মুসলিম দেশগুলোর স্বীকৃতি চাই তালেবান সরকার
jugantor
মুসলিম দেশগুলোর স্বীকৃতি চাই তালেবান সরকার

  যুগান্তর ডেস্ক  

২০ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আফগানিস্তানের বর্তমান সরকারকে স্বীকৃতি দিতে মুসলিম দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ। ১৫ আগস্ট ক্ষমতা দখলের পর বুধবার এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে এ আহ্বান জানান। এএফপি।

আফগানিস্তানের ব্যাপক অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হাসান আখুন্দ বলেন, ‘মুসলিম দেশগুলো আমাদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিলে আমরা দ্রুত উন্নয়ন করতে পারব বলে আশা করছি।’

আগস্টে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর কোনো দেশ এখনো তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেয়নি। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত আফগানিস্তানের ক্ষমতায় থাকা কট্টরপন্থি ইসলামপন্থিরা মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী। এ কারণেই এবার তাদের শাসনকে পর্যবেক্ষণে রেখেছে পশ্চিমা দেশগুলো। তবে স্বীকৃতি না-দিলেও দেশটির ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতিকে সাহায্যের মানসিকতা রয়েছে পশ্চিমা দেশগুলোর। হাসান আখুন্দ বলেন, ‘আমরা কারও কাছে সাহায্য চাই না। আমাদের জনগণের স্বার্থে আমাদের স্বীকৃতি দিন। তালেবান এরই মধ্যে শান্তি ও নিরাপত্তা পনুরুদ্ধার করে প্রয়োজনীয় সব শর্ত পূরণ করেছে।’

আত্মঘাতী বাহিনী গড়ার পরিকল্পনা : জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করতে আত্মঘাতী বোমারু বাহিনী গড়ার পরিকল্পনা করছে তালেবান সরকার। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে। তালেবানের উপমুখপাত্র বিলাল করিমি বলেছেন, ‘এখন আমরা আবার আত্মঘাতী বাহিনী গড়তে চাই। আফগানিস্তানের নিরাপত্তার জন্য সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীদের স্কোয়াডগুলোকে একক ইউনিটের অধীনে কাজ করাতে চাই।’

মুসলিম দেশগুলোর স্বীকৃতি চাই তালেবান সরকার

 যুগান্তর ডেস্ক 
২০ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আফগানিস্তানের বর্তমান সরকারকে স্বীকৃতি দিতে মুসলিম দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ। ১৫ আগস্ট ক্ষমতা দখলের পর বুধবার এই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে এ আহ্বান জানান। এএফপি।

আফগানিস্তানের ব্যাপক অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে হাসান আখুন্দ বলেন, ‘মুসলিম দেশগুলো আমাদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিলে আমরা দ্রুত উন্নয়ন করতে পারব বলে আশা করছি।’

আগস্টে আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর কোনো দেশ এখনো তালেবান সরকারকে স্বীকৃতি দেয়নি। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত আফগানিস্তানের ক্ষমতায় থাকা কট্টরপন্থি ইসলামপন্থিরা মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য দায়ী। এ কারণেই এবার তাদের শাসনকে পর্যবেক্ষণে রেখেছে পশ্চিমা দেশগুলো। তবে স্বীকৃতি না-দিলেও দেশটির ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতিকে সাহায্যের মানসিকতা রয়েছে পশ্চিমা দেশগুলোর। হাসান আখুন্দ বলেন, ‘আমরা কারও কাছে সাহায্য চাই না। আমাদের জনগণের স্বার্থে আমাদের স্বীকৃতি দিন। তালেবান এরই মধ্যে শান্তি ও নিরাপত্তা পনুরুদ্ধার করে প্রয়োজনীয় সব শর্ত পূরণ করেছে।’

আত্মঘাতী বাহিনী গড়ার পরিকল্পনা : জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করতে আত্মঘাতী বোমারু বাহিনী গড়ার পরিকল্পনা করছে তালেবান সরকার। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে। তালেবানের উপমুখপাত্র বিলাল করিমি বলেছেন, ‘এখন আমরা আবার আত্মঘাতী বাহিনী গড়তে চাই। আফগানিস্তানের নিরাপত্তার জন্য সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীদের স্কোয়াডগুলোকে একক ইউনিটের অধীনে কাজ করাতে চাই।’

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন