ভারত-রাশিয়ার ৭ লাখ রাইফেল চুক্তি চূড়ান্ত
jugantor
ভারত-রাশিয়ার ৭ লাখ রাইফেল চুক্তি চূড়ান্ত
পুতিন আসলেই সামনের মাসে সই * প্রথমে ২০ হাজার একে-২০৩ অ্যাসল্ট রাইফেল আমদানি করবে নয়াদিল্লি

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৫ নভেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে যৌথভাবে ৭ লাখ একে-২০৩ রাইফেল তৈরির একটি চূক্তি প্রায় চূড়ান্ত হয়েছে। মঙ্গলবারই এ বিষয়ে ছাড়পত্র দিয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের পালা। সামনের মাসেই নয়াদিল্লি সফরে আসছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ওই সফরেই চুক্তিটি সই হবে। চুক্তি মতে, রাশিয়া থেকে প্রথমে ২০ হাজার একে-২০৩ অ্যাসল্ট রাইফেল আমদানি করবে ভারত। এরপর অবশিষ্ট রাইফেলগুলো যৌথভাবে তৈরি করা হবে। আগামী বছরের গোড়ায়ই উত্তরপ্রদেশের আমেথির একটি কারখানায় শুরু হবে উৎপাদন। দ্য প্রিন্ট ও হিন্দুস্তান টাইমস।

রাশিয়ার কালাশনিকভ কোম্পানির তৈরি একে-৪৭ পৃথিবী বিখ্যাত। একে-২০৩ তারই সহোদর। আরও উন্নত সংস্করণ। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ইনসাস রাইফেলের বদলে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পদাতিক ব্যাটালিয়নগুলোতে রাইফেলগুলো ব্যবহৃত হবে। ৫.৫৬ মিলিমিটারের ইনসাসের তুলনায় একে সিরিজের ৭.৬২ মিলিমিটার কার্তুজ অনেক বেশি প্রাণঘাতী। কার্যকরী পাল্লাও বেশি। অত্যাধুনিক ওই রাইফেল থেকে মিনিটে প্রায় ৭০০ রাউন্ড গুলি ছোড়া সম্ভব। ২০১৮ সালের এপ্রিলে তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের রাশিয়া সফরের সময় বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক চুক্তি সই হয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী রুশ প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ দেশের অস্ত্র কারখানায়ই কালাশনিকভ রাইফেলের সর্বাধুনিক মডেল বানানোর অনুমতি পায় ভারত। ২০১৯’র মার্চে আমেথির করওয়ার অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিতে একে-২০৩ রাইফেল উৎপাদন প্রকল্প উদ্বোধন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

মন্ত্রিসভায় কৃষি আইন বাতিল প্রস্তাব পাশ

ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে পাশ হয়েছে বিতর্কিত ৩টি কৃষি আইন বাতিলের প্রস্তাব। এর মাধ্যমে আইন ৩টি প্রত্যাহারের দিকে প্রথম পদক্ষেপ নিল মোদি সরকার। ১৯ নভেম্বর মোদি ঘোষণা করেন, ৩টি কৃষি আইন বাতিল করবে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই লক্ষ্যেই বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘ফার্ম ল রিপিল বিল-২০২১’র প্রস্তাব আনা হয়। আইন বাতিলের প্রথম ধাপ পেরোনোর পরে সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেই এই আইন বাতিলের প্রস্তাব আনা হবে। সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন কৃষক আন্দোলনের নেতারা। কৃষি আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী কৃষকদের নেতৃত্ব দেন উলুবেড়িয়ার সাবেক সংসদ-সদস্য ও কৃষক সভার নেতা হান্নান মোল্লা। তিনি বলেন, ‘এই আইন পাশ হওয়ারই ছিল।

ভারত-রাশিয়ার ৭ লাখ রাইফেল চুক্তি চূড়ান্ত

পুতিন আসলেই সামনের মাসে সই * প্রথমে ২০ হাজার একে-২০৩ অ্যাসল্ট রাইফেল আমদানি করবে নয়াদিল্লি
 যুগান্তর ডেস্ক 
২৫ নভেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে যৌথভাবে ৭ লাখ একে-২০৩ রাইফেল তৈরির একটি চূক্তি প্রায় চূড়ান্ত হয়েছে। মঙ্গলবারই এ বিষয়ে ছাড়পত্র দিয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এখন শুধু আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষরের পালা। সামনের মাসেই নয়াদিল্লি সফরে আসছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ওই সফরেই চুক্তিটি সই হবে। চুক্তি মতে, রাশিয়া থেকে প্রথমে ২০ হাজার একে-২০৩ অ্যাসল্ট রাইফেল আমদানি করবে ভারত। এরপর অবশিষ্ট রাইফেলগুলো যৌথভাবে তৈরি করা হবে। আগামী বছরের গোড়ায়ই উত্তরপ্রদেশের আমেথির একটি কারখানায় শুরু হবে উৎপাদন। দ্য প্রিন্ট ও হিন্দুস্তান টাইমস।

রাশিয়ার কালাশনিকভ কোম্পানির তৈরি একে-৪৭ পৃথিবী বিখ্যাত। একে-২০৩ তারই সহোদর। আরও উন্নত সংস্করণ। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ইনসাস রাইফেলের বদলে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পদাতিক ব্যাটালিয়নগুলোতে রাইফেলগুলো ব্যবহৃত হবে। ৫.৫৬ মিলিমিটারের ইনসাসের তুলনায় একে সিরিজের ৭.৬২ মিলিমিটার কার্তুজ অনেক বেশি প্রাণঘাতী। কার্যকরী পাল্লাও বেশি। অত্যাধুনিক ওই রাইফেল থেকে মিনিটে প্রায় ৭০০ রাউন্ড গুলি ছোড়া সম্ভব। ২০১৮ সালের এপ্রিলে তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের রাশিয়া সফরের সময় বিষয়টি নিয়ে প্রাথমিক চুক্তি সই হয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী রুশ প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ দেশের অস্ত্র কারখানায়ই কালাশনিকভ রাইফেলের সর্বাধুনিক মডেল বানানোর অনুমতি পায় ভারত। ২০১৯’র মার্চে আমেথির করওয়ার অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরিতে একে-২০৩ রাইফেল উৎপাদন প্রকল্প উদ্বোধন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

মন্ত্রিসভায় কৃষি আইন বাতিল প্রস্তাব পাশ

ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে পাশ হয়েছে বিতর্কিত ৩টি কৃষি আইন বাতিলের প্রস্তাব। এর মাধ্যমে আইন ৩টি প্রত্যাহারের দিকে প্রথম পদক্ষেপ নিল মোদি সরকার। ১৯ নভেম্বর মোদি ঘোষণা করেন, ৩টি কৃষি আইন বাতিল করবে কেন্দ্রীয় সরকার। সেই লক্ষ্যেই বুধবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘ফার্ম ল রিপিল বিল-২০২১’র প্রস্তাব আনা হয়। আইন বাতিলের প্রথম ধাপ পেরোনোর পরে সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেই এই আইন বাতিলের প্রস্তাব আনা হবে। সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন কৃষক আন্দোলনের নেতারা। কৃষি আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী কৃষকদের নেতৃত্ব দেন উলুবেড়িয়ার সাবেক সংসদ-সদস্য ও কৃষক সভার নেতা হান্নান মোল্লা। তিনি বলেন, ‘এই আইন পাশ হওয়ারই ছিল।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন