বার্ধক্য প্রাকৃতিক ব্যাপার নয়, রোগ
jugantor
জেনেটিক বিজ্ঞানীর গবেষণা
বার্ধক্য প্রাকৃতিক ব্যাপার নয়, রোগ

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৪ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জন্মের পর শিশু একদিন বড় হবে। এরপর কৈশোর, যুবাবয়স পেরিয়ে বৃদ্ধ হবে সে। এটাই প্রাকৃতিক নিয়ম এবং নিয়তি। অধিকাংশ মানুষই এভাবেই জীবনকে দেখে। কিন্তু জেনেটিক বিজ্ঞানী ডেভিড সিনক্লেয়ার তা মনে করেন না। দুই দশকেরও বেশি সময় গবেষণা করে তিনি এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন-‘বার্ধক্য একটি রোগ, এটি নিরাময়যোগ্য। দীর্ঘ ও সুস্থ জীবনের জন্য শুধু প্রয়োজন কিছু সহজ অভ্যাস।’ বিবিসি।

ড. সিনক্লেয়ার বিশ্বাস করেন, এমন দিন খুব দূরে নেই যখন ওষুধের সাহায্যে বার্ধক্য সারিয়ে তোলা সম্ভব হবে। এসব ওষুধ এখন পরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে এবং এই ওষুধগুলো দিয়ে বুড়ো হওয়ার প্রক্রিয়া আটকে দেওয়া যাবে বলে জানালেন তিনি।

বিজ্ঞানী ড. ডেভিড সিনক্লেয়ার অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট করেছেন এবং পরবর্তী সময়ে গবেষণা করেছেন আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে। বর্তমানে তিনি হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির একটি ল্যাবরেটোরির প্রধান, যেখানে তার গবেষণার বিষয়-‘কেন আমরা বুড়ো হই’।

তার গবেষণার জন্য তিনি বিজ্ঞান জগতের বহু পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি একজন সেলিব্রিটিও। টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ জনের তালিকায় তিনি নির্বাচিত একজন ব্যক্তিত্ব এবং টুইটারে তার অনুসারীর সংখ্যা দুই লাখ। তার ৩৫টি গবেষণার মালিক তিনি। বেশ কয়েকটি জৈবপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের হয় প্রতিষ্ঠাতা, নয় তো কাজের সূত্রে সেগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বেশ কয়েকটি কাজের ক্ষেত্র হলো-বার্ধক্য বিলম্বিত করা বা ঠেকানো।

মেরিল লিঞ্চ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী বার্ধক্য সংক্রান্ত কাজে বর্তমানে ব্যয় হচ্ছে ১১ হাজার কোটি ডলার, যা ২০২৫ সালে গিয়ে দাঁড়াবে ৬০ হাজার কোটি বা ৬০০ বিলিয়ন ডলার।

ড. সিনক্লেয়ার বলছেন, ‘বুড়ো বয়স নিয়ে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি যদি আমরা একেবারে পালটে ফেলতে পারি, তাহলে মানবজাতির আয়ু উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব হবে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের যে অগ্রগতি হয়েছে তার ফলে আমাদের আয়ু আরও বছরদুয়েক হয়তো বাড়ানো যাবে।

জেনেটিক বিজ্ঞানীর গবেষণা

বার্ধক্য প্রাকৃতিক ব্যাপার নয়, রোগ

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৪ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জন্মের পর শিশু একদিন বড় হবে। এরপর কৈশোর, যুবাবয়স পেরিয়ে বৃদ্ধ হবে সে। এটাই প্রাকৃতিক নিয়ম এবং নিয়তি। অধিকাংশ মানুষই এভাবেই জীবনকে দেখে। কিন্তু জেনেটিক বিজ্ঞানী ডেভিড সিনক্লেয়ার তা মনে করেন না। দুই দশকেরও বেশি সময় গবেষণা করে তিনি এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন-‘বার্ধক্য একটি রোগ, এটি নিরাময়যোগ্য। দীর্ঘ ও সুস্থ জীবনের জন্য শুধু প্রয়োজন কিছু সহজ অভ্যাস।’ বিবিসি।

ড. সিনক্লেয়ার বিশ্বাস করেন, এমন দিন খুব দূরে নেই যখন ওষুধের সাহায্যে বার্ধক্য সারিয়ে তোলা সম্ভব হবে। এসব ওষুধ এখন পরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে এবং এই ওষুধগুলো দিয়ে বুড়ো হওয়ার প্রক্রিয়া আটকে দেওয়া যাবে বলে জানালেন তিনি।

বিজ্ঞানী ড. ডেভিড সিনক্লেয়ার অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট করেছেন এবং পরবর্তী সময়ে গবেষণা করেছেন আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি থেকে। বর্তমানে তিনি হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির একটি ল্যাবরেটোরির প্রধান, যেখানে তার গবেষণার বিষয়-‘কেন আমরা বুড়ো হই’।

তার গবেষণার জন্য তিনি বিজ্ঞান জগতের বহু পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি একজন সেলিব্রিটিও। টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ জনের তালিকায় তিনি নির্বাচিত একজন ব্যক্তিত্ব এবং টুইটারে তার অনুসারীর সংখ্যা দুই লাখ। তার ৩৫টি গবেষণার মালিক তিনি। বেশ কয়েকটি জৈবপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের হয় প্রতিষ্ঠাতা, নয় তো কাজের সূত্রে সেগুলোর সঙ্গে সম্পৃক্ত। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর বেশ কয়েকটি কাজের ক্ষেত্র হলো-বার্ধক্য বিলম্বিত করা বা ঠেকানো।

মেরিল লিঞ্চ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী বার্ধক্য সংক্রান্ত কাজে বর্তমানে ব্যয় হচ্ছে ১১ হাজার কোটি ডলার, যা ২০২৫ সালে গিয়ে দাঁড়াবে ৬০ হাজার কোটি বা ৬০০ বিলিয়ন ডলার।

ড. সিনক্লেয়ার বলছেন, ‘বুড়ো বয়স নিয়ে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি যদি আমরা একেবারে পালটে ফেলতে পারি, তাহলে মানবজাতির আয়ু উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব হবে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের যে অগ্রগতি হয়েছে তার ফলে আমাদের আয়ু আরও বছরদুয়েক হয়তো বাড়ানো যাবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন