তাইওয়ানকে ‘একীভূত’ করার অঙ্গীকার চীনা প্রেসিডেন্টের
jugantor
তাইওয়ানকে ‘একীভূত’ করার অঙ্গীকার চীনা প্রেসিডেন্টের
তাইওয়ানের ভবিষ্যৎ এর জনগণের হাতেই : তাইপে

  যুগান্তর ডেস্ক  

১০ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

তাইওয়ানকে পুনরায় চীনের সঙ্গে ‘একীভূত’ করা হবে। আবারও অঙ্গীকার করলেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তবে সেটা সামরিক শক্তি প্রয়োগের মধ্য দিয়ে করা হবে কিনা এবার তা সরাসরি উল্লেখ করেননি। দ্বীপ দেশটির ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের মধ্যে শনিবার এই অঙ্গীকার করেন তিনি। চীনা প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্যে তাৎক্ষণিক কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তাইওয়ান। দেশটির প্রেসিডেন্ট দপ্তর বলেছে, ‘তাইওয়ানের ভবিষ্যৎ এর জনগণের হাতেই।’

শিনহাই বিপ্লবের ১১০তম বার্ষিকী উদযাপন করছে চীন। ১৯১১ সালে চীনের শিনহাই বিপ্লবের মাধ্যমে দেশটিতে রাজতান্ত্রিক শাসনের অবসান হয় এবং গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষ্যে রাজধানী বেইজিংয়ের গ্রেট হলে এক অনুষ্ঠানে জিনপিং বলেন, বিচ্ছিন্নতাবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে চীনা জনগণের একটি গৌরবের ইতিহাস রয়েছে।’ তাইওয়ানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে এক ধরনের চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। চলতি বছরের ১ অক্টোবর থেকে পরপর চার দিন তাইওয়ানের আকাশসীমায় হানা দিয়েছে চীনের বিমানবাহিনী। চীনের এই পদক্ষেপে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে তাইওয়ানের সরকার। তাইওয়ানের প্রধানমন্ত্রী সু সেঙ চ্যাঙ বলেন, চীন তার পেশিশক্তি প্রদর্শন করছে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা সৃষ্টি করছে। তিনি আরও বলেন, ‘এ কারণে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারে বিশ্বাসী দেশগুলো একসাথে কাজ করছে এবং চীনকে তাইওয়ানে হামলা না করার জন্য বারবার সতর্কতা করছে।’ এর মাঝেই তাইওয়ানকে একীভূত করার অঙ্গীকার করে জিনপিং বলেন, ‘এক দেশ-দুই ব্যবস্থা’ নীতির অধীনে শান্তিপূর্ণভাবে তাইওয়ানকে একত্র দেখতে চাই। যে ব্যবস্থা হংকংয়েও চালু আছে। তাইওয়ানের স্বাধীনতা চাওয়া একত্রীকরণে এবং জাতীয় পুনরুজ্জীবনের জন্য সবচেয়ে বড় বাধা মনে করেন চীনা প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘তাইওয়ানের স্বাধীন বিচ্ছিন্নতাবাদী মনোভাব আমাদের মাতৃভূমির একীভূত করার পথে বড় বাধা।’ তিনি বলেন, একই সাথে জাতীয় প্রেরণার জন্য এটি গুরুতর গোপন বিপদ। আমাদের দেশের একীভূতকরণ সম্পূর্ণ হবে এবং তা সম্ভব। শান্তিপূর্ণভাবে ‘একীভূতকরণ’ তাইওয়ানের জনগণের স্বার্থকে পূরণ করবে। জিনপিংয়ের এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, ‘এক দেশে দুই নীতি’ প্রত্যাখ্যান করার ক্ষেত্রে তাইওয়ানের জনমত খুবই স্পষ্ট। এ ছাড়া বেইজিংকে তাইওয়ান ভূখণ্ডে ‘অনুপ্রবেশ, হয়রানি ও ধ্বংসের উত্তেজনাকর পদক্ষেপ’ পরিত্যাগের আহ্বান জানানো হয়েছে।

তাইওয়ানকে ‘একীভূত’ করার অঙ্গীকার চীনা প্রেসিডেন্টের

তাইওয়ানের ভবিষ্যৎ এর জনগণের হাতেই : তাইপে
 যুগান্তর ডেস্ক 
১০ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

তাইওয়ানকে পুনরায় চীনের সঙ্গে ‘একীভূত’ করা হবে। আবারও অঙ্গীকার করলেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তবে সেটা সামরিক শক্তি প্রয়োগের মধ্য দিয়ে করা হবে কিনা এবার তা সরাসরি উল্লেখ করেননি। দ্বীপ দেশটির ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগের মধ্যে শনিবার এই অঙ্গীকার করেন তিনি। চীনা প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্যে তাৎক্ষণিক কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তাইওয়ান। দেশটির প্রেসিডেন্ট দপ্তর বলেছে, ‘তাইওয়ানের ভবিষ্যৎ এর জনগণের হাতেই।’

শিনহাই বিপ্লবের ১১০তম বার্ষিকী উদযাপন করছে চীন। ১৯১১ সালে চীনের শিনহাই বিপ্লবের মাধ্যমে দেশটিতে রাজতান্ত্রিক শাসনের অবসান হয় এবং গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষ্যে রাজধানী বেইজিংয়ের গ্রেট হলে এক অনুষ্ঠানে জিনপিং বলেন, বিচ্ছিন্নতাবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে চীনা জনগণের একটি গৌরবের ইতিহাস রয়েছে।’ তাইওয়ানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে এক ধরনের চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে। চলতি বছরের ১ অক্টোবর থেকে পরপর চার দিন তাইওয়ানের আকাশসীমায় হানা দিয়েছে চীনের বিমানবাহিনী। চীনের এই পদক্ষেপে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে তাইওয়ানের সরকার। তাইওয়ানের প্রধানমন্ত্রী সু সেঙ চ্যাঙ বলেন, চীন তার পেশিশক্তি প্রদর্শন করছে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা সৃষ্টি করছে। তিনি আরও বলেন, ‘এ কারণে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারে বিশ্বাসী দেশগুলো একসাথে কাজ করছে এবং চীনকে তাইওয়ানে হামলা না করার জন্য বারবার সতর্কতা করছে।’ এর মাঝেই তাইওয়ানকে একীভূত করার অঙ্গীকার করে জিনপিং বলেন, ‘এক দেশ-দুই ব্যবস্থা’ নীতির অধীনে শান্তিপূর্ণভাবে তাইওয়ানকে একত্র দেখতে চাই। যে ব্যবস্থা হংকংয়েও চালু আছে। তাইওয়ানের স্বাধীনতা চাওয়া একত্রীকরণে এবং জাতীয় পুনরুজ্জীবনের জন্য সবচেয়ে বড় বাধা মনে করেন চীনা প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, ‘তাইওয়ানের স্বাধীন বিচ্ছিন্নতাবাদী মনোভাব আমাদের মাতৃভূমির একীভূত করার পথে বড় বাধা।’ তিনি বলেন, একই সাথে জাতীয় প্রেরণার জন্য এটি গুরুতর গোপন বিপদ। আমাদের দেশের একীভূতকরণ সম্পূর্ণ হবে এবং তা সম্ভব। শান্তিপূর্ণভাবে ‘একীভূতকরণ’ তাইওয়ানের জনগণের স্বার্থকে পূরণ করবে। জিনপিংয়ের এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, ‘এক দেশে দুই নীতি’ প্রত্যাখ্যান করার ক্ষেত্রে তাইওয়ানের জনমত খুবই স্পষ্ট। এ ছাড়া বেইজিংকে তাইওয়ান ভূখণ্ডে ‘অনুপ্রবেশ, হয়রানি ও ধ্বংসের উত্তেজনাকর পদক্ষেপ’ পরিত্যাগের আহ্বান জানানো হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন