গ্রামের বিদ্যুৎ লাইন কেটে প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতেন প্রেমিক
jugantor
গ্রামের বিদ্যুৎ লাইন কেটে প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতেন প্রেমিক
গণধোলাইয়ের পর বিয়ে

  যুগান্তর ডেস্ক  

১৭ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আশপাশের কোনো গ্রামেই বিদ্যুৎ যায় না। কিন্তু গণেশপুর গ্রামবাসী প্রতিদিন একই সময়ে অন্ধকারে ডুবে যান। এর রহস্য কী! একদিন উন্মোচিত হলো পূর্ব বিহারের পুর্নিয়া জেলার এ ঘটনার আসল রহস্য। স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মী খুঁটিতে উঠে বিদ্যুৎ লাইন কেটে দিয়ে ওই অন্ধকারে প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতেন। বৃহস্পতিবার হাতেনাতে ধরার পর যথারীতি গণধোলাই দেওয়া হয় তাকে। এরপর বিয়ে। গাল্ফ নিউজ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গণেশপুরে এভাবে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার ঘটনা খুব একটা ঘটত না। ইদানীং এ সমস্যা তৈরি হওয়ায় উদ্বেগের মধ্যে পড়েন তারা। নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনার পর তারা জানতে পারেন স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগের একজন কর্মীই এ সংকটের কারণ। গ্রামবাসী দেখতে পেলেন ইলেকট্রিশিয়ান সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিতেন, যেন অন্ধকারের আড়ালে তার বান্ধবীর সঙ্গে নির্বিঘ্নে দেখা করতে পারেন। লোকটি গ্রামছাড়ার পর ফের বিদ্যুতের আলোয় ভাসত পুরো গ্রাম।

উদ্বিগ্ন গ্রামবাসী শিগগিরই অভিযুক্তকে হাতেনাতে ধরার একটি পরিকল্পনা তৈরি করেন। পরের বার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পরপরই গ্রামের উপকণ্ঠে একটি সরকারি স্কুলে এসে প্রেমিক-প্রেমিকাকে ধরে ফেলেন একদল গ্রামবাসী। তাদের ধরার পরপরই উত্তমমধ্যম চলে কিছুক্ষণ। এরপর গ্রামবাসীকে দেখানোর জন্য শাস্তি হিসাবে তাদের রাস্তার এমাথা ওমাথা প্যারেড করানো হয়। এ সময় ইলেকট্রিশিয়ান স্বীকার করেছেন যে, বান্ধবীর সঙ্গে দেখা করার জন্যই বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিত। এরপর গ্রামবাসী তাকে প্রেমিকার সঙ্গে বিয়ে করিয়ে দেন।

স্থানীয় বাসিন্দা মারার রাম মারমা বৃহস্পতিবার স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘লোকটি সরপঞ্চ এবং অন্যান্য গ্রাম পরিষদের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মেয়েটিকে বিয়ে করেছেন।’

স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, এ বিষয়ে তারা এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পায়নি। স্থানীয় থানার ইনচার্জ বিকাশ কুমার আজাদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা ঘটনাটি জানতে পেরেছি। কিন্তু অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব।’ প্রতিবেদনে প্রেমিক-প্রেমিকার নাম উল্লেখ করা হয়নি।

গ্রামের বিদ্যুৎ লাইন কেটে প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতেন প্রেমিক

গণধোলাইয়ের পর বিয়ে
 যুগান্তর ডেস্ক 
১৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আশপাশের কোনো গ্রামেই বিদ্যুৎ যায় না। কিন্তু গণেশপুর গ্রামবাসী প্রতিদিন একই সময়ে অন্ধকারে ডুবে যান। এর রহস্য কী! একদিন উন্মোচিত হলো পূর্ব বিহারের পুর্নিয়া জেলার এ ঘটনার আসল রহস্য। স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মী খুঁটিতে উঠে বিদ্যুৎ লাইন কেটে দিয়ে ওই অন্ধকারে প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতেন। বৃহস্পতিবার হাতেনাতে ধরার পর যথারীতি গণধোলাই দেওয়া হয় তাকে। এরপর বিয়ে। গাল্ফ নিউজ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গণেশপুরে এভাবে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার ঘটনা খুব একটা ঘটত না। ইদানীং এ সমস্যা তৈরি হওয়ায় উদ্বেগের মধ্যে পড়েন তারা। নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনার পর তারা জানতে পারেন স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগের একজন কর্মীই এ সংকটের কারণ। গ্রামবাসী দেখতে পেলেন ইলেকট্রিশিয়ান সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিতেন, যেন অন্ধকারের আড়ালে তার বান্ধবীর সঙ্গে নির্বিঘ্নে দেখা করতে পারেন। লোকটি গ্রামছাড়ার পর ফের বিদ্যুতের আলোয় ভাসত পুরো গ্রাম।

উদ্বিগ্ন গ্রামবাসী শিগগিরই অভিযুক্তকে হাতেনাতে ধরার একটি পরিকল্পনা তৈরি করেন। পরের বার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পরপরই গ্রামের উপকণ্ঠে একটি সরকারি স্কুলে এসে প্রেমিক-প্রেমিকাকে ধরে ফেলেন একদল গ্রামবাসী। তাদের ধরার পরপরই উত্তমমধ্যম চলে কিছুক্ষণ। এরপর গ্রামবাসীকে দেখানোর জন্য শাস্তি হিসাবে তাদের রাস্তার এমাথা ওমাথা প্যারেড করানো হয়। এ সময় ইলেকট্রিশিয়ান স্বীকার করেছেন যে, বান্ধবীর সঙ্গে দেখা করার জন্যই বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিত। এরপর গ্রামবাসী তাকে প্রেমিকার সঙ্গে বিয়ে করিয়ে দেন।

স্থানীয় বাসিন্দা মারার রাম মারমা বৃহস্পতিবার স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘লোকটি সরপঞ্চ এবং অন্যান্য গ্রাম পরিষদের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মেয়েটিকে বিয়ে করেছেন।’

স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, এ বিষয়ে তারা এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পায়নি। স্থানীয় থানার ইনচার্জ বিকাশ কুমার আজাদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা ঘটনাটি জানতে পেরেছি। কিন্তু অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেব।’ প্রতিবেদনে প্রেমিক-প্রেমিকার নাম উল্লেখ করা হয়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন