বন্যার পানিতে সমুদ্রবিলাস
jugantor
বন্যার পানিতে সমুদ্রবিলাস

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৯ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গত দুই সপ্তাহ ধরে বন্যায় ধুঁকছে থাইল্যান্ড। দেশটির উত্তর ও মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে ৭০ হাজার ঘরবাড়ি বন্যাকবলিত। মৃত্যুও হয়েছে অনেকের। ব্যাংককে স্থানীয়ভাবে জারি করা হয়েছে বন্যা সতর্কতা। এ অবস্থায় দেখা গেল অন্যরকম দৃশ্য। বন্যাকবলিত এলাকার থাই রেস্তোরাঁগুলোতে জমে উঠেছে গ্রাহকদের ভিড়।

উদ্দেশ্য শুধু খাওয়া নয়, তারা দেখতে এসেছেন বানপানির ছলাৎছলাৎ ঢেউ। এ যেন বন্যার পানিতে সমুদ্রবিলাস। ব্যাংককের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ নদী চাও ফ্রায়া। গত এক সপ্তাহে এ নদীতে বানের স্রোতঅপ্রত্যাশিতভাবে বেড়ে চলেছে। এ অবস্থায় স্রোতেরঢেউগুলো আছড়ে পড়ছে আশপাশের স্থাপনাগুলোতে।

কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্লাবিতও হচ্ছে ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। স্থানীয় লোকজন প্রাণভয়ে অন্য উঁচু স্থানে আশ্রয় নিলেও নদীতীরবর্তী রেস্তোরাঁগুলোর ব্যবসা এখন জমজমাট। চেয়ারটেবিল পানিতে ভাসলেও সেখানে বসেই খেয়ে নিচ্ছেন পরিবেশিত খাবার। আর উপভোগ করছেন নদীভাসা দৃশ্য।

এমনই এক রেস্তোরাঁর মালিক তিতিপর্ন জুতিমানন আশঙ্কায় ছিলেন সম্প্রতি মহামারির ধকল সামলে ওঠার পর বন্যার কারণে আবারও তল্পিতল্পা নিয়ে পথে বসতে হবে।

কিন্তু চাও ফ্রায়া নদীর ক্রমবর্ধমান জোয়ারের সঙ্গে তাল মিলিয়েই যেন চাঙ্গা হচ্ছে তার ব্যবসা। রেস্তোরাঁর পাশেই বাঁধা রয়েছে নৌকার সারি, যেগুলোতে চড়ে উপভোগ করা যাবে আছড়ে পড়া উত্তাল ঢেউগুলো। বানের পানিতে ডুবে যাওয়া রেস্তোরাঁর চেয়ারে বসে খাবার গ্রহণের ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

টিটিপর্ন বলেন, ‘বন্যাসংকট আমার জন্য সুযোগে পরিণত হয়েছে। গ্রাহকরা ঢেউ খুব পছন্দ করছেন। পাশাপাশি উপভোগ করছেন শুয়োরের মাংসের বারবিকিউ পার্টি।’

এখানে আসা ৩০ বছর বয়সি ক্রেতা জেতদানাই বুনর্ড উল্লাস করে হাসতে হাসতে বলেন, ‘খেতে খেতে আমরা ভেসে ভেসে দূরে কোথাও চলে যেতে পারি। এটা একটা মজাদার চ্যালেঞ্জ’ -গার্ডিয়ান

বন্যার পানিতে সমুদ্রবিলাস

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৯ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গত দুই সপ্তাহ ধরে বন্যায় ধুঁকছে থাইল্যান্ড। দেশটির উত্তর ও মধ্যাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে ৭০ হাজার ঘরবাড়ি বন্যাকবলিত। মৃত্যুও হয়েছে অনেকের। ব্যাংককে স্থানীয়ভাবে জারি করা হয়েছে বন্যা সতর্কতা। এ অবস্থায় দেখা গেল অন্যরকম দৃশ্য। বন্যাকবলিত এলাকার থাই রেস্তোরাঁগুলোতে জমে উঠেছে গ্রাহকদের ভিড়।

উদ্দেশ্য শুধু খাওয়া নয়, তারা দেখতে এসেছেন বানপানির ছলাৎছলাৎ ঢেউ। এ যেন বন্যার পানিতে সমুদ্রবিলাস। ব্যাংককের ভেতর দিয়ে বয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ নদী চাও ফ্রায়া। গত এক সপ্তাহে এ নদীতে বানের স্রোত অপ্রত্যাশিতভাবে বেড়ে চলেছে। এ অবস্থায় স্রোতের ঢেউগুলো আছড়ে পড়ছে আশপাশের স্থাপনাগুলোতে।

কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্লাবিতও হচ্ছে ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। স্থানীয় লোকজন প্রাণভয়ে অন্য উঁচু স্থানে আশ্রয় নিলেও নদীতীরবর্তী রেস্তোরাঁগুলোর ব্যবসা এখন জমজমাট। চেয়ারটেবিল পানিতে ভাসলেও সেখানে বসেই খেয়ে নিচ্ছেন পরিবেশিত খাবার। আর উপভোগ করছেন নদীভাসা দৃশ্য।

এমনই এক রেস্তোরাঁর মালিক তিতিপর্ন জুতিমানন আশঙ্কায় ছিলেন সম্প্রতি মহামারির ধকল সামলে ওঠার পর বন্যার কারণে আবারও তল্পিতল্পা নিয়ে পথে বসতে হবে।

কিন্তু চাও ফ্রায়া নদীর ক্রমবর্ধমান জোয়ারের সঙ্গে তাল মিলিয়েই যেন চাঙ্গা হচ্ছে তার ব্যবসা। রেস্তোরাঁর পাশেই বাঁধা রয়েছে নৌকার সারি, যেগুলোতে চড়ে উপভোগ করা যাবে আছড়ে পড়া উত্তাল ঢেউগুলো। বানের পানিতে ডুবে যাওয়া রেস্তোরাঁর চেয়ারে বসে খাবার গ্রহণের ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

টিটিপর্ন বলেন, ‘বন্যাসংকট আমার জন্য সুযোগে পরিণত হয়েছে। গ্রাহকরা ঢেউ খুব পছন্দ করছেন। পাশাপাশি উপভোগ করছেন শুয়োরের মাংসের বারবিকিউ পার্টি।’

এখানে আসা ৩০ বছর বয়সি ক্রেতা জেতদানাই বুনর্ড উল্লাস করে হাসতে হাসতে বলেন, ‘খেতে খেতে আমরা ভেসে ভেসে দূরে কোথাও চলে যেতে পারি। এটা একটা মজাদার চ্যালেঞ্জ’ -গার্ডিয়ান

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন