বন্যায় ভারত-নেপালে নিহত দেড় শতাধিক
jugantor
বন্যায় ভারত-নেপালে নিহত দেড় শতাধিক

  যুগান্তর ডেস্ক  

২২ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভারত-নেপালে গত কয়েক দিনের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে দেশ দুটিতে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৮৫ জন নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছে বহু মানুষ। বিধ্বংসী এ বন্যা ও ভূমিধসে দেশ দুটির অনেক বাড়িঘর ও রাস্তা ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। বুধবার এ খবর জানিয়েছে আলজাজিরা।

ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সেখানে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বন্যা ও ভূমিধসে ৫৫ জন মারা গেছেন। এখানে নিখোঁজ রয়েছেন আরও ১১ জন। কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন জানিয়েছেন, সেখানে মৃতের সংখ্যা ৪২ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়াও হিমালয় রাজ্যের দুটি প্রত্যন্ত জেলায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ছয়জন। ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ সতর্কতা বাড়িয়ে ওই অঞ্চলে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে। সোমবার বেশ কয়েকটি এলাকায় ৪০০ মিলিমিটার বা ১৬ ইঞ্চি পর্যন্ত বৃষ্টি রেকর্ড করার কথা জানায় তারা। এই অতিবৃষ্টিপাতই ভূমিধস এবং বন্যার অন্যতম কারণ। এর পরই কর্তৃপক্ষ স্কুল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি বন্যাকবলিত রাজ্যে সব ধর্মীয় ও পর্যটন কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়।

অন্য দিকে নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তা হুমকালা পান্ডে জানিয়েছেন, দেশটিতে গত তিন দিনের ভারি বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে ৮৮ জন মারা গেছেন। নিখোঁজ রয়েছেন ৪৩ জন। তিনি বলেন, এখনো অনেক স্থানে ভারি বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। আমরা মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করছি।’ তিনি জানিয়েছেন মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ভারি বৃষ্টি ও বন্যার কারণে হিমালয় অঞ্চলে ভূমিধস একটি নিয়মিত দুর্যোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন বন উজাড় করে জলবিদ্যুৎ বাঁধ ও অবকাঠামো নির্মাণ এর জন্য দায়ী।

বন্যায় ভারত-নেপালে নিহত দেড় শতাধিক

 যুগান্তর ডেস্ক 
২২ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভারত-নেপালে গত কয়েক দিনের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে দেশ দুটিতে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৮৫ জন নিহত হয়েছেন। নিখোঁজ রয়েছে বহু মানুষ। বিধ্বংসী এ বন্যা ও ভূমিধসে দেশ দুটির অনেক বাড়িঘর ও রাস্তা ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। বুধবার এ খবর জানিয়েছে আলজাজিরা।

ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সেখানে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বন্যা ও ভূমিধসে ৫৫ জন মারা গেছেন। এখানে নিখোঁজ রয়েছেন আরও ১১ জন। কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন জানিয়েছেন, সেখানে মৃতের সংখ্যা ৪২ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়াও হিমালয় রাজ্যের দুটি প্রত্যন্ত জেলায় নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ছয়জন। ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগ সতর্কতা বাড়িয়ে ওই অঞ্চলে ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে। সোমবার বেশ কয়েকটি এলাকায় ৪০০ মিলিমিটার বা ১৬ ইঞ্চি পর্যন্ত বৃষ্টি রেকর্ড করার কথা জানায় তারা। এই অতিবৃষ্টিপাতই ভূমিধস এবং বন্যার অন্যতম কারণ। এর পরই কর্তৃপক্ষ স্কুল বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি বন্যাকবলিত রাজ্যে সব ধর্মীয় ও পর্যটন কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়।

অন্য দিকে নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তা হুমকালা পান্ডে জানিয়েছেন, দেশটিতে গত তিন দিনের ভারি বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে ৮৮ জন মারা গেছেন। নিখোঁজ রয়েছেন ৪৩ জন। তিনি বলেন, এখনো অনেক স্থানে ভারি বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। আমরা মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করছি।’ তিনি জানিয়েছেন মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ভারি বৃষ্টি ও বন্যার কারণে হিমালয় অঞ্চলে ভূমিধস একটি নিয়মিত দুর্যোগ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন বন উজাড় করে জলবিদ্যুৎ বাঁধ ও অবকাঠামো নির্মাণ এর জন্য দায়ী।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন