বৃহস্পতির পথে প্রথম সৌর-মহাকাশযান
jugantor
বৃহস্পতির পথে প্রথম সৌর-মহাকাশযান

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৭ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বৃহস্পতির পথে প্রথম সৌর-মহাকাশযান

চলতি দশক মহাকাশ গবেষণায় নতুন নতুন দিশা দেখাবে বলে অনেক আগেই জানিয়েছিল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। চাঁদ ও মঙ্গল ছাড়াও বুধের উদ্দেশ্যেও পাঠানো হয়েছে যান। এবার আরও অজানা এলাকায় পাড়ি দিল নাসা। শনিবারই প্রথমবারের মতো সৌরশক্তি চালিত মহাকাশযান পাঠিয়েছে সংস্থাটি। মহাকাশযানটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘লুসি’। এই নামকরণ হয়েছে দুনিয়ার আদিম এক মনুষ্য প্রজাতির নামে। বৃহস্পতি গ্রহকে কেন্দ্র করে যেসব গ্রহাণু বা অ্যাস্টেরয়েড প্রদক্ষিণ করে চলেছে, তার খোঁজখবর নেবে নাসার এই মহাকাশযান। এই গ্রহাণুদের বলা হয় ট্রোজান অ্যাস্টেরয়েড। এই চত্বরে এখনো কোনো দেশের মহাকাশযান পৌঁছেনি। শনিবার বিকাল ৩টা নাগাদ ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে অ্যাটলাস ভি রকেটে চেপে পাড়ি দেয় লুসি। টানা ১২ বছর কাজ করবে লুসি। ট্রোজান গ্রহাণুর কোনোটা লাল রঙের তো কোনোটা সবুজ। আবার কোনটাবা আবার ধূসর। কেন এই রঙের পার্থক্য। আদতে কী কী মৌল বা ধাতু আছে তা দেখবে লুসি। সোনা, কোবাল্ট, নিকেল, প্ল্যাটিনাম ইত্যাদি ধাতু থাকার সম্ভাবনা রয়েছে গ্রহাণুগুলোতে। সেসব কতটা পরিমাণে আছে তা সরেজমিন খতিয়ে দেখতে যাচ্ছে লুসি। রয়টার্স জানায়, ৩২ লাখ বছর আগের মানুষের একটি কঙ্কাল আবিষ্কারের পর সেটিকে মানবজাতির বিবর্তনের ইতিবৃত্ত জানার অন্যতম প্রধান সূত্র বলে ধরা হয়। ওই কঙ্কালটির নাম লুসি রাখা হয়েছিল তার আবিষ্কর্তার নামে। নাসার মতে, লুসি যেমন শুরুর দিককার মনুষ্য জাতির প্রতিনিধিত্ব করে, তেমনি তাদের এই অভিযানও সৌরজগতের প্রারম্ভিক বিষয়-আশয় বোঝার ক্ষেত্রে তথ্য জোগাবে। নাসার বিজ্ঞানী টম স্টেটলার বলেন, ‘লুসির সঙ্গে ১২ বছরে আমরা বিশ্বসংসারের এমন জায়গায় যাব, যা আগে কেউ কখনো দেখেনি। আমাদের সৌরপরিবারের অতীত ইতিহাস হয়তো এবার জানা যাবে। মিলবে নতুনের সন্ধান।’

বৃহস্পতির পথে প্রথম সৌর-মহাকাশযান

 যুগান্তর ডেস্ক 
১৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
বৃহস্পতির পথে প্রথম সৌর-মহাকাশযান
ফাইল ছবি

চলতি দশক মহাকাশ গবেষণায় নতুন নতুন দিশা দেখাবে বলে অনেক আগেই জানিয়েছিল মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। চাঁদ ও মঙ্গল ছাড়াও বুধের উদ্দেশ্যেও পাঠানো হয়েছে যান। এবার আরও অজানা এলাকায় পাড়ি দিল নাসা। শনিবারই প্রথমবারের মতো সৌরশক্তি চালিত মহাকাশযান পাঠিয়েছে সংস্থাটি। মহাকাশযানটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘লুসি’। এই নামকরণ হয়েছে দুনিয়ার আদিম এক মনুষ্য প্রজাতির নামে। বৃহস্পতি গ্রহকে কেন্দ্র করে যেসব গ্রহাণু বা অ্যাস্টেরয়েড প্রদক্ষিণ করে চলেছে, তার খোঁজখবর নেবে নাসার এই মহাকাশযান। এই গ্রহাণুদের বলা হয় ট্রোজান অ্যাস্টেরয়েড। এই চত্বরে এখনো কোনো দেশের মহাকাশযান পৌঁছেনি। শনিবার বিকাল ৩টা নাগাদ ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে অ্যাটলাস ভি রকেটে চেপে পাড়ি দেয় লুসি। টানা ১২ বছর কাজ করবে লুসি। ট্রোজান গ্রহাণুর কোনোটা লাল রঙের তো কোনোটা সবুজ। আবার কোনটাবা আবার ধূসর। কেন এই রঙের পার্থক্য। আদতে কী কী মৌল বা ধাতু আছে তা দেখবে লুসি। সোনা, কোবাল্ট, নিকেল, প্ল্যাটিনাম ইত্যাদি ধাতু থাকার সম্ভাবনা রয়েছে গ্রহাণুগুলোতে। সেসব কতটা পরিমাণে আছে তা সরেজমিন খতিয়ে দেখতে যাচ্ছে লুসি। রয়টার্স জানায়, ৩২ লাখ বছর আগের মানুষের একটি কঙ্কাল আবিষ্কারের পর সেটিকে মানবজাতির বিবর্তনের ইতিবৃত্ত জানার অন্যতম প্রধান সূত্র বলে ধরা হয়। ওই কঙ্কালটির নাম লুসি রাখা হয়েছিল তার আবিষ্কর্তার নামে। নাসার মতে, লুসি যেমন শুরুর দিককার মনুষ্য জাতির প্রতিনিধিত্ব করে, তেমনি তাদের এই অভিযানও সৌরজগতের প্রারম্ভিক বিষয়-আশয় বোঝার ক্ষেত্রে তথ্য জোগাবে। নাসার বিজ্ঞানী টম স্টেটলার বলেন, ‘লুসির সঙ্গে ১২ বছরে আমরা বিশ্বসংসারের এমন জায়গায় যাব, যা আগে কেউ কখনো দেখেনি। আমাদের সৌরপরিবারের অতীত ইতিহাস হয়তো এবার জানা যাবে। মিলবে নতুনের সন্ধান।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন