ফিনল্যান্ডের সুখে থাকার কারণ বললেন প্রধানমন্ত্রী
jugantor
ফিনল্যান্ডের সুখে থাকার কারণ বললেন প্রধানমন্ত্রী

  অনলাইন ডেস্ক  

০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

টানা চার বছর ধরে বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশের শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে ফিনল্যান্ড। কিন্তু বৈশ্বিক নানা জটিলতার মাঝেও কীভাবে দেশটি এই অবস্থান টিকিয়ে রেখেছে তার রহস্য খোলাসা করলেন প্রধানমন্ত্রী সানা মারিন নিজেই। ফিনল্যান্ডের এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ ফিনল্যান্ড এবং তিনি এটি ধরে রাখতে চান। সচরাচর ক্যামেরার সামনে কথা বলেন না। রোববার প্রকাশিত ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানের এক সাক্ষাৎকারে এই প্রথম নিজের দেশের সুখে থাকার কারণ বললেন সানা। তার মতে, সমতা, একটি ভালো অর্থায়নজনিত শিক্ষাব্যবস্থা এবং একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র-এসবই ফিনল্যান্ডের বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ হওয়ার পেছনের গোপন বিষয়। বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসাবে সানা ফিনল্যান্ডের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন মাত্র ৩৪ বছর বয়সে। ২০১৯ সালে নরডিক জাতির প্রধানমন্ত্রী হন তিনি। সানা বলেন, ফিনল্যান্ড ‘পরিবেশগতভাবে টেকসই উপায়ে’ উদার সমাজব্যবস্থা সংরক্ষণের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল এবং সবুজ প্রযুক্তির বিকাশ ও রপ্তানিকে তার ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির চাবিকাঠি হিসাবে দেখেছে। তিনি আরও বলেন, সমতার ক্ষেত্রে আরও ভালো করতে চেয়েছিলেন তিনি। চলতি বছর এপ্রিলে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন সমাধান নেটওয়ার্ক ১০টি পয়েন্টে তাদের মতামত জানাতে বলে। ৫৫ লাখ মানুষের দেশে সানা মারিন খুব ভালোভাবেই করোনা সামাল দিতে পেরেছেন। দেশটিতে করোনাভাইরাসের কারণে মাত্র ১৩শ মানুষের মৃত্যু হয়েছে যা বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় কমই বলা যায়। ভবিষ্যতে সরকার গঠন অব্যাহত থাকলে তিনি কী করবেন-এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, নিজ দল ও বিরোধীদের মধ্যে সমতা নিশ্চিত করবেন এবং বৈষম্য কমাবেন। সম্প্রতি দেশটিতে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত সবার জন্য শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একটি নতুন অভিভাবকীয় ছুটির ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা আগামী আগস্টে কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ছুটির আওতায় মা এবং বাবারা তাদের ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে বাড়িতে একই পরিমাণ সময় কাটাতে পারবেন। মারিন ফিনল্যান্ডে গৃহহীনতার অবসান ঘটাতে তার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেছেন। হাউজিং পদ্ধতি অ্যাপ্রোচ রাস্তার পাশে গৃহহীন হ্রাস করতে কাজ করছে এবং ২০২৭ সালের মধ্যে এটি লক্ষ্যে পৌঁছাবে। যুক্তরাজ্যের রাজনীতিবিদদের কাছে এই মডেল আকর্ষণীয়। দ্য গার্ডিয়ান।

ফিনল্যান্ডের সুখে থাকার কারণ বললেন প্রধানমন্ত্রী

 অনলাইন ডেস্ক 
০৬ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

টানা চার বছর ধরে বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশের শীর্ষ অবস্থান ধরে রেখেছে ফিনল্যান্ড। কিন্তু বৈশ্বিক নানা জটিলতার মাঝেও কীভাবে দেশটি এই অবস্থান টিকিয়ে রেখেছে তার রহস্য খোলাসা করলেন প্রধানমন্ত্রী সানা মারিন নিজেই। ফিনল্যান্ডের এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ ফিনল্যান্ড এবং তিনি এটি ধরে রাখতে চান। সচরাচর ক্যামেরার সামনে কথা বলেন না। রোববার প্রকাশিত ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানের এক সাক্ষাৎকারে এই প্রথম নিজের দেশের সুখে থাকার কারণ বললেন সানা। তার মতে, সমতা, একটি ভালো অর্থায়নজনিত শিক্ষাব্যবস্থা এবং একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র-এসবই ফিনল্যান্ডের বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ হওয়ার পেছনের গোপন বিষয়। বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হিসাবে সানা ফিনল্যান্ডের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছিলেন মাত্র ৩৪ বছর বয়সে। ২০১৯ সালে নরডিক জাতির প্রধানমন্ত্রী হন তিনি। সানা বলেন, ফিনল্যান্ড ‘পরিবেশগতভাবে টেকসই উপায়ে’ উদার সমাজব্যবস্থা সংরক্ষণের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিল এবং সবুজ প্রযুক্তির বিকাশ ও রপ্তানিকে তার ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির চাবিকাঠি হিসাবে দেখেছে। তিনি আরও বলেন, সমতার ক্ষেত্রে আরও ভালো করতে চেয়েছিলেন তিনি। চলতি বছর এপ্রিলে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন সমাধান নেটওয়ার্ক ১০টি পয়েন্টে তাদের মতামত জানাতে বলে। ৫৫ লাখ মানুষের দেশে সানা মারিন খুব ভালোভাবেই করোনা সামাল দিতে পেরেছেন। দেশটিতে করোনাভাইরাসের কারণে মাত্র ১৩শ মানুষের মৃত্যু হয়েছে যা বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় কমই বলা যায়। ভবিষ্যতে সরকার গঠন অব্যাহত থাকলে তিনি কী করবেন-এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, নিজ দল ও বিরোধীদের মধ্যে সমতা নিশ্চিত করবেন এবং বৈষম্য কমাবেন। সম্প্রতি দেশটিতে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত সবার জন্য শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একটি নতুন অভিভাবকীয় ছুটির ব্যবস্থা করা হয়েছে, যা আগামী আগস্টে কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ছুটির আওতায় মা এবং বাবারা তাদের ছোট বাচ্চাদের সঙ্গে বাড়িতে একই পরিমাণ সময় কাটাতে পারবেন। মারিন ফিনল্যান্ডে গৃহহীনতার অবসান ঘটাতে তার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেছেন। হাউজিং পদ্ধতি অ্যাপ্রোচ রাস্তার পাশে গৃহহীন হ্রাস করতে কাজ করছে এবং ২০২৭ সালের মধ্যে এটি লক্ষ্যে পৌঁছাবে। যুক্তরাজ্যের রাজনীতিবিদদের কাছে এই মডেল আকর্ষণীয়। দ্য গার্ডিয়ান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন