কোরীয় উপদ্বীপে উত্তেজনার জন্য দায়ী যুক্তরাষ্ট্র : কিম
jugantor
কোরীয় উপদ্বীপে উত্তেজনার জন্য দায়ী যুক্তরাষ্ট্র : কিম

  যুগান্তকর ডেস্ক  

১৩ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কোরীয় উপদ্বীপে অস্থিতিশীলতার জন্য দায়ী যুক্তরাষ্ট্র। নিজেদের প্রথম আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র হুয়াসং-১৬ এর সামনে দাঁড়িয়ে মঙ্গলবার এ কথা বলেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুতামূলক কার্যক্রমের নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে ওয়াশিংটন যে ব্যবহার করছে তা শত্রুতা ছাড়া আর কিছুই নয়।’ আত্মরক্ষা-২০২১’ নামক অস্ত্র প্রদর্শনীর এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধনকালে কিম আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুতামূলক নীতির মুখে ‘অপরাজেয় সামরিক বাহিনী’ গড়ে তুলবে উত্তর কোরিয়া। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর জন্য নয়, উত্তর কোরিয়ার অস্ত্র উৎপাদন আত্মরক্ষার জন্য বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। কিম বলেন, ‘আমরা কারও সঙ্গে যুদ্ধ করার কথা আলোচনা করছি না, বরং আক্ষরিক অর্থে যুদ্ধকে প্রতিরোধ করতে এবং জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যুদ্ধ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বৃদ্ধির চেষ্টা করছি।’ যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো সময় উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা শুরু করতে প্রস্তুত বললেও পিয়ংইয়ং বলেছে, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ওয়াশিংটন দক্ষিণ কোরিয়ায় তার সামরিক কার্যক্রম বন্ধ না করা পর্যন্ত তারা আলোচনায় অংশ নেবে না।

সম্প্রতি উত্তর কোরিয়া তার অত্যাধুনিক স্বল্প পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং অন্যান্য অস্ত্রের পরীক্ষা বাড়িয়ে দিয়েছে। কেউ কেউ বলছে, দেশটি তার পারমাণবিক চুল্লির সম্প্রসারণ করেছে। অন্য দিকে দ. কোরিয়া তাদের প্রথম সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছে। তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে এফ-৩৫ কিনেছে। উত্তর কোরিয়ার হামলা ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র দ. কোরিয়ায় প্রায় সাড়ে ২৮ হাজার সৈন্য মোতায়েন করেছে। আগস্টে ওয়াশিংটন এবং সিউলের যৌথ সামরিক মহড়াকে কিম ‘যুদ্ধের প্রস্তুতি’ হিসাবে অভিহিত করেন।

কোরীয় উপদ্বীপে উত্তেজনার জন্য দায়ী যুক্তরাষ্ট্র : কিম

 যুগান্তকর ডেস্ক 
১৩ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কোরীয় উপদ্বীপে অস্থিতিশীলতার জন্য দায়ী যুক্তরাষ্ট্র। নিজেদের প্রথম আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র হুয়াসং-১৬ এর সামনে দাঁড়িয়ে মঙ্গলবার এ কথা বলেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুতামূলক কার্যক্রমের নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে ওয়াশিংটন যে ব্যবহার করছে তা শত্রুতা ছাড়া আর কিছুই নয়।’ আত্মরক্ষা-২০২১’ নামক অস্ত্র প্রদর্শনীর এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধনকালে কিম আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুতামূলক নীতির মুখে ‘অপরাজেয় সামরিক বাহিনী’ গড়ে তুলবে উত্তর কোরিয়া। দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর জন্য নয়, উত্তর কোরিয়ার অস্ত্র উৎপাদন আত্মরক্ষার জন্য বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। কিম বলেন, ‘আমরা কারও সঙ্গে যুদ্ধ করার কথা আলোচনা করছি না, বরং আক্ষরিক অর্থে যুদ্ধকে প্রতিরোধ করতে এবং জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যুদ্ধ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা বৃদ্ধির চেষ্টা করছি।’ যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো সময় উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা শুরু করতে প্রস্তুত বললেও পিয়ংইয়ং বলেছে, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ওয়াশিংটন দক্ষিণ কোরিয়ায় তার সামরিক কার্যক্রম বন্ধ না করা পর্যন্ত তারা আলোচনায় অংশ নেবে না।

সম্প্রতি উত্তর কোরিয়া তার অত্যাধুনিক স্বল্প পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং অন্যান্য অস্ত্রের পরীক্ষা বাড়িয়ে দিয়েছে। কেউ কেউ বলছে, দেশটি তার পারমাণবিক চুল্লির সম্প্রসারণ করেছে। অন্য দিকে দ. কোরিয়া তাদের প্রথম সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছে। তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে এফ-৩৫ কিনেছে। উত্তর কোরিয়ার হামলা ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র দ. কোরিয়ায় প্রায় সাড়ে ২৮ হাজার সৈন্য মোতায়েন করেছে। আগস্টে ওয়াশিংটন এবং সিউলের যৌথ সামরিক মহড়াকে কিম ‘যুদ্ধের প্রস্তুতি’ হিসাবে অভিহিত করেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন