চীন মোকাবিলায় নতুন ইউনিট সিআইএ’র
jugantor
চীন মোকাবিলায় নতুন ইউনিট সিআইএ’র

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৮ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চীন মোকাবিলায় নতুন ইউনিট সিআইএ’র

চীনের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তৎপরতা আরও বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা সেন্ট্রাল ইনটেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ)। শুধু তাই নয়, দেশটির প্রতি নজর রেখে নতুন একটি গোয়েন্দা ইউনিটও গঠন করেছে সংস্থাটি। ইউনিটটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘চায়না মিশন সেন্টার’। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিআইএ প্রধান উইলিয়াম বার্নস। তিনি জানান, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মিশন এলাকাগুলোতে সম্প্রতি চীন যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে নতুন এই ইউনিটটি সেটাই মোকাবিলা করবে। বিশ্বে আধিপত্য বজায় রাখার লক্ষ্যে গত দুই দশক ধরে সিআইএ সন্ত্রাসবাদী হুমকি, চীন, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ইরাক ও সিরিয়ার সঙ্ঘাতের দিকে বেশির ভাগ মনোযোগ দিয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাদের এসব তৎপরতা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সিআইএ’র কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন, বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির জন্য নিয়োজিতদের সংখ্যা বিপজ্জনক হারে কমছে। এ বিষয়ে গত সপ্তাহে পাঠানো এক গোপন বার্তার মাধ্যমে তারা বিশ্বব্যাপী নিজেদের স্টেশন এবং ঘাঁটিগুলোকে সতর্কতা জারি করেন বলে নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাশিয়া, চীন, ইরান এবং পাকিস্তানের মতো দেশের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র এজেন্টদের বিরুদ্ধে রীতিমতো শিকারে নেমেছে এবং তাদের বন্দি বা হত্যা ছাড়াও কিছু ক্ষেত্রে ডবল এজেন্টে পরিণত করছে, যারা উলটো তথ্য গোপন ও ভুল তথ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কাজ করছে। শুধু তাই নয়, সিআইএ’র গতিবিধি নজরদারির জন্য বায়োমেট্রিক স্ক্যান, ফেসিয়াল রেকগনিশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং হ্যাকিং সরঞ্জামের মতো উদ্ভাবন কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান দক্ষতা দেখিয়েছে দেশগুলো। সতর্কতামূলক ওই তারবার্তার কয়েক দিন পরই চীনের বিরুদ্ধে নতুন গোয়েন্দা ইউনিট ঘোষণা করল সিআইএ।

সংস্থার পরিচালক উইলিয়াম বার্নস বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একুশ শতকের অন্যতম বড় ভূরাজনৈতিক হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে চীন। সেই হুমকি মোকাবিলায় সমন্বিতভাবে কাজ করবে চায়না মিশন সেন্টার। এই ঘোষণাকে ওয়াশিংটনের ‘কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বী’ বেইজিংয়ের ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতির গুরুত্বপূর্ণ বাঁকবদল হিসাবে দেখা হচ্ছে। চলতি বছরের জুন মাসেই বেইজিংয়ের সামরিক চ্যালেঞ্জ মূল্যায়ন ও মোকাবিলার প্রস্তুতি গ্রহণে নতুন একটি টাস্কফোর্স গঠনের জন্য পেন্টাগনকে নির্দেশ দেন বাইডেন।

বৈঠকে বসছেন জিনপিং-বাইডেন : দক্ষিণ চীন সাগর থেকে শুরু করে তাইওয়ান ও তালেবানসহ একাধিক বিষয়ে সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। এই পরিস্থিতিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্দেশ্যে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। হোয়াইট হাউস সূত্রের বরাত দিয়ে আলজাজিরা বলেছে, চলতি বছরের শেষের দিকে ভার্চুয়াল বৈঠকে বসতে চলেছেন বাইডেন ও জিনপিং। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, রোমে হতে চলা জি-২০ দেশগুলোর বৈঠকে আসছেন না চীনা প্রেসিডেন্ট। ফলে সেখানে তার সঙ্গে বাইডেনের বৈঠক হওয়া সম্ভব নয়। তাই ভার্চুয়ালি দুই রাষ্ট্রপ্রধান বৈঠক করবেন। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট (বাইডেন) বলেছেন, অনেক দিন শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার দেখা হয়নি।

চীন মোকাবিলায় নতুন ইউনিট সিআইএ’র

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৮ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
চীন মোকাবিলায় নতুন ইউনিট সিআইএ’র
ছবি: সংগৃহীত

চীনের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তৎপরতা আরও বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ গোয়েন্দা সংস্থা সেন্ট্রাল ইনটেলিজেন্স এজেন্সি (সিআইএ)। শুধু তাই নয়, দেশটির প্রতি নজর রেখে নতুন একটি গোয়েন্দা ইউনিটও গঠন করেছে সংস্থাটি। ইউনিটটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘চায়না মিশন সেন্টার’। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিআইএ প্রধান উইলিয়াম বার্নস। তিনি জানান, মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মিশন এলাকাগুলোতে সম্প্রতি চীন যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে নতুন এই ইউনিটটি সেটাই মোকাবিলা করবে। বিশ্বে আধিপত্য বজায় রাখার লক্ষ্যে গত দুই দশক ধরে সিআইএ সন্ত্রাসবাদী হুমকি, চীন, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ইরাক ও সিরিয়ার সঙ্ঘাতের দিকে বেশির ভাগ মনোযোগ দিয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তাদের এসব তৎপরতা ঝুঁকির মুখে পড়েছে। সিআইএ’র কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন, বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির জন্য নিয়োজিতদের সংখ্যা বিপজ্জনক হারে কমছে। এ বিষয়ে গত সপ্তাহে পাঠানো এক গোপন বার্তার মাধ্যমে তারা বিশ্বব্যাপী নিজেদের স্টেশন এবং ঘাঁটিগুলোকে সতর্কতা জারি করেন বলে নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রাশিয়া, চীন, ইরান এবং পাকিস্তানের মতো দেশের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র এজেন্টদের বিরুদ্ধে রীতিমতো শিকারে নেমেছে এবং তাদের বন্দি বা হত্যা ছাড়াও কিছু ক্ষেত্রে ডবল এজেন্টে পরিণত করছে, যারা উলটো তথ্য গোপন ও ভুল তথ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কাজ করছে। শুধু তাই নয়, সিআইএ’র গতিবিধি নজরদারির জন্য বায়োমেট্রিক স্ক্যান, ফেসিয়াল রেকগনিশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং হ্যাকিং সরঞ্জামের মতো উদ্ভাবন কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান দক্ষতা দেখিয়েছে দেশগুলো। সতর্কতামূলক ওই তারবার্তার কয়েক দিন পরই চীনের বিরুদ্ধে নতুন গোয়েন্দা ইউনিট ঘোষণা করল সিআইএ।

সংস্থার পরিচালক উইলিয়াম বার্নস বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একুশ শতকের অন্যতম বড় ভূরাজনৈতিক হুমকি হয়ে দেখা দিয়েছে চীন। সেই হুমকি মোকাবিলায় সমন্বিতভাবে কাজ করবে চায়না মিশন সেন্টার। এই ঘোষণাকে ওয়াশিংটনের ‘কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বী’ বেইজিংয়ের ব্যাপারে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের পররাষ্ট্রনীতির গুরুত্বপূর্ণ বাঁকবদল হিসাবে দেখা হচ্ছে। চলতি বছরের জুন মাসেই বেইজিংয়ের সামরিক চ্যালেঞ্জ মূল্যায়ন ও মোকাবিলার প্রস্তুতি গ্রহণে নতুন একটি টাস্কফোর্স গঠনের জন্য পেন্টাগনকে নির্দেশ দেন বাইডেন।

বৈঠকে বসছেন জিনপিং-বাইডেন : দক্ষিণ চীন সাগর থেকে শুরু করে তাইওয়ান ও তালেবানসহ একাধিক বিষয়ে সংঘাতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। এই পরিস্থিতিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্দেশ্যে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। হোয়াইট হাউস সূত্রের বরাত দিয়ে আলজাজিরা বলেছে, চলতি বছরের শেষের দিকে ভার্চুয়াল বৈঠকে বসতে চলেছেন বাইডেন ও জিনপিং। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, রোমে হতে চলা জি-২০ দেশগুলোর বৈঠকে আসছেন না চীনা প্রেসিডেন্ট। ফলে সেখানে তার সঙ্গে বাইডেনের বৈঠক হওয়া সম্ভব নয়। তাই ভার্চুয়ালি দুই রাষ্ট্রপ্রধান বৈঠক করবেন। ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট (বাইডেন) বলেছেন, অনেক দিন শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার দেখা হয়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন