সুদানে অভ্যুত্থান, প্রধানমন্ত্রীসহ পাঁচ মন্ত্রী আটক
jugantor
সুদানে অভ্যুত্থান, প্রধানমন্ত্রীসহ পাঁচ মন্ত্রী আটক

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৬ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সুদান প্রধানমন্ত্রী

সুদানে ফের সামরিক অভ্যুত্থানের ঘটনা ঘটেছে। আটক করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী আবদাল্লাহ হামদকসহ সরকারের পাঁচ মন্ত্রী ও সরকার সমর্থক রাজনৈতিক নেতাদের। সরকার ভেঙে দেওয়া হয়েছে। দেশজুড়ে ঘোষণা করা হয়েছে জরুরি অবস্থা। এর মধ্য দিয়ে আফ্রিকার দেশটির চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা আরও জটিল রূপ নিল। বন্ধ হয়ে গেল গণতন্ত্রে উত্তরণের পথও। এদিকে সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে ইতোমধ্যে রাস্তায় নেমেছে দেশটির হাজারো মানুষ। সিএনএন, আলজাজিরা ও রয়টার্স।

অভ্যুত্থানের ঘটনা শুরু হয় সোমবার ভোররাতের দিকে। রাজধানী খার্তুমে ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অবস্থান নেয় সামরিক ও আধা সামরিক বাহিনী। জনসাধারণের চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করা হয়। খার্তুম বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়। স্থগিত করা হয় সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী আবদাল্লাহ, তার স্ত্রী ও সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যদের আটক করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। আলজাজিরা জানায়, সামরিক বাহিনীর একটি দল রাজধানী খার্তুমে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। এ ঘটনাকে অভ্যুত্থান অভিহিত করে একে প্রতিহত করতে দেশবাসীকে রাজপথে নেমে আসার আহ্বান জানায় তথ্য মন্ত্রণালয়। এর পরপরই রাজধানী ও পার্শ্ববর্তী ওমদুরমান শহরে বিক্ষোভে নামে হাজারো মানুষ। কয়েক ঘণ্টা পর টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভাষণ দেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল বুরহান। ভাষণে সরকার ভেঙে দেওয়ার ঘোষণার পাশাপাশি জরুরি অবস্থান জারি করেন। বলেন, ২০২৩ সালে একটি নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পূর্বপর্যন্ত ‘একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার’ রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবে। সংবিধানের কয়েকটি আর্টিকেল স্থগিতের সঙ্গে সঙ্গে প্রাদেশিক গভর্নর পদও বাতিলের ঘোষণা দেন বুরহান। বছর দুই আগে (২০১৯ সালে) সুদানের দীর্ঘদিনের শাসক ওমর-আল-বাশিরকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর একটি অন্তর্র্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়।

সুদানে অভ্যুত্থান, প্রধানমন্ত্রীসহ পাঁচ মন্ত্রী আটক

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৬ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
সুদান প্রধানমন্ত্রী
ফাইল ছবি

সুদানে ফের সামরিক অভ্যুত্থানের ঘটনা ঘটেছে। আটক করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী আবদাল্লাহ হামদকসহ সরকারের পাঁচ মন্ত্রী ও সরকার সমর্থক রাজনৈতিক নেতাদের। সরকার ভেঙে দেওয়া হয়েছে। দেশজুড়ে ঘোষণা করা হয়েছে জরুরি অবস্থা। এর মধ্য দিয়ে আফ্রিকার দেশটির চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা আরও জটিল রূপ নিল। বন্ধ হয়ে গেল গণতন্ত্রে উত্তরণের পথও। এদিকে সেনা অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে ইতোমধ্যে রাস্তায় নেমেছে দেশটির হাজারো মানুষ। সিএনএন, আলজাজিরা ও রয়টার্স।

অভ্যুত্থানের ঘটনা শুরু হয় সোমবার ভোররাতের দিকে। রাজধানী খার্তুমে ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অবস্থান নেয় সামরিক ও আধা সামরিক বাহিনী। জনসাধারণের চলাচলে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়। ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করা হয়। খার্তুম বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়। স্থগিত করা হয় সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট। এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী আবদাল্লাহ, তার স্ত্রী ও সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যদের আটক করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। আলজাজিরা জানায়, সামরিক বাহিনীর একটি দল রাজধানী খার্তুমে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। এ ঘটনাকে অভ্যুত্থান অভিহিত করে একে প্রতিহত করতে দেশবাসীকে রাজপথে নেমে আসার আহ্বান জানায় তথ্য মন্ত্রণালয়। এর পরপরই রাজধানী ও পার্শ্ববর্তী ওমদুরমান শহরে বিক্ষোভে নামে হাজারো মানুষ। কয়েক ঘণ্টা পর টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভাষণ দেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল বুরহান। ভাষণে সরকার ভেঙে দেওয়ার ঘোষণার পাশাপাশি জরুরি অবস্থান জারি করেন। বলেন, ২০২৩ সালে একটি নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পূর্বপর্যন্ত ‘একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার’ রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম পরিচালনা করবে। সংবিধানের কয়েকটি আর্টিকেল স্থগিতের সঙ্গে সঙ্গে প্রাদেশিক গভর্নর পদও বাতিলের ঘোষণা দেন বুরহান। বছর দুই আগে (২০১৯ সালে) সুদানের দীর্ঘদিনের শাসক ওমর-আল-বাশিরকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর একটি অন্তর্র্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন