১৯৮০-এর দশক থেকে শহুরে তাপমাত্রা বেড়ে তিনগুণ হয়েছে-যা বিশ্বের প্রায় এক-চতুর্থাংশ জনসংখ্যাকে প্রভাবিত করে। সম্প্রতি পিএনএএস জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে এসব তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণায় আরও বলা হয়, এ সমস্যায় সবচেয়ে বেশি জর্জরিত শহর ঢাকা। এএফপি। পাথর, ইট, কংক্রিট আর পিচঢালা পথ শহরাঞ্চলের তাপমাত্রাকে এত বেশি উচ্চমাত্রায় নিয়ে গেছে, যার দরুন বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠেছে বিশ্বের বেশ কয়েকটি শহর। এ নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষণাপত্রে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। গবেষণার প্রধান লেখক ও কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় আর্থ ইনস্টিটিউটের পোস্ট ডক্টরাল গবেষক ক্যানস্যাড তুহলস্কি বলেন, ‘তাপমাত্রার এ প্রবণতা রোগব্যাধি এবং মৃত্যুহার বাড়িয়ে দেয়। এটি মানুষের কাজের ক্ষমতাকে প্রভাবিত করে বলে অর্থনৈতিক উৎপাদনও ব্যাহত হয়।’

গবেষণায় উপাত্ত হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে ১৯৮৩ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ১৩ হাজারের বেশি শহরের সর্বাধিক দৈনিক তাপ ও আর্দ্রতার রেকর্ড। গবেষণাপত্রে বলা হয় তাপ জমানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত শহর ছিল ঢাকা। এই সময়ের মধ্যে শহরটির জনসংখ্যা বেড়ে গিয়েছিল নাটকীয়ভাবে। দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধির মধ্যে থাকা অন্য শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে চীনের সাংহাই এবং গুয়াংজু, মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন, থাইল্যান্ডের ব্যাংকক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই।

এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৪০টি বড় শহরে তাপের দ্রুত বৃদ্ধি ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। যার মধ্যে হিউস্টন, ডালাস-ফোর্ট ওয়ার্থ, টেক্সাসের সান আন্তোনিও এবং অস্টিন, ফ্লোরিডার পেনসাকোলা, নেভাদার লাস ভেগাস, ব্যাটন রুজ এবং লুইসিয়ানাতে লেক চার্লস এবং প্রভিডেন্স রোড আইল্যান্ড।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন