অভ্যুত্থানের ঘটনা বললেন ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট
jugantor
অভ্যুত্থানের ঘটনা বললেন ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট

   

১৪ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রিয় নেত্রী অং সান সু চির ৭৩তম জন্মদিনের কেক কাটার অনুষ্ঠানে পাশে মোমবাতি হাতে দাঁড়িয়ে আছেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট। ১৯ জুন ২০১৮ সালের এ ছবিটি এখন শুধুই স্মৃতি। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর এই নেতা এখন আসামি। গত বছরের ১ ফেব্রুয়ারির ভোররাতের অভ্যুত্থানে তাকে বন্দি করে জান্তারা। তারপর থেকেই আলোচনার বাইরেই ছিলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট। মঙ্গলবার রাজধানী নেপিদোর আদালতে হাজিরা দিতে এসে প্রথমবারের মতো অভ্যুত্থান মুহূর্তের বর্ণনা দেন তিনি। বলেন, ‘হঠাৎ ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তারা তার ঘরে প্রবেশ করে রুগ্নস্বাস্থ্যের কারণে তাকে পদত্যাগ করতে বলেন। উইন মিন্ট তাদের কথা অমান্য করে বলেছিলেন, তার স্বাস্থ্য ভালো আছে। এরপর সেনা কর্তারা তাকে হুমকি দিয়ে বলেন, পদত্যাগ না করলে তার অনেক ক্ষতি হবে। প্রেসিডেন্ট মিন্ট এরপরও অনড় থেকে বলেছিলেন, ‘পদত্যাগে রাজি হওয়ার চেয়ে বরং তিনি মৃত্যুবরণ করতেও প্রস্তুত।’ তার আইনজীবী মুয়াং জ সাংবাদিকদের কাছে টেক্সট মেসেজ পাঠিয়ে সেই সাক্ষ্যের বিবরণ তুলে ধরেছেন। এদিকে সোমবার দেশটির সাগাইং অঞ্চলে বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান সামরিক বাহিনীর সদস্যরা। এ সময় ৩০ সেনাসদস্যকে হত্যা করে বিদ্রোহীরা। বুধবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে এএনআই। জান্তাবিরোধী প্রতিরোধ যোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের (পিডিএফ) সদস্যদের বরাত দিয়ে রেডিও ফ্রি এশিয়া জানিয়েছে, সেনারা সাগাইং অঞ্চলে অভিযান শুরু করলে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ ঘটে। এএফপি

অভ্যুত্থানের ঘটনা বললেন ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট

  
১৪ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

প্রিয় নেত্রী অং সান সু চির ৭৩তম জন্মদিনের কেক কাটার অনুষ্ঠানে পাশে মোমবাতি হাতে দাঁড়িয়ে আছেন মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট। ১৯ জুন ২০১৮ সালের এ ছবিটি এখন শুধুই স্মৃতি। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর এই নেতা এখন আসামি। গত বছরের ১ ফেব্রুয়ারির ভোররাতের অভ্যুত্থানে তাকে বন্দি করে জান্তারা। তারপর থেকেই আলোচনার বাইরেই ছিলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট। মঙ্গলবার রাজধানী নেপিদোর আদালতে হাজিরা দিতে এসে প্রথমবারের মতো অভ্যুত্থান মুহূর্তের বর্ণনা দেন তিনি। বলেন, ‘হঠাৎ ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তারা তার ঘরে প্রবেশ করে রুগ্নস্বাস্থ্যের কারণে তাকে পদত্যাগ করতে বলেন। উইন মিন্ট তাদের কথা অমান্য করে বলেছিলেন, তার স্বাস্থ্য ভালো আছে। এরপর সেনা কর্তারা তাকে হুমকি দিয়ে বলেন, পদত্যাগ না করলে তার অনেক ক্ষতি হবে। প্রেসিডেন্ট মিন্ট এরপরও অনড় থেকে বলেছিলেন, ‘পদত্যাগে রাজি হওয়ার চেয়ে বরং তিনি মৃত্যুবরণ করতেও প্রস্তুত।’ তার আইনজীবী মুয়াং জ সাংবাদিকদের কাছে টেক্সট মেসেজ পাঠিয়ে সেই সাক্ষ্যের বিবরণ তুলে ধরেছেন। এদিকে সোমবার দেশটির সাগাইং অঞ্চলে বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান সামরিক বাহিনীর সদস্যরা। এ সময় ৩০ সেনাসদস্যকে হত্যা করে বিদ্রোহীরা। বুধবার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে এএনআই। জান্তাবিরোধী প্রতিরোধ যোদ্ধাদের নিয়ে গঠিত পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের (পিডিএফ) সদস্যদের বরাত দিয়ে রেডিও ফ্রি এশিয়া জানিয়েছে, সেনারা সাগাইং অঞ্চলে অভিযান শুরু করলে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ ঘটে। এএফপি

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন